ভারত বনাম পাকিস্তান দ্বৈরথ মানেই স্নায়ুর লড়াই। আর সেই মহারণের আগে ভারতীয় শিবিরে বাড়তি অক্সিজেন জোগাতে ডাগ-আউটে হাজির হলেন গতবারের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক রোহিত শর্মা। ২০২৪ সালে ভারতকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বজয়ের স্বাদ দেওয়া ‘হিটম্যান’কে এদিন উত্তরসূরিদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করতে এবং তাঁদের উৎসাহিত করতে দেখা যায়।
বিপণন দূতের ভূমিকায় ‘হিটম্যান’
চলমান ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের অফিসিয়াল বিপণন দূত (Ambassador) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন রোহিত শর্মা। সেই সুবাদেই টুর্নামেন্টের একাধিক ম্যাচে তাঁকে মাঠে দেখা যাচ্ছে। তবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে তাঁর এই উপস্থিতি দলের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ক্রিকেট মহল।
ডাগ-আউটে অভিজ্ঞতা ভাগ
ম্যাচ শুরুর ঠিক আগে ভারতীয় দলের ডাগ-আউটে উপস্থিত হন রোহিত। সেখানে গিয়ে তিনি বর্তমান অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব, হার্দিক পাণ্ড্য ও ঈশান কিশনদের সঙ্গে হাত মেলান এবং দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন। বিশেষ করে ঈশান কিশনকে স্নেহের আলিঙ্গনে জড়িয়ে ধরেন তিনি। ২০০৭ থেকে ২০২৪— দীর্ঘ খরা কাটিয়ে ভারতকে শাপমুক্ত করার অভিজ্ঞতা ও কঠিন পরিস্থিতিতে শান্ত থাকার মন্ত্র তিনি ভাগ করে নেন দলের সতীর্থদের সঙ্গে।
কোচের আসনে গম্ভীর, পাশে সূর্যকুমার
রোহিত যখন ডাগ-আউটের বাইরে ক্রিকেটারদের উজ্জীবিত করছিলেন, তখন ডাগ-আউটের নির্দিষ্ট আসনে বসে গম্ভীর মুখে রণকৌশল সাজাতে দেখা যায় প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীরকে। তাঁর পাশেই বসেছিলেন বর্তমান অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। দলগত সংহতি এবং প্রাক্তন ও বর্তমানের এই মেলবন্ধন গ্যালারিতে উপস্থিত সমর্থকদের মধ্যেও উন্মাদনা সৃষ্টি করে।
জয়ের হ্যাটট্রিকের লক্ষ্যে ভারত
এবারের বিশ্বকাপে ভারত দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছে। যদিও আমেরিকার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে কিছুটা চাপে ছিল দল, তবে সূর্যের লড়াকু ইনিংস ভারতকে রক্ষা করে। দ্বিতীয় ম্যাচে নামিবিয়ার বিপক্ষে অনায়াস জয় পেয়েছে নীল বাহিনী। এবার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জয়ের ধারা বজায় রেখে হ্যাটট্রিক করাই লক্ষ্য টিম ইন্ডিয়ার। আর সেই বড় ম্যাচের চাপ সামলাতে রোহিত শর্মার মতো অভিজ্ঞ একজনের ‘পেপ টক’ ভারতের জন্য বড় পাওনা।

