মাটি কাটার গান – পর্ব- ২


“কয়েকদিন মাত্র কাজ হয়েছে , এতবড় সরোবর খুঁড়ে গভীর করতে সময় লাগবে অনেক । তবে ভিজে মাটি বেরিয়ে এসেছে । ভিজে মাটি কি রত্নাকর সাগরের সুসময়ের স্মৃতি ? নাকি এর গর্ভে লুকিয়ে থাকা জলের চিহ্ন ? 
মাটি কাটছে একদল । আর একদল বাঁশ ও বেতের ঝুড়িতে করে মাটি তুলে এনে পাড়ে ফেলছে । মাটি যারা তুলছে তাদের ভিতরে যুবতী নারীও আছে । তাম্রধ্বজ শুনল মাটি কাটতে কাটতে কে যেন শুনগুন করতে লাগল । তার সঙ্গে গলা মেলাতে লাগল এক একজন । একজন একজন করে সবাই মিলিয়ে দিল গলা । গান গাইতে লাগল । অবোধ্য সঙ্গীত , ঠিক ধরতে পারে না তাম্রধ্বজ , কিন্তু তার ভিতরে সুর আছে । সেই সুর তাকে কালামুখীর গাঁয়ের কথা মনে করাল । সেই গাঁয়ে যে গান শুনেছিল সেই গানই যেন শুনছে । একই সুর প্রবাহিত হয়ে এসেছে যেন পরস্পরায় । গানের ছন্দে মাটিতে ভল্ল , খনক , কুঠার , কোদাল পড়তে লাগল । মাটি মাথায় মানুষগুলি উঠে আসতে লাগল সারি সারি গান গাইতে গাইতে উঠতে লাগল , গানের সঙ্গে শরীরের ছন্দ মেলাতে মেলাতে উঠতে লাগল । এর ভিতর থেকে আবার কে একজন যেন হাঁক মারতে লাগল নিজস্ব ভাষায় , সেই ভাষার ভিতরেও ছন্দ তৈরি হলো । ডাকের ভিতরে সুর শোনা গেল । তার সঙ্গে গলা মেলাতে লাগল কেউ কেউ । গলা মেলাতে মেলাতে একজন আলাদা হয়ে গিয়ে হাত ছড়িয়ে দিল আকাশের দিকে , তাম্রধ্বজ দেখল সে এক যুবতী । পাড়ে মাটি নামিয়ে দিয়ে নীচে নামতে নামতে গেয়ে উঠল সুরেলা গলায় , পানি নাই , মেঘ নাই , মনের মানুষ মনে নাই নাই গো ! তার গানে প্রায় সবাই গলা মিলিয়ে দিল । এইরকম ভাবে মাটি কাটা চলতে লাগল । এক গান থেকে আর এক গানে , এক সুর থেকে আর এক সুরে যেতে লাগল মানুষগুলি । তাম্রধ্বজ হাত তোলে , যাই । 
মাটিকাটা মানুষ দাঁড়িয়ে পড়ে , আবার এস প্রভু ।”
– ধ্রুবপুত্র : অমিত মিত্র


মাটিকাটার গান, সুন্দর বনের এক অন্যতম ঐতিহ্য বলতে পারেন। পূর্ব পর্বে ঐক্য সংগীত , শ্রম , নাদব্রহ্ম শক্তি ইত্যাদি আলোচনার পর এই পর্ব ও পরবর্তী একটি বা দুটি পর্বে সুন্দরবন নিয়ে কিয়দ্ আলোচনা করব। একটি লৌকিক বিষয় আলোচনার জন্য সেই অঞ্চলের ইতিহাস ,ঐতিহ্য জানা একান্ত প্রয়োজন। নচেৎ জল জঙ্গলের মাটি কাটার গানের কি গুরুত্ব থাকবে? 


‘মানুষের মনে দীপ্তি আছে

তাই রোজ নক্ষত্র ও সূর্য মধুর—

এ রকম কথা যেন

শোনা যেতো কোনো একদিন,

আজ সেই বক্তা ঢের দূর

চলে গেছে মনে হয় তবু;

আমাদের আজকের ইতিহাস হিমে

নিমজ্জিত হয়ে আছে বলে

ওরা ভাবে নীল হয়ে গিয়েছে অন্তিমে

সৃষ্টির প্রথম নাদ—শিব ও সৌন্দর্য;

তবুও মূল্য ফিরে আসেন

তুন সময়তীরে সার্বভৌম সত্যের মতন

মানুষের চেতনায় আশায় প্রয়াসে।’
সুন্দরবন নামের সঙ্গে একটি অরণ্য চিন্তা জড়িত।  একদা ছিল অরণ্য আজ তা হয়েছে জনপদ। অরণ্যকে জনপদে রূপান্তরিত করেছে মানুষ। কিন্তু সেই অরন্যের নামই আজ জনপদের নাম হয়েছে। এই জনপদে হচ্ছে আজকের সুন্দরবন । 


নামকরণের পিছনে যে সর্ব প্রচলিত যুক্তি আমরা ছোট থেকে শুনে আসছি তাহল সুন্দরী গাছের আধিক্য। এই গাছের নাম অনুসারে সুন্দরবনের নামকরণ। সুন্দরী কথাটি এখানে কথ্যভাষায় #সুঁদরী রূপে উচ্চারিত হয়েছে।


The most probable meaning of the name is the ” Forest of Sundari” ( Heritirara lottoralis), this being the characteristic tree found here.― Imperial Gazetteer of India. 

সুঁদরী← সোঁদরী←সোঁদর← সুন্দর+ঈ 
এখানকার জঙ্গলে যে সমস্ত মৌলের অর্থাৎ যারা মধু সংগ্রহ করতে যায় তারা বলে “সোঁদর বন”।ফলে সুন্দরবনের অপভ্রংশ সোঁদর একথা অনুমান করা চলে। তা ছাড়া আর একটি কারণেই এমন ধারা নামকরণ সম্ভব হতে পারে। এই অরন্যের প্রচুর গাছপালা প্রাকৃতিক কারণে খুবই সাজানো-গোছানো ছিল একসময় । অর্থাৎ যেখানে সুন্দরী গাছ সেখানে কয়েক শতক জমিয়ে সুন্দরী গাছে পরিপূর্ণ ছিল। অনুরূপভাবে গরান , গামা, গেঁওয়া, হেঁতাল, হোগলা , কেওড়া, বাণী বা বাইন গাছের জঙ্গল দেখা যায়। মনে হয় , প্রকৃতি মা যেন পরিকল্পনা করে এমন অরণ্যভূমির গাছপালা সৃষ্টি করেছেন। তাই কোনো প্রত্যক্ষদর্শীর অনুভূতি মুগ্ধ ভাবাবেগের দ্বারা এমনি নামকরণ করা অসম্ভব নয়। কেউ কেউ সমুদ্রের নিকটবর্তী বন “সমুদ্র বন” থেকে সুন্দর বন থেকে শব্দটির জন্ম হয়েছে বলে অনুমান করেন।


 কবিকঙ্কন মুকুন্দ দাসের চণ্ডীমঙ্গলে আছে – 
জাল দড়ি বান্ধিয়া রতি কৈল কেশ । 

রাঙ্গা ধূলি মাখিয় বেশ ।।

 প্রণাম করিল বীর চণ্ডীর চরণ ।

 কাননে থাকিয়া বাঘ দেখে মহাবীর।

সাড়া পায়ে তখন আইসে ধিরেধির ।। 

চিরদিন রোষে বাঘ শোকাকুল তনু ৷ 

লম্ফ দিয়া বাঘ তরে তার মহাধনু ।

 বজ মুকটি বীর মারে বাঘ মুণ্ডে । 

ঝঙ্গকেৎ রক্ত উঠে তার তূণ্ডে ।। 


প্রাচীন ভাগীরথীর যে অংশটি যে আদিগঙ্গা বলা হত , অর্থাৎ হেস্টিংস থেকে কালীঘাট , গড়িয়া হয়ে ছত্রভোগ, খাঁড়ি অতিক্রম করে সমুদ্রের মোহনা পর্যন্ত সমগ্র অঞ্চল একসময় সুন্দরবনের অন্তর্গত ছিল। দক্ষিণবঙ্গের নদীগুলির ভাঁটা দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হত। সেই কারণেই একে #ভাটির_দেশ বলা হত।
আরো একটি কথা বলে রাখি। এসকল অঞ্চল যেমন বিখ্যাত ছিল আবার একটি কারনে একসময় কুখ্যাত হয়েছিল। কারন ছিল জলদস্যুতা। সপ্তদশ শতকে কলকাতা পত্তন হলে তাকে কেন্দ্র করে পর্তুগিজ #বোম্বেটে ও মগ জাতি ব্যাপক লুন্ঠন কার্য চালাত গঙ্গার বুকে। মাঝদরিয়ায় মৃতদেহ ভেসে যেত কত শত….


সুন্দরবনের তাই আর একনাম #ভাটি_অঞ্চল। প্রাচীন কাব্য কাহিনীতে উল্লেখ আছে #ভাট_দেশের কথা। অনেক ক্ষেত্রে অষ্টাদশ ভাট দেশের উল্লেখ পাওয়া যায়।।কবিকঙ্কণের চণ্ডীমঙ্গলে উজান ভাটিতে মহাদেবের ভিক্ষার অন্বেষণ করার উল্লেখ আছে। হরিদেবের রায়মঙ্গলে ভাটি, আঠারো ভাটি অথবা অষ্টাদশ ভাট দেশ প্রভৃতি শব্দের  ব্যাপক উল্লেখ পাওয়া যায়।
এই ভাটি দেশে কাঠ , মধু , মোম প্রভৃতি হতে আয়ও কম হত না । সুন্দর বন তখন উত্তর দিকে অনেক দূর পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল , এবং ভীষণ ব্যাঘ্র প্রভৃতির উৎপাত ছিল । দক্ষিণ রায় তেমনি বলবান্ পুরুষ ছিলেন ; তিনি তীর ধনুক ও অস্ত্র সাহায্যে বহু ব্যাঘ্র ও কুমীর শিকার করতেন এবং প্রয়োজন হলে মল্লযুদ্ধেও সুন্দর বনের বাঘের মুণ্ডপাত করতে পারতেন । অতিরঞ্জিত হলে এই সকল গল্প কতদূর প্রসার লাভ করতে পারে , তা সহজেই অনুমেয় । বস্তুতঃ দক্ষিণ রায় এই বলবীর্য্যের পুরস্কারস্বরূপ সুন্দর বনের ব্যাঘ্রভীতিনিবারক দেবতারূপে পূজিত হচ্ছেন।

“ দক্ষিণ রায় আঠার ভাঁটির অধিকার পাইলেন অর্থাৎ আঠারোটি ভাঁটায় যতদূর যাওয়া যায় ততদূর অধিকার পাইলেন । ” এবং “রায়মঙ্গলে ” ও আছে “দক্ষিণ রায়ের আমল আঠার ভাঁটি” । ” দক্ষিণরায় দেবতা কবি কৃষ্ণরামকে স্বপ্ন দিয়ে বলছেন : ” “পাঁচালী প্রবন্ধে কর মঙ্গল আমার— আঠার ভাটির মধো হইবে প্রচার…”
 মনে হয় যেমন সুন্দর বনে নদীবিশেষের নাম আঠারো বাঁকী এখানে বোধয় আঠারটি বাঁক আছে। সেইরূপ আঠারটি নদীর গতিপথ দ্বারা সমস্ত সুন্দর বন বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

আঠারো ভাটির দেশে জলজ গল্পের ভাপ ওঠে । জোয়ার শেষে কাদামাটির ভেতর থেকে লালকাঁকড়ার দল মানুষের প্রাচীন স্মৃতির মতন উঁকি দেয় । লাজুক , চিরকালীন ধীর কোন আলুলায়িত নদীর দেশে বৃষ্টিমাসের সংবাদ শোনায় । এইখানে মানুষের গল্প কেবল এক ঘর ভেঙ্গে নতুন ঘর গড়ে তোলার ; শেষ নোনা-বন্যার পর অপত্য স্নেহে আবার নতুন ধানক্ষেত গড়ে তোলার ।

ভাটি অর্থে জোয়ারের জল নেমে যাওয়াকে বোঝায়। সাধারণভাবে জোয়ারের বলতে জলস্ফীতি এবং ভাটি বলতে জল কমে আসা বোঝায়। সুন্দরবন উপকূলবর্তী নিম্নভূমি। সমুদ্রের জল জোয়ারে নিমজ্জিত হতো এবং ভাটার সময় আবার জেগে উঠত এই জন্যই মনে হয় সুন্দরবন এবং সমুদ্রকূলবর্তী ভূ ভাগের প্রাচীন নাম “ভাটি” অথবা “ভাটি অঞ্চল”।
 এই প্রসঙ্গে অষ্টাদশ ভাটদেশ বা আঠারো ভাটির কথার অর্থও প্রণিধানযোগ্য। “আঠারো ভাটি” বলতে যে দেশের এক প্রান্ত হতে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত নৌকাযোগে পরিভ্রমণ করতে আঠারোটি ভাটার প্রয়োজন হয়, সেই দেশের নাম #আঠারো_ভাটি। অথবা সমুদ্র উপকূলবর্তী জোয়ারের জলে নিমজ্জিত ও ভাটার পর প্রকাশিত আঠারোটি প্রদেশের সমবায়ে সুন্দরবন গঠিত বলে হয়তো এমন নামকরণ সম্ভব হতে পারে। অথবা নদীমাতৃক বঙ্গের ভাটা দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয় এই দক্ষিণবঙ্গকে  #ভাটি_দেশ বলা হয়।


Always included under the local description of ‘ Bhatty’ with all neighbouring low lands overflowed by the tides. ― Grants analysis of the Finance of Bengal.
মএনার বাক্য জ্ঞাত সকল ত্ৰথা না করিল। 

কাষ্ট খুড়া চত্র দিগে ফ্যালায় দিল ।

 তিল সরিস তৈল্ল ঘি দিল চুলিতে ফ্যালায়। 

আপনে ডাহিনি মএন দিলে আনল নাগেয় ॥ 

বহ বহু করিয়া আনল উঠিল জলিয়া ॥ 

কোলাতে পুড়েছে রাজাক সরগে উঠে ধুমা। 

ব্রহ্মার ভেতর বসি থাকিল যেমন কাঞ্চ সোনা ।

কোলাতে পুড়িয়া রাজাক কোলাতে কৈল্প ছাই ।

ব্ৰহ্মার ভেতর বসি থাকল মএন লোহার কলাই ॥

কোলাএ পুড়িয়া মএন আঙ্গার দিল ভাটি।

 ব্ৰহ্মাএ বসিয়া থাকল জ্যান লোহার খাটি ॥ 

দুখান একান করি খড়ি দিল চিতার উপর । 

সাত দিন জলে আনল শিরের উপর ॥ 

 গোপীচন্দ্রের গানের টীকায় ভাটি অর্থে নিম্নভূমি “দক্ষিণ দেশ ” বোঝানো হয়েছে। এই ভাটি অঞ্চলের পূর্ব সীমায় মেঘনা নদ এবং পশ্চিম ও দক্ষিণ-পূর্ব সীমায় #খাড়ি। আজকাল বাখড়্গঞ্জ ও খুলনা জেলার দক্ষিণ অংশকে ভাটি অঞ্চল বলা হয়ে থাকে।


 পঞ্চদশ শতকের তিব্বতী ঐতিহাসিক তারানাথ গঙ্গার মোহনার দ্বীপময় অঞ্চলকে #বাটি বলে উল্লেখ করেছিলেন। আবুল ফজলের রচনায় ভাটি বা বাটির উল্লেখ আছে, যাকে সুবেবাংলার পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত দেশ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এই ভাটি অঞ্চলই হিউয়েন- সাং বর্ণিত #সমতট।
 ভাটি শব্দটি নানা অর্থে ব্যবহৃত হয় । ভাটি অথবা ভাটিখানা অর্থে মদের দোকান বা স্থানকে বোঝায়। আবার ভাটি বলতে জোয়ারের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে ধরা হয়ে থাকে   ইট পোড়ানোর চুল্লি অথবা ধোপার কাপড় সিদ্ধ করার পাত্রকেও ভাটি বলে। #ভাটিয়ালী সংগীতের একটি রাগিণীর উল্লেখ পাওয়া যায়,  এর উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হচ্ছে ভাটার স্রোতে নৌকা চললে এই রাগিনীতে গান গাওয়া হয়।


 তরী ভাট্যায় পথ আর উজান না

মন মাঝি তোর বৈঠা নে’রে
আমি আর বাইতে পারলাম না।

ভাটার স্রোতে নৌকা ভাসানো ও বাওয়া বড় কষ্টকর।
 ভাটি শব্দটি দক্ষিণদেশ অর্থেও ব্যবহৃত হয়ে থাকে। মানিকচন্দ্র রাজার গানেও আছে – 
ভাটি হইতে আইলো বাঙ্গাল…. 
 বঙ্গের বহুগ্রামের নামের সঙ্গে সংযুক্ত হয়েছে “ভাটি” শব্দটি। যেমন – রাজভাটি, গ্রামভাটি, দেভাটা ইত্যাদি। ভেট অর্থে শুল্ক বা নজরানাকে বোঝায়।  ভাটি শব্দটি সংস্কৃত #ভ্রষ্ট শব্দ হতে এসেছে। হিন্দিতে শব্দটি ভট্টী রূপে পরিচিত। 

 উপরিউক্ত আলোচনা হতে ভাটি অর্থে #নিম্নভূমি গ্রহণ করায় অধিক যুক্তিযুক্ত।

ভাটি অঞ্চল ব্যতীত সুন্দরবনকে আবাদ অথবা বাদা অঞ্চল বলা হয়ে থাকে। বাদা শব্দের আভিধানিক অর্থ হচ্ছে জলযুক্ত জঙ্গলময় নোনা দেশ।
রুদ্রদেবের রায়মঙ্গল কাব্যে বলছে  – 
বাদায় চিত আইল হরি জে হাঁড়ি ভাঙা…
 অসমীয়া ভাষায় শব্দটি বাদিষ নামে পরিচিত এবং বাদিষ শব্দের অর্থ হচ্ছে বন। অন্যদিকে জঙ্গল পরিষ্কার করে চাষযোগ্য ও বাসযোগ্য করে তোলাকে আবাদ বলে। একাধারে বনভূমিকে ও পরিষ্কার করা বনভূমিকে বাদা বা আবাদ বলে। অভিহিত করা হয়েছে।


ক্রমশঃ
©দুর্গেশনন্দিনী
তথ্যঃ সুন্দরবনের লোকসংস্কৃতি

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.