রাজনীতির কারণে পশ্চিমবঙ্গকে পাখির চোখ করেনি বিজেপি। দেশের উন্নয়নে পূর্ব ভারতকে শরিক করতে হলে বাংলা দখল ছাড়া অসম্ভব বলে মনে করেন মোদী। সপা-বসপা জোট হওয়ার জেরে উত্তরপ্রদেশে আসন সংখ্যা কমতে পারে। সেই ঘাটতি পশ্চিমবঙ্গে পুষিয়ে নেবেন মোদী? প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্য, একেবারেই তেমনটা না। মনে করিয়ে দেন, ২০১৩ সালে বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির ভাষণের কথা। নরেন্দ্র মোদী বলেন,”২০১৩ সালেই বলেছিলাম, ভারতকে উন্নত দেশ তৈরি করতে হলে সামঞ্জস্য আনতে হবে। পশ্চিম ভারতে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড দেখতে পাবেন। কিন্তু পূর্ব ভারতে মানবসম্পদ ও খনিজ রয়েছে। আইএএস-আইপিএস অফিসরা উঠে আসছেন পশ্চিমবঙ্গ থেকে। অথচ এতবড় অঞ্চল পিছিয়ে পড়েছে”।  প্রধানমন্ত্রীর মতে, পূর্ব ভারতকে শক্তিশালী করতে হবে। অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটাতে হবে। এটা দেশের উন্নতির জন্যেও দরকার। রাজ্য সরকারকে সবরকম সহযোগিতা করেছে কেন্দ্র। কিন্তু তারা উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেয়নি। কলকাতাই যে পূর্ব ভারতের প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠবে, তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। তাঁর কথায়,”কলকাতা একটা বড় কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে। সমগ্র পূর্ব ভারতের উন্নতির জন্য কলকাতাই দেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যতকে দিশা দেখাবে। বাংলার মহাপুরুষরা দেশকে পথ দেখিয়েছেন। আবার বাংলাকে চালকের আসনে বসাব”। একইসঙ্গে পঞ্চায়েত ভোটের হিংসা ও দুদফার লোকসভার ভোট নিয়ে মোদীর পর্যবেক্ষণ, যেভাবে হিংসার দিকে এগিয়ে চলেছে বাংলা এবং হিংসাত্মকদের উত্সাহ দেওয়া চলছে, তেমনই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল আটের দশকে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের সঙ্গে। বিপজ্জনক পরিস্থিতি। গুরুত্ব দিয়ে বিচার করতে হবে। মোদী আরও বলেন,”হিংসার জন্য শিরোনামে থাকে জম্মু-কাশ্মীর। সেখানে পঞ্চায়েত নির্বাচন নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়েছে। হয়ে গিয়েছে লোকসভা ভোটও। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ তো সংবাদমাধ্যমের বৃত্তেই নেই। শতাধিক লোক মারা গিয়েছে। 

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.