“এক দেশ,এক রেশন কার্ড” পশ্চিমবঙ্গের অনীহা কেন ?

করোনা অতিমারীতে দেশের জনগণ যাতে খাদ্য সংকটে না-পড়েন তার জন্যই কেন্দ্র সরকার “এক জাতি এক রেশন কার্ড” নিয়ম চালু করেছে।কেন্দ্র সরকারের পাঠানো চাল,আটা-সহ অন্যান্য খাদ্যদ্রব্য যাতে সকলে পান তার জন্যই এই পরিকল্পনা গৃহিত হয়েছে।
আর এতেই চরম ক্ষিপ্ত হয়েছে মমতা-শাসিত পশ্চিমবঙ্গ সরকার।তারা ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে কেন্দ্রের এই “এক দেশ এক রেশন কার্ড” প্রকল্পে যোগ দেবে না।তাদের যুক্তি রাজ্য সরকারের “খাদ্য সাথি” প্রকল্পই নাকি এ-ব্যাপারে যথেষ্ট।
অথচ লকডাউনের মাঝে রেশনের জিনিষপত্র পাওয়া নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ভুরি ভুরি অভিযোগ উঠে চলেছে।নিম্নমানের ও পরিমাণে কম দেওয়া,শাসক দলের নেতা-কর্মীদের রেশন-দ্রব্য লুঠ,জিনিষপত্র না-পাওয়া ইত্যাদি নানাবিধ অভিযোগ সামনে আসছে প্রতিদিনই।এ-ব্যাপারে রাজ্যের বিরোধি দলগুলি,এমন-কি রাজ্যপাল পর্যন্ত ক্ষুব্ধ হয়েছেন।তারপরও সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমেনি।বরঞ্চ “এক দেশ,এক রেশন কার্ড” প্রকল্পে যোগ না-দেওয়ায় বঙ্গবাসীদের ভোগান্তি আরও বাড়বে বলে অনেকে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।বর্তমানে চালু নিয়মে এক-রাজ্যের রেশন কার্ড দেখিয়ে অন্য-রাজ্যে রেশন-দ্রব্য তোলা যায় না।নতুন নিয়মে সেটা করা যাবে।কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ সরকার নতুন প্রকল্পে যুক্ত না-হওয়াতে,এখানরা বাসিন্দারা অন্য রাজ্যে কাজে গিয়ে আটকে পড়লে বা অস্থায়ী ভাবে কিছু দিন বসবাস করলে ওই রাজ্যে রেশনদ্রব্য পাবেন না।যা লকডাউনের সময় পরিযায়ী শ্রমিকরা মর্মে মর্মে বুঝতে পারছেন।আবার বঙ্গের যে ডিলারের কাছে তার রেশন কার্ড নথিভুক্ত আছে,সেই ডিলার কিন্তু ওই জন্য বরাদ্দ দ্রব্য পাবেন।কার্ডধারি ভিন্ন রাজ্যে থাকায় তিনি রেশনদ্রব্য কোনো রাজ্যেই পাবেন না।ডিলারের কাছে বরাদ্দকৃত রেশনদ্রব্যাদি কার পকেটে বা পেটে যাবে তা সহজেই অনুমান করা যায়!কিন্তু বৈধ রেশন কার্ডধারি থাকবেন অভূক্তই!

বিশ্বের মধ্যে ভারতেই রয়েছে বৃহত্তম গণবন্টন ব্যবস্থা (Public Distribution System–PDS)।যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন ১৯৪৪ সালে চালু করা হয়।যা ২০১৩ সালের “জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইন” (National Food Security Act-2013,NFSA) দ্বারা আরও নিশ্ছিদ্র করা হয়েছে।প্রতি বছর কেন্দ্র সরকার খাদ্য নিরাপত্তার অধিনে ৬ কোটি মেট্রিক টন খাদ্যশস্য ৮১ কোটি ভারতবাসীর ক্ষুধা নিবৃত্তির জন্য দিয়ে থাকে।
ভারতে জনসংখ্যার ক্রম বৃদ্ধির কারণে নানা সময়ে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বিভিন্ন ধরণের নীতি গৃহিত হয়েছে।১১৩টি দেশের মধ্যে খাদ্য সুরক্ষার নিরিক্ষে ভারত ৭৬তম স্থানে রয়েছে।উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে যা যথেষ্ট গর্বের!”গ্লোবাল ফুড সিকিউরিটি ইন্ডেক্স-২০১৮”-র অনুসারে ভারত এই স্থান দখল করেছে।জাতিপুঞ্জের “পয়েন্টস‌্ টুওয়ার্ডস‌্ সেন্ট্রাল স্কিম”,”জাতীয় পুষ্টি প্রকল্প” (National Nutrition Mission,NNM),NFSA,”রাষ্ট্রীয় কৃষি বিকাশ যোজনা”,”জাতীয় স্বস্তিদায়ক কৃষি প্রকল্প” ইত্যাদি যুগান্তকারি পদক্ষেপগুলি গ্রহণের ফলেই নিশ্চিত ও নিরাপদ খাদ্য সুরক্ষা দেশবাসীকে দিতে পেরেছে।
মোদী দ্বিতীয় বার প্রধানমন্ত্রী হবার ১০০ দিনের মধ্যেই কেন্দ্র “এক দেশ,এক রেশন কার্ড” প্রকল্প আনে।যা নিশ্চিত ভাবেই বিজেপি তথা এন.ডি.এ.শাসিত ভারতে একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য।এই প্রকল্প চলতি বছরের জুন মাসের মধ্যেই সারা দেশে কার্যকরী হবে।এটি চালু হলে একজন উপভোক্তাকে একটি নির্দিষ্ট ন্যায্যমূলের দোকান বা একজন নির্দিষ্ট রেশন ডিলারের উপরে নির্ভর করতে হবে না।PDS ব্যবস্থার মাধ্যমে সারা দেশের বা রাজ্যের যে-কোনো রেশন দোকান থেকে উপভোক্তা ন্যায্যমূল্যে জিনিষপত্র কিনতে পারবেন।এই ব্যবস্থা বাস্তবায়িত হবে শুধুমাত্র একটি “ডিজিটাল রেশন কার্ড”-এর মাধ্যমে।

এই ব্যবস্থা পুরোপুরি চালু হলে–
প্রথমত : আন্তর্দেশীয় ক্ষেত্রে একজন প্রবাসী,রেশন দোকানে মজুত দ্রব্য,সর্ব ভারতীয় মূল্য তালিকা ইত্যাদি সম্পর্কে সঠিক তথ্য সরকার ও উপভোক্তার নিকট থাকবে।উপভোক্তা দেশের যেখানেই থাকুন-না কেন,সুবিধা মতো রেশন দোকান থেকে দ্রব্যাদি কিনতে পারবেন।বর্তমানের চালু নিয়মে রেশন সংক্রান্ত যে-সব দুর্নীতির অভিযোগগুলি পাওয়া যায়,নতুন ব্যবস্থায় সেটা সম্ভব হবে না।অবশ্য ফন্দিবাজ-দুর্নীতিবাজরাও দুর্নীতি করার পন্থা হয়ত বের করে নেবে !

দ্বিতীয়ত : রেশন দোকানিকে এর জন্য একটি বৈদ্যুতিক যন্ত্র (Electronic Point of Sale,e-PoS) দোকানে বসাতে হবে নামমাত্র খরচে।যা কেন্দ্রীয় ভাবে PDS ব্যবস্থার সাথে সংযুক্ত থাকবে।

পশ্চিমবঙ্গ-সহ কয়েকটি রাজ্য নতুন ব্যবস্থায় যুক্ত হতে রাজি হয় নি।কারণ হিসেবে জানিয়েছে রাজ্যে যথেষ্ট পরিমাণে ডিজিটাল রেশন কার্ড তৈরি হয়নি।আশঙ্কা করা হচ্ছে যে,এই সিব রাজ্যগুলিতে “কিছু একটা রয়েছে”!যদিও সব রাজ্যকেই এই ব্যবস্থায় যুক্ত হতে হবে।

পশ্চিমবঙ্গ প্রাকৃতিক কারণেই চাষের জন্য সুবিধাজনক স্থানে আছে।এখানকার চাষের জমি মূলত গঙ্গার অববাহিকাতে।ফলে মাটি খুবই উর্বর।তৎসহ রাজ্য বৃষ্টিপ্রবণ-নদীবহুল হওয়াতে চাষের জন্য প্রয়োজনীয় জল পর্যাপ্ত পরিমাণে পাওয়া যায়।পশ্চিমবঙ্গ সরকারের “কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তর”-এর তথ্য অনুযায়ী দেশের মধ্যে বৃহত্তম খাদ্যশস্য উৎপাদক রাজ্য হল পশ্চিমবঙ্গ।রবি ও খারিপ ফসল মিলিয়ে।২০১৬-১৭ সালে ১৫.৯ ও ২০১৭-১৮ সালে ১৬.৯ মিলিয়ন টন খাদ্যশস্য উৎপন্ন হয়েছে রাজ্যে।যা দক্ষিণ,পশ্চিম ও উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলির চেয়ে বেশি বলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দাবি।
এই বিপুল পরিমাণ শস্য উৎপন্ন হলেও রাজ্যে ২৯৬৮ জন জনসংখ্যা পিছু একটি করে রেশন দোকান।ফলে মাত্রাছাড়া দুর্নীতি।প্রায় তিন হাজার জনসংখ্যা পিছু একটি রেশন দোকান বরাদ্দের একাধিক কারণ রয়েছে।NFSA ব্যবস্থায় সঠিক তথ্যভান্ডার তৈরি না-করা।যারা উপযুক্ত নয়,তাদের নাম তালিকায় তোলা,প্রকৃত প্রাপকের নাম বাদ দেওয়া,নজরদারির অভাব ইত্যাদি কারণে ভর্তুকিযুক্ত খাদ্যদ্রব্য প্রকৃতপক্ষে প্রয়োজন যার,তার কাছে পৌঁছচ্ছে না।বরাদ্দের সিংহভাগ দ্রব্যরই কালোবাজারি হচ্ছে।বিশেষ করে কেরোসিন তেলের।উপভোক্তার তুলনায় ডিলার দ্রব্যাদি বেশি পাচ্ছেন।উপভোক্তা জানতেও পারছেন না,কেন্দ্র সরকার তাকে ভর্তুকিতে কেরোসিন ইত্যাদি দিচ্ছে।এই সব অসঙ্গতি-অসামঞ্জস্যের কারণই হল কেন্দ্রীয় ভাবে PDS ব্যবস্থায় সঠিক তথ্য যুক্ত না-করা।আবার অনেকে আছেন,যাদের রেশন-দ্রব্য দরকার হয় না।অথচ কার্ড রয়েছে।তারা মালপত্রও নেন না।তারা NRC-NPR বা CAA-র সময় প্রমাণপত্র হিসেবে দেখাবেন বলে কার্ড করে রেখেছেন!এ-ব্যাপারে সাম্প্রতিক সময়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন,”আমরা উপযুক্ত উপভোক্তাকে খুঁজে বের করব।এটাও দেখব কারা রেশন কার্ডকে প্রমাণত্র হিসেবে রেখেছেন।”এ-সকল নানাবিধ কারণ পশ্চিমবঙ্গ “সারাদেশে এক রেশন কার্ড” নীতি নিয়ে দোলাচলে রয়েছে।

“এক দেশ,এক রেশন কার্ড” কার্যকরী হলে দেশের লক্ষ লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিক,আন্তর্দেশীয় প্রবাসীরা উপকৃত হবেন।বিশেষত পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারের মানুষ বেশি করে লাভবান হবেন।এই দুই পিছিয়ে পড়া রাজ্য থেকেই হাজার হাজার শ্রমিক দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কাজে যান।বঙ্গের মালদা জেলার ক্ষেত্রে এই সংখ্যাটা সর্বাধিক।দেশের মধ্যে প্রথম মধ্যপ্রদেশ-তেলেঙ্গনা,মহারাষ্ট্র-গুজরাট এই ব্যবস্থা চালু করেছে।পশ্চিমবঙ্গের খাদ্য দপ্তরের তথ্য মতে রাজ্যে ২০৮০৬টি রেশন দোকানের মধ্যে মাত্র ৩৬৬টি দোকান “e-PoS” যন্ত্র বসিয়েছে।
কেন্দ্রীয় খাদ্য ও জন সরবরাহ মন্ত্রী রাম বিলাস পাশোয়ান জানিয়েছেন,উত্তরাখন্ড ৩৩% ও বিহার ১৫% রেশন দোকানে যন্ত্র বসাতে পেরেছে।উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলি একেবারেই পারেনি।ভারতে বিপুল জনসংখ্যার কারণে অনেক মানুষই এখনও পর্যন্ত ক্ষুধায় কাতর।তাদের PDS আওতাভুক্ত করতে হলে সারাদেশ এক রেশন কার্ড কার্যকরী করতেই হবে।দেশ ক্ষুধাশূন্য করার লক্ষ্য নিয়ে ২০৩০ সাল ধরে এগনো হচ্ছে।উন্নত রাজ্যগুলি নিজেরা জোড় বেধেছে দেশ ক্ষুধাশূন্য করার জন্য।ভৌগোলিক-প্রাকৃতিক-যোগাযোগ ব্যবস্থা-ভাষা ইত্যাদির সাথে সামঞ্জস্য রেখে রাজ্যগুলি একতাবদ্ধ হচ্ছে।পশ্চিমবঙ্গ এখনও ঘুমঘোরে!

পশ্চিমবঙ্গের গণিবন্টন ব্যবস্থা যে নড়বড়ে তা লকডাউনে বেশি করে প্রকাশ হয়ে পড়েছে।এরাজ্যে মৃত ব্যক্তির নামেও রেশনদ্রব্য বরাদ্দ হয়েছে।অথচ মৃত ব্যক্তির পরিবার সরকারি বিধি মেনেই রেশন কার্ড খাদ্য দপ্তরের নিকট মৃত ব্যক্তির রেশন কার্ড জমা করে দিয়েছেন।তারপরও মাসে মাসে রেশনদ্রব্য এসেছে ডিলারের কাছে।এটা হয়ত বঙ্গ বলেই সম্ভব!

কেন্দ্র সরকারের পাঠানো করোনা-ত্রাণের রেশন নিয়ে এরাজ্যের বিরোধিতা বারবারই সরব হয়েছে।এমন-কি রাজ্যপালকে মুখ খুলতে হয়েছে বিষয়টি নিয়ে।তিনি বলতে বাধ্য হয়েছেন যে,রাজ্যে যথাযথ PDS পরিকাঠামো না-থাকায় প্রকৃত দুর্গতদের কাছে রেশনদ্রব্য পৌঁছচ্ছে না।মাঝের থেকে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা সেগুলি “হাউজ্যাক”করে নিয়ে যাচ্ছেন বলেও রাজ্যপাল অভিযোগ করেছেন।নিম্নমানের ও পরিমাণে কম দেবারও অভিযোগ উঠেছে।রাজ্য-সিপিএম,বিজেপি সবাই একযোগে মমতা-চালিত পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিরুদ্ধে তুলেছেন।অনেক ডিলারও একই কথা জানিয়েছেন।

রাজ্য সরকার সব অভিযোগ ফুৎকারে উড়িয়ে বলেছে,কেন্দ্র কম পরিমাণে খাদ্যশস্য পাঠাচ্ছে বলেই সমস্যা হচ্ছে।দিন কয়েক আগে রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক জানান যে, “আমাদের মাসিক বরাদ্দ ৩ লক্ষ মেট্রিক টন।অথচ কেন্দ্র দিয়েছে ১লক্ষ ৪১ হাজার মেট্রিক টন খাদ্যশস্য।অর্ধেকেরও কম দিয়েছে।বাকিটা আমরা কোথা থেকে কীভাবে সংগ্রহ করব!কাকে দেব আর কাকে দেব না!”রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় কয়েকদিন আগে সোশ্যাল মিডিয়াতে বিষয়টিকে “PDS-স্ক্যাম” বলে উল্লেখ করেন।এর উত্তরে মুখ্য সচীব রাজ্যপালকে লিখিত ভাবে জানান যে,কেন্দ্র সরকার মালপত্র কম দিচ্ছে।
রাজ্যপাল সাংবাদিকদের জানান যে, “আমি বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাম বিলাস (Ram Bilas)পাশোয়ানের সাথে ব্যক্তিগত ভাবে কথা বলেছি।তিনি শুনে খুবই মর্মাহত হয়েছেন।তিনি বলেন রাজ্য সরকার তো কিছুই লিখিত আকারে চায় নি।কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রী মল্লিকের সাথেও কথা বলেছেন।”

রাজ্যপাল রাজ্যের রেশন অব্যবস্থা নিয়ে তিনটি কারণ উল্লেখ করেছেন :

প্রথমত :-রেশন-দ্রব্য প্রকৃত দুর্গতদের কাছে পৌঁছচ্ছে না।

দ্বিতীয়ত :- মাঝপথে রেশনদ্রব্য তৃণমূলের নেতারা “হাইজ্যাক” করে নিচ্ছেন।তারাই বিলি-বন্টন করছেন।

তৃতীয়ত :- দুর্গতরা যা-ও-বা পাচ্ছেন তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম ও নিম্নমানের।

যাইহোক।শ্রী মল্লিক জানিয়েছেন,”রাজ্য নিজেই খাদ্যশস্য সংগ্রহ করে।তাই লিখে চাইতে হয় না।রাজ্যপাল বিষয়টি অবগত নন যে,রাজ্য খাদ্যশস্য সরাসরি কৃষকের নিকট থেকে সংগ্রহ করে।কেন্দ্রের কাছ থেকে নয়।কেন্দ্র শুধু প্রতিশ্রুতটুকুই দেয়।”
তৃণমূলের মুখপাত্র স্নেহাশীষ চক্রবর্তী বলেন যে,”রাজ্যপালের অভিযোগ রাজনৈতিক দূরভিসন্ধি-প্রসূত।তিনি রাজ্যের মানুষদের বিপথে চালিত করছেন।দলের নেতাকর্মীরা ত্রাণ বিলি করছেন।এবং সেগুলি নিজেদের টাকাতেই সংগ্রহ করেছেন।রেশনদ্রব্য লুঠ করে নয়।”

খাদ্যমন্ত্রী যাই বলুন না কেন,দুর্নীতি যে চলেছে তাতে রাজ্যের সব বিরোধি দলগুলিই এক মত।তাঁদের প্রশ্ন,সবকিছু যদি স্বচ্ছ ভাবেই হচ্ছে তাহলে ৩৬ জন ডিলারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে কেন।”এক দেশ,এক রেশন কার্ড” নিয়ে অনীহা কেন।

সুজিত চক্রবর্তী

https://www.hindustantimes.com/india-news/amid-lockdown-bengal-governor-and-government-lock-horns-over-pds-scam/story-78cMR1yC9EE6okkh9pPXCO.html

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.