সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদ-সংস্কৃতি উৎকর্ষ

  • ভারতের প্রস্তাবে ২১শে জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালন করা স্থির হয়।
  • পৃথিবীর ৯০টিরও বেশি দেশে যোগকে পাঠক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
  • কুম্ভ মেলাকে ইউনেস্কো কর্তৃক সাংস্কৃতি ঐতিহ্যের মান্যতা (Intangible Cultural Heritage ofHumanity) প্রদান।
  • হৃদয় এবং প্রসাদ যোজনা ও হৃদয়-হেরিটেজ বা ঐতিহ্যশালী শহরগুলির উন্নয়ন ও শ্রীবৃদ্ধির প্রয়াস-১২টি শহর, ৭০টি প্রকল্প, ৪১৩ কোটি টাকা।
  • – অমরাবতী, আজমের, বাদামী, দ্বারকা, গয়া, কাঞ্চীপুরম, মথুরা, পুরী, বারাণসী, বেলঙ্কনী এবং ওয়ারাঙ্গল। প্রসাদ (PRASHAD-Pilgrimage Rejuvanation and Spiritual Heritage Augmentation Drive and Swadesh Darshan) – ৪১টি ধর্মীয় স্থানে ৭২৭ কোটি টাকা দিয়ে উন্নয়নের কাজ করা। – অমরাবতী ও শ্রীশৈলম্ (অন্ধ্রপ্রদেশ), কামাখ্যা (অসম), পরশুরাম কুণ্ড (অরুণাচল),
  • পাটনা ও গয়া (বিহার), বালমেশ্বরী মন্দির (রাজনন্দগাঁও, ছত্তিশগড়), দ্বারকা ও সোমনাথ (গুজরাট), গুরুদ্বারা নাড়া সাহেব, পাঁচকুলা (হরিয়ানা), মা চিন্তপূর্ণী (উনা, হিমাচল), হজরতবল ও কাটরা (জম্মু ও কাশ্মীর), দেওঘর ও পরেশনাথ (ঝাড়খণ্ড), চামুণ্ডেশ্বরী দেবী, মহীশূর (কর্ণাটক), গুরুবায়ুর, সেন্ট থমাস আন্তর্জাতিক তীর্থ, মলায়তুর, চেরামন জুমা মসজিদ (ত্রিচুর, কেরল), ওঙ্কারেশ্বর ও অমরকণ্টক (মধ্যপ্রদেশ), বাবেদপাড়া, পশ্চিম জয়ন্তিয়া হিলস্ এবং চেরাপুঞ্জি (মেঘালয়), আইজল (মিজোরাম), কোহিমা ও মোকোকচুংগ জেলা (নাগাল্যান্ড), ত্র্যম্বকেশ্বর (মহারাষ্ট্র), পুরী (ওড়িশা), অমৃতসর (পাঞ্জাব), আজমের (রাজস্থান), কাঞ্চিপুরম ও বোনকানী (তামিলনাড়ু), ত্রিপুরা সুন্দরী (ত্রিপুরা), বারাণসী ও মথুরা (উত্তরপ্রদেশ), বদ্রীনাথ, কেদারনাথ, গঙ্গোত্রী, যমুনোত্রী(উত্তরাখণ্ড), বেলুড়(পশ্চিমবঙ্গ)।
  • চুরি হওয়া প্রাচীন ভাস্কর্যের পুনরুদ্ধার।
  • বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাচ্য ভারতীয় জ্ঞান পরম্পরা এবং আধুনিক বিষয়গুলির মধ্যে সমন্বয়পূর্ণ গবেষণার জন্য ভারত অধ্যয়ন কেন্দ্রের স্থাপনা।
  • কাশীর পুনরুজ্জীবন।
  • অযোধ্যায় রাম সংগ্রহালয়ের নির্মাণের জন্য সংস্কৃতিমন্ত্রকের প্রচেষ্টা।
  • অযোধ্যায় জাঁকজমকপূর্ণ দীপাবলীর আয়োজন।
  • অযোধ্যায় পুরনো গৌরবের উত্থান ও দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতির স্ত্রীর সামনে বিরাট দীপাবলী মহোৎসবের আয়োজন।
  • মর্যাদা পুরুষোত্তম শ্রীরামের আদর্শে দেশকে অনুপ্রাণিত করতে সরযূর তীরে শ্রীরামের ২২১ মিটার উঁচু প্রতিমা তৈরির সিদ্ধান্ত।
  • যুব প্রজন্মকে শ্রীরামের সম্পর্কে জানার জন্য বিজেপি সরকার অযোধ্যায় ২৫ একর বিস্তৃত জমিতে শ্রীরাম সংগ্রহালয় তৈরি করছে। দিব্য কুম্ভ, আড়ম্বরপূর্ণ কুম্ভ ও কুম্ভের জন্য এখন পর্যন্ত সবথেকে বেশি অর্থ বণ্টন করা হয়েছে। ২০১৩ সালের ১৩০০ কোটি টাকার তুলনায় ২০১৯ সালে ৪২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। কুম্ভের জন্য ৮০০টি স্পেশাল ট্রেন চালানো হয়েছে।
  • লুপ্ত হিন্দু সংস্কৃতির পরিচয় দিতে উত্তরপ্রদেশের এলাহাবাদের প্রকৃত নাম প্রয়াগরাজ এবং ফৈজাবাদকে বদলে অযোধ্যা করে তাদের হারিয়ে যাওয়া পরিচয় দেওয়া হয়।
  • শত্রু সম্পত্তি বিল আনা হল।
  • পাকিস্তান, বাংলাদেশের হিন্দু ও শিখ শরণার্থীদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়ার কাজ।
  • লঙ্গর, প্রসাদ প্রভৃতিকে GST-এর আওতার বাইরে রাখা হল।
  • অবিরল গঙ্গা, নির্মল গঙ্গাঃ সুপ্রিম কোর্টের শপথপত্র দিয়ে মহামান্য ও ব্রিটিশ সরকারের মধ্যে অবিরল গঙ্গা ও নির্মল গঙ্গা করবার উদ্দেশ্যে ১৯১২ সালে ঘটা সমঝোতাকে নতুন করে অনুমোদন করা হয়েছে।
  • ২৭,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দের মাধ্যমে ‘নমামি গঙ্গে’ যোজনার অন্তর্গত অবিরল গঙ্গা ও নির্মল গঙ্গার কাজ চলছে।

এক ভারত-শ্রেষ্ঠ ভারত

  • রাষ্ট্রীয় একতা দিবস ঃ ৩১শে অক্টোবর ২০১৫ সর্দার বল্লভভাই পটেলের জন্মজয়ন্তীতে রাষ্ট্রীয় একতা দিবস।
  • প্রতি বছর দুটি রাজ্যের সমঝোতা ঃ নিজেদের ভাষা, ইতিহাস, সংস্কৃতি, কলা, খেলা, জ্ঞান-বিজ্ঞানের আদানপ্রদান।
  • ভারতীয় ভাষাকে উৎসাহ প্রদানঃ বিশ্ব সংস্কৃত সম্মেলন, বিশ্ব হিন্দি সম্মেলন।
  • বিদেশ সফরে প্রধানমন্ত্রী বেশিরভাগ সময়ে মাতৃভাষাতেই সম্বোধন করেন।
  • স্বদেশী দর্শন যোজন-বিশেষ পর্যটন সার্কিট : রাম পরিপথ, কৃষ্ণ পরিপথ, বুদ্ধ পরিপথ – ইত্যাদির দ্বারা তীর্যযাত্রায় উৎসাহ প্রদান।
  • মোট ৭৫টি প্রকল্প, বরাদ্দ ৬,১০০ কোটি টাকা।
  • তীর্থযাত্রীদের ভ্রমণের জন্য বিশেষ ট্রেন চালানো।
  • শ্রীরাম ভক্তের তীর্থযাত্রা সরল করার জন্য রামায়ণ এক্সপ্রেসের সূচনা, যেটা ১৬ দিনে ভগবান রামের সঙ্গে জড়িত সমস্ত স্থানগুলি ঘুরে দেখাবে।
  • মাতা বৈষ্ণোদেবীর ভক্তদেরকে রেলওয়ের উপহার : গাজীপুর থেকে জম্মু সরাসরি ট্রেনে।
  • চারধামে যাত্রার সহজ করার জন্য ও চারধাম মহামার্গ বিকাশ পরিযোজনার মাধ্যমে চারধামকে জোড়ার জন্য ১১,৭০০ কোটি টাকা অনুমোদিত হয়েছে।
  • মা সীতার জন্মস্থান নেপালের জনকপুর থেকে শ্রীরামের জন্মস্থান অযোধ্যা পর্যন্ত সরাসরি বাস পরিষেবা চালু করা হয়েছে।

বিদেশ নীতি

সভ্যতা-কেন্দ্রিক বিদেশনীতি

  • বিদেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় শ্রীমদ্ভগবত গীতা উপহার দেওয়ার রীতি চালু করা।
  • বিদেশী রাষ্ট্রপ্রধানদের নিয়ে গঙ্গা আরতি ও মন্দির দর্শনের পরম্পরা তৈরি করা।
  • পশুপতিনাথ মন্দিরে পূজাপাঠের জন্য ৫০০ কুইন্টাল চন্দনের ব্যবস্থা করা।
  • সড়কপথে কৈলাস মানস সরোবর যাওয়ার জন্য চীনের সঙ্গে চুক্তি।
  • আমীর শাহী ও আমেরিকায় মন্দির তৈরির শিলান্যাস : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজীর অনুরোধে আমীর শাহী সরকার সে দেশে প্রথমবার মন্দির নির্মাণের অনুমতি দেয়।
  • সংস্কৃতি ও সভ্যতাঃ বুদ্ধিস্ট ডিপ্লোমেসি, বসুধৈব কুটুম্বকম্, বিশ্বগুরু হওয়ার লক্ষ্য।
  • কৈলাস মানস সরোবর যাওয়ার তীর্থযাত্রীদের জন্য নাথু-লা’র রাস্তা খোলা হয়। প্রধানমন্ত্রীর ২০১৫ সালে চীনের সফরে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
  • নমামি গঙ্গে অভিযানের অন্তর্গত গঙ্গা শুদ্ধিকরণের জন্য জাপান, ইজরায়েল, অস্ট্রেলিয়া এবং ইউরোপীয় দেশের সঙ্গে চুক্তি হয়।
  • করতারপুর করিডোর ও গুরুদাসপুর জেলার ডেরা বাবা নানক থেকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত পর্যন্ত করতারপুর করিডোরের নির্মাণ এবং তার উন্নতির অনুমোদন।

গো-সেবা

  • রাষ্ট্রীয় গোকুল মিশনঃ দেশি প্রজাতির গোরুর সংরক্ষণ ও সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য রাজ্যগুলিতে ৫৪৬.১৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
  • দুটি নতুন রাষ্ট্রীয় কামধেনু প্রজনন কেন্দ্র, ২০টি গোকুল গ্রাম, রাষ্ট্রীয় জিনোমিক কেন্দ্র এবং একটি নতুন অত্যাধুনিক হিমকৃত বীর্য কেন্দ্র।
  • দেশি গোরুর ওপর ভালো কাজ করার জন্য গোকুল রত্ন ও কামধেনু পুরস্কার চালু করা হয়েছে। দেশি গবাদি প্রজাতির প্রজনন এবং কৃষকদের যোগানের জন্য ই-পশুধনহাট তৈরিকরা হয়েছে।
  • গোরু চুরির উপর কড়া নজর ঃবাংলাদেশের সীমান্তে কড়া নজরদারীর ফলে গোরু চুরি ৭৫%কমেছে।
  • ২০১৯-এর বাজেটে রাষ্ট্রীয় কামধেনু কমিশন গঠন : দেশে গো প্রজাতির সুরক্ষা, সংরক্ষণ এবং সংখ্যাবৃদ্ধির উপর জোর দেওয়া হবে যার মধ্যে দেশী প্রজাতির গোরুর সংরক্ষণও অন্তর্ভুক্ত।

অভিন্ন নাগরিক আইনের পথে

  • সরকারের প্রচেষ্টায় তিন তালাকের মত কুপ্রথা বন্ধ করা গেছে।
  • সরকার লোকসভায় মুসলিম মহিলা বৈবাহিক অধিকার সুরক্ষা বিল পাশ করিয়েছে, যেটি এখন রাজ্যসভায় আটকে আছে।
  • হজে যাওয়ার ভরতুকি পুরোপুরি বন্ধ হয়েছে।
  • আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়কে সংখ্যালঘু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা থেকে সরিয়ে তাকে রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় অন্তর্ভুক্তি করার জন্য কেন্দ্রের তরফ থেকে সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দেওয়া হয়।
  • বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সুরক্ষা ব্যবস্থার সুবিধা তুলে নেওয়া হয়েছে।

জম্মু-কাশ্মীর

  • জম্মু-লাদাখের প্রতি অবহেলা দূর করার সার্থক প্রচেষ্টা করা হয়েছে : জম্মুতে এইমস, আইআইএম, ৫টি মেডিক্যাল কলেজ, জম্মুকে স্মার্ট সিটি ঘোষণা করা।
  • পাক অধিকৃত কাশ্মীর ও পাকিস্তান থেকে আসা শরণার্থীদের জন্য আর্থিক সহায়তা এবং সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের জন্য বাংকার নির্মাণ শুরু করা হয়েছে।
  • বহু পরিকাঠামোগত প্রকল্প শুরু হয়েছে এবং দ্রুত কার্যকরী হচ্ছে, সাফল্যের সঙ্গে পঞ্চায়েত নির্বাচন করা হয়েছে।

মহাপুরুষদের সম্মান

  • পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় জন্মশতাব্দীসমারোহের সঙ্গে পালন করা হয়।
  • মুঘলসরাই জংশনের নাম পরিবর্তন করে দীনদয়াল উপাধ্যায় জংশন রাখা হয়েছে। দীনদয়াল উপাধ্যায়ের জন্মস্থান মথুরাতে ফরহ স্টেশনের নাম বদলে দীনদয়াল ধাম রাখা হয়।
  • ভারতরত্ন সম্মান পণ্ডিত মদনমোহন মালব্য, নানাজী দেশমুখ, অটলবিহারী বাজপেয়ী।
  • ডঃ বি. আর. আম্বেদকরের ১২৫তম জয়ন্তীতে সংসদে বিশেষ অধিবেশন; পঞ্চতীর্থের বিকাশ।
  • আরব সাগরে ছত্রপতি শিবাজী মহারাজের স্মারক নির্মাণ।
  • সর্দার বল্লভভাই পটেলের স্ট্যাচু অফ ইউনিটি নির্মাণ।
  • ঔরঙ্গজেব রোডের নাম বদলে এপিজে আব্দুল কালাম মার্গ রাখা হয়।
  • উপজাতির স্বাধীনতা সংগ্রামীদের জন্য রাষ্ট্রীয় স্মারক নির্মাণ।
  • NCERT পাঠক্রম থেকে কংগ্রেসের যে সব হিন্দু সংস্কৃতির বাহক মনীষীদের সরিয়ে দিয়েছিল তাদের পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করা। এঁদের মধ্যে স্বামী বিবেকানন্দ, শ্রী অরবিন্দ, মহারাণা প্রতাপ, বাজীরাও বল্লাল, সুরজমল এবং ছত্রপতি শিবাজী প্রমুখ।
  • দিল্লিতে বন্দা বীর বৈরাগীর মূর্তির উন্মোচন।
  • গুরু নানকের ৫৫০ তম জয়ন্তীর আয়োজন।
  • সদ্‌গুরু রাম সিংহ কুকার ২০০ তম জয়ন্তীর আয়োজন।
  • দিল্লিতে জাতীয় যুদ্ধ স্মারক নির্মাণ।

রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা

  • গত পাঁচ বছরে সন্ত্রাসবাদীদের ওপর কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া।
  • চল্লিশ বছরের পুরনো প্রতিশ্রুতি এক পদ এক পেনশন পূরণ করা হয়।
  • ডোকলাম বিবাদঃ চীনকে পিছনে হটতে হয়।
  • সীমান্ত পার হয়ে সার্জিকাল স্ট্রাইক (PoK এবং মায়ানমার) ঃ এই ধরনের অপারেশন করা দেশ হিসাবে আমেরিকা ও ইজরায়েলের পরে ভারত তিন নম্বর দেশ।
  • ২৬শে ফেব্রুয়ারি বায়ুসেনা যুদ্ধবিমানের মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদীদের ঘাঁটিগুলি ধ্বংস করে।
  • সন্ত্রাসবাদ নিয়ে গোটা দুনিয়ায় এক রায় নিতে সফল।
  • নকশালবাদ ও নকশালিদের ওপর ফাঁস আরও শক্ত, এখন পর্যন্ত সবথেকে বড় পদক্ষেপ।
  • পূর্বোত্তর ঃ পূর্বোত্তর ভারতে শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং উন্নয়নের পথে অগ্রসর হওয়া।

অভ্যন্তরীণ সুরক্ষা

  • দেশের ৪৫টি নকশাল প্রভাবিত জেলায় ৪,৫০০ কিমি লম্বা সড়ক নির্মাণ।
  • বামপন্থী সন্ত্রাসবাদ প্রভাবিত ১২৬টি জেলার তালিকা থেকে ৪৪টি জেলাকে সরিয়ে নেওয়া।
  • নকশাল প্রভাবিত জায়গায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো করতে ২,৪০০টি মোবাইল টাওয়ার তৈরি ও ৪,০৭২টি নতুন টাওয়ার তৈরির অনুমোদন দেওয়া।
  • এপ্রিল ২০১৫ থেকে ডিসেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত নকশাল প্রভাবিত ৩৫টি জেলায় ৪৩০টি ব্যাঙ্ক শাখা এবং ১,০৪৫টি এটিএম খোলা হয়েছে।
  • ২০১৪ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ৩,৩৮০ জন নকশালবাদী আত্মসমর্পণ করেছে।

NGO-গুলির বিদেশি সাহায্যের ওপর বজ্র আঁটুনি

  • গত চার বছরে দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর ক্ষতিকর গতিবিধি, যেমন উন্নয়নের কাজে বাধা, রাজনৈতিক আন্দোলনে প্রেরণা যোগানো, ধর্মান্তরণের মতো গতিবিধিতে অংশ নেওয়া NGO-এর বিদেশি ফান্ডিং-এর ওপর ফাঁস আরও শক্ত হচ্ছে।
  • FCRA-এর লাইসেন্স পাওয়া NGO-এর সংখ্যা ৪০% কমেছে। ২০১৪-১৫ সাল থেকে ১৩ হাজার NGO-এর পঞ্জীকরণ নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হয়েছে।
  • NGO-এর দ্বারা প্রাপ্ত বিদেশি ফান্ডিং-এ ২০১৫-১৬তে ১৭,৭৯৯ কোটি টাকা থেকে কমে ২০১৬-২০১৭তে ১৫,৩২৯ কোটি টাকা হয়েছে।
  • গৃহ মন্ত্রালয় NGO গুলির বিদেশি ফান্ডিং-এর ওপর নজর রাখার জন্য অনলাইন অ্যানালিটিকাল টুল তৈরি করেছে।
  • রাজ্য পুলিশ ও কেন্দ্রীয় এজেন্সির মাধ্যমে NGO-গুলির দেশবিরোধী গতিবিধির ওপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে।
  • ভারত সরকারের প্রচেষ্টায় ২০১৭ সালে দেশের সর্বোচ্চ আদালত NGO-গুলিকে অডিট এবং বিভিন্ন নিয়ামক মেনে চলার আদেশ দেয়।

রামমন্দির

  • শ্রীরাম জন্মভূমি ন্যাসকে ৪২ একর ভূমি ফেরত দেওয়া তথা যথাস্থিতিতে ফেরত নেওয়া সর্বোচ্চ ন্যায়ালয়ের কাছে আগ্রহ এবং এই সংক্রান্ত মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির আবেদন

অন্যান্য সাফল্য

  • বাংলাদেশের সাথে ভূমি সমঝোতা
  • সংলগ্ন এলাকার উন্নয়ন
  • ঢাকেশ্বরী মন্দিরে পূজা
  • কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের উন্নয়ন
  • পশুপতিনাথ মন্দিরে ২ বার পূজা
  • মা জানকী সীতা মন্দিরে সীতা পূজা।
  • প্রয়াগ কুম্ভের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এবং চার কুম্ভের আয়োজন
  • আরব দেশগুলিতে মন্দিরের শিলান্যাস
  • উত্তরাখণ্ড ও হিমাচলে সংস্কৃত ভাষাকে দ্বিতীয় রাজ্য ভাষার স্বীকৃতি
  • কুরুক্ষেত্রে গীতা মহোৎসব
  • উত্তরাখণ্ডের চারধামের জন্য সর্ব আবহাওয়া রোড তৈরি
  • গো-শালাগুলিতে সহায়তা
  • অমরনাথ যাত্রার জন্য সমুচিত ব্যবস্থা সুচারু রূপে সম্পন্ন করার পদ্ধতি গ্রহণ
  • শ্মশানগুলিতে চার দেওয়াল (চতুর্দিকে দেওয়াল)
  • বিভিন্ন প্রান্তে তীর্থ দর্শন যোজনা
  • তীর্থস্থানের বিকাশ ও উন্নয়ন
  • মধ্যপ্রদেশে হিন্দি বিশ্ব বিদ্যালয়
  • আয়ুর্বেদকে আন্তর্জাতিক স্তরে উৎসাহিত করার প্রয়াস
  • UNO তে হিন্দি-ভাষ্য
  • সাঁচীতে বৌদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয়
  • নর্মদা তটের বিকাশ ও উন্নয়ন
  • উড়ালপুল ৮৪ পরিক্রমা বিকাশ
  • উজ্জয়নীতে কুম্ভের সফল আয়োজন
  • শ্রীনগরে সন্ত্রাসবাদীদের গড়ে NIA তল্লাশী
  • গো-অভয়ারণ্যের স্থাপন
  • অবৈধ কসাইখানা বন্ধের উদ্যোগ
  • কেদারনাথ ধামের বিকাশ
  • কুরুক্ষেত্রে গীতা-মহোৎসব

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.