বাংলার_গর্ব পূর্ণেন্দু পত্রী

পূর্ণেন্দুশেখর পত্রী (ফেব্রুয়ারি ২, ১৯৩১ – মার্চ ১৯, ১৯৯৭) (পূর্ণেন্দু পত্রী নামে সর্বাধিক পরিচিত; ছদ্মনাম সমুদ্রগুপ্ত) একজন বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, শিশুসাহিত্যিক, সাহিত্য গবেষক, কলকাতা গবেষক, চিত্র-পরিচালক ও প্রচ্ছদশিল্পী।পূর্ণেন্দু পত্রীর জন্ম বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার নাকোলে। পিতা পুলিনবিহারী পত্রী, মা নির্মলা দেবী। ম্যাট্রিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর পারিবারিকRead More →

বাংলার_গর্ব অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর

অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৭১-১৯৫১) ছিলেন চিত্রশিল্পী, সাহিত্যিক। ১৮৭১ সালের ৭ আগস্ট কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে তাঁর জন্ম। পিতা গুণেন্দ্রনাথ ঠাকুর। ১৮৭৬ সালে নর্মাল স্কুলে অবনীন্দ্রনাথের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা শুরু হয়। তারপর কিছুদিন তিনি সংস্কৃত কলেজে অধ্যয়ন করেন, কিন্তু এন্ট্রান্স পরীক্ষার পূর্বেই কলেজ ত্যাগ করেন (১৮৯০)। পরে তিনি নিজ চেষ্টায় ইংরেজি, ফরাসি, সংস্কৃত ওRead More →

বাংলার_গর্ব বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী

বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী (১৮৪১-১৮৯৯) ছিলেন ব্রাহ্মসমাজের আচার্য এবং নব্যবৈষ্ণববাদের প্রবক্তা। নদীয়া জেলার দহকুল গ্রামে তাঁর জন্ম। তিনি ছিলেন প্রসিদ্ধ অদ্বৈতাচার্যের বংশধর। বিজয়কৃষ্ণ শান্তিপুরে গোবিন্দ গোস্বামীর টোলে প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন। পরে তিনি কলকাতার সংস্কৃত কলেজে অধ্যয়ন করেন। সেখানে অধ্যয়নকালে তিনি বেদান্ত পাঠে মনোনিবেশ করেন এবং ব্রাহ্মধর্মের প্রতি আকৃষ্ট হন। অতঃপর দেবেন্দ্রনাথRead More →

এই বাংলার মনীষী দের  শিক্ষা-ভাবনা কে ভিত্তি করে প্রণীত হওয়া জাতীয় শিক্ষানীতি – ২০২০ রাজ্যের হতাশাগ্রস্ত যুবসমাজ কে আত্মনির্ভরতার পাঠ শেখাবে।

দীর্ঘ উপনিবেশিক শাসনে জর্জরিত শিক্ষিত বাঙালির কাছে শিক্ষা যখন কেরানি সৃষ্টির নামান্তরে পর্যবসিত হয়েছিল ঠিক সেই সন্ধিক্ষণে স্বামীজীর শিক্ষা-চিন্তন এক নতুন দিশা দেখিয়েছিল। স্বামীজীর মতে যে অনুশীলন দ্বারা ইচ্ছা শক্তির প্রবাহ ও অভিব্যক্তি নিয়ন্ত্রাধীনে আসে এবং ফলপ্রসূ হয় তাকেই বলা হয় শিক্ষা। তিনি বলেন কেউ কাউকে কিছু শেখাতে পারে না।Read More →

বাংলার_গর্ব অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত (১৯০৩-১৯৭৬) ছিলেন কবি, ঔপন্যাসিক, সম্পাদক। ১৯০৩ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর পিতার কর্মস্থল নোয়াখালী শহরে তাঁর জন্ম। আদি নিবাস বর্তমান মাদারীপুর জেলায়। তাঁর পিতা রাজকুমার সেনগুপ্ত ছিলেন আইনজীবী। অচিন্ত্যকুমারের শৈশব ও বাল্যজীবন কাটে নোয়াখালীতে। তাঁর প্রাথমিক শিক্ষাও এখানে সম্পন্ন হয়। ১৯১৬ সালে পিতার মৃত্যুর পর তিনি কলকাতায় অগ্রজ জিতেন্দ্রকুমার সেনগুপ্তেরRead More →

বাংলার_গর্ব সমরেশ বসু

সমরেশ বসু (১৯২৪-১৯৮৮) ছিলেন একজন প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি লেখক। কালকূট ও ভ্রমর তার ছদ্মনাম। তার রচনায় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, শ্রমজীবী মানুষের জীবন এবং যৌনতাসহ বিভিন্ন অভিজ্ঞতার সুনিপুণ বর্ণনা ফুটে উঠেছে। ১৯৮০ সালে তিনি সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার লাভ করেন। তার শৈশব কাটে বাংলাদেশের বিক্রমপুরে আর কৈশোর কাটে ভারতের কলকাতার উপকণ্ঠ নৈহাটিতে। বিচিত্র সব অভিজ্ঞতায় তার জীবন ছিল পরিপূর্ণ। যেমন:Read More →

বাংলার_গর্ব জাদু সম্রাট প্রতুলচন্দ্র সরকার

পি. সি. সরকার (জন্ম: ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯১৩, মৃত্যু: ৬ জানুয়ারি ১৯৭১) ভারতবর্ষের বিখ্যাত জাদুকর। তার পুরোনাম প্রতুল চন্দ্র সরকার। তিনি অন্যতম একজন আন্তর্জাতিক জাদুকর ছিলেন, যিনি ১৯৫০ থেকে ১৯৬০ সাল পর্যন্ত তার জাদু দেখিয়েছেন। তার অন্যতম প্রদর্শনী ছিল ইন্দ্রজাল প্রদর্শনী। এই প্রদর্শনী তিনি প্রথমে মঞ্চে ও তারপর টেলিভিশনে দেখিয়েছিলেন। প্রতুলচন্দ্রRead More →

বাংলার_গর্ব বিধায়ক ভট্টাচার্য

বিধায়ক ভট্টাচার্য (১৯০৭-১৯৮৬) ছিলেন একাধারে নাট্যকার, সাহিত্যিক, সাংবাদিক। ১৯০৭ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার জিয়াগঞ্জে তাঁর জন্ম। ‘বগলারঞ্জন’ তাঁর প্রকৃত নাম হলেও রবীন্দ্রনাথ প্রদত্ত ‘বিধায়ক’ নামেই তিনি সমধিক পরিচিত। তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম ছিল ‘যশোধর মিশ্র’ ও ‘মানস দাস’। স্থানীয় এডওয়ার্ড করোনেশন হাই ইনস্টিটিউশন (বর্তমান রাজা বিজয় সিং বিদ্যামন্দির) থেকেRead More →

বাংলার_গর্ব অসীমা চট্টোপাধ্যায়

অসীমা চট্টোপাধ্যায় (২৩ সেপ্টেম্বর, ১৯১৭ – ২২ নভেম্বর, ২০০৬) একজন ভারতীয় জৈব রসায়নবিদ ও উদ্ভিদ রসায়নবিদ ছিলেন। তিনি ভিঙ্কা অ্যালকালয়েডের ওপর গবেষণা করেন এবং ম্যালেরিয়া ও মৃগীরোগের ঔষধ প্রস্তুত করেন।অসীমা চট্টোপাধ্যায় (বিবাহ-পূর্ববর্তী উপাধি মুখোপাধ্যায়) ১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দের ২৩ শে সেপ্টেম্বর ব্রিটিশ ভারতের কলকাতা শহরে জন্মগ্রহণ করেন। শৈশব হতেই মেধাবী অসীমা স্কুলজীবনেরRead More →