১৫ কর্পস জিওসি লেফটেন্যান্ট জেনারেল কেজেএস ধিলন জানিয়েছেন , “আমরা জয়েশ-ই-মহম্মদ (জেইএম) নেতৃত্ব স্থানীয় দেরকে লক্ষ্য বস্তু হিসাবে স্থির করেছি, তাই এখন পরিস্থিতি এমন যে উপত্যকায় জেইএম কে নেতৃত্ব দিতে কেউ এগিয়ে আসছে না। এমনকি বিশেষত পুলওয়ামার ঘটনার পরে পাকিস্তানের যথাসাধ্য প্রচেষ্টার পরও আমরা জেইএম কে দমন করতে থাকব ।”

সাম্প্রতিক সন্ত্রাস বিরোধী পদক্ষেপের কারণে সন্ত্রাসী হামলায় স্থানীয় কাশ্মিরি জনগণের নিয়োগেও মাত্রা কমার বিষয়টিকে একটি ভালো দিক হিসাবে ভারতীয় সেনাবাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে ।

জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের মহানির্দেশক দিলবাগ সিং রাজ্য পুলিশ ও সেনার এক যৌথ সংবাদিক সম্মেলনে বলেন, “স্থানীয় যুবকদের নিয়োগ কমতে শুরু করেছে, এটি একটি ভালো দিক। ২০১৮ সালে রাজ্যে ২৭২ জন সন্ত্রাসীকে নির্মূল করা হয়েছিল এবং বিপুল সংখ্যক লোককে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। “

সংখ্যার ভিত্তিতে আরও বিস্তারিত ভাবে জানালেন ১৫ কর্পস জিওসি কেজেএস ধিলন। তিনি বলেন, ” এই বছর মোট ৬৯ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে এবং ১২ জনকে আটক করা হয়েছে। পুলওয়ামার পরবর্তী সময়ে ৪১ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন এবং এদের মধ্যে ২৫ জন জয়েশ-ই-মহম্মদ (জেইএম) এর অন্তর্গত যাদের ১৩ জন পাকিস্তানী। “

ধিলন আরও বলেন, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে হামলা সম্পূর্ণ জোরকদমে চলতে থাকবে এবং আমরা সন্ত্রাসবাদের উত্থান আটকাতে সবরকম পদক্ষেপ নিতে থাকব।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.