20 ট্রিলিয়ন অর্থনীতি উদ্দীপক বিনিয়োগ : নির্মলা সীতারামনজির অর্থনীতি, দর্শন, গণিত ও বিরোধী রাজনীতি – কৌটিল্যের অর্থ / অন-অর্থ

দিওয়ার ছবিতে বিজয় ভার্মা (অমিতাভ বচ্চন) তাঁর ভাই রবি ভার্মাকে (শশী কাপুর) একটি সংলাপ বলেন,যা ইতিহাস হয়ে যায় l সংলাপটির বঙ্গানুবাদ হল, তুমি  সেই লোকের সাক্ষর নিয়ে এসো যে আমার বাবাকে চোর বলেছিলো, সেই লোকের সাক্ষর নিয়ে এসো যে আমার হাতে লিখেছিলো ইত্যাদি ইত্যাদি  l সে জানত তাঁর ভাই কোনদিন সেই সাক্ষর আনতে পারবে না l বাম অর্থনীতিবিদরাও তেমনি মোদীজিকে করোনা সমস্যার সমাধানে বিভিন্ন শর্ত বা আদেশ দিয়ে গেছেন, যা আপাতদৃষ্টিতে পালন করা হয় অসম্ভব কিংবা সরকারের মূলনীতির বিরোধী  l কিন্তু এক্ষেত্রে সরকার সবকটাই করে ফেলেছে l আর গত তিনদিনের নির্মলাজির ঘোষণার পর, সব অস্ত্র হারিয়ে, যেভাবে তাঁরা ও তাদের অনুগামী রাজনৈতিক দলগুলি একের পর এক অন্ত:স্বারশূন্য সমালোচনার ঝড় তুলেছে, তা  তাদের হতাশার বহিঃপ্রকাশ মাত্র l 

এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, বাম অর্থনীতিবিদদের জনসংযোগ ও বিপণন পদ্ধতি অনেকটা বহুজাতিক নেটওয়ার্ক মার্কেটিং কোম্পানির মতো l এঁরা এবং এঁদের অনুসরণকারী রাজনৈতিক দল, গনসংগঠন, সংবাদমাধ্যম ও সমর্থকরাও একই সঙ্গে একই বক্তব্য ম্যাসাচুসেটস, হার্ভার্ড থেকে JNU, ISI, JU সর্বত্র একই বক্তব্য রাখেন l ফেব্রুয়ারীতে MIT র ডঃ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দোপাধ্যায়, JNU এর ডঃ জয়তী ঘোষ (Dr. Jayati Ghosh) , ISI কলকাতার ডঃ অভিরূপ সরকার থেকে কলকাতা পুরসভার একজন কাউন্সিলর একসুরে টাকা ছাপিয়ে জনগণকে বিতরণের জন্য জনমত তৈরি করতে থাকেন l দেশে লোকডাউন শুরু হতেই এই চাপ বাড়তে থাকে l 

এই প্রসঙ্গে বলি, নরেন্দ্র মোদীজি ও বিজেপির মানবসম্পদ চয়নের একটা বিকল্প মাপকাঠি আছে  l তাত্বিক ডক্টরেটপ্রাপ্ত  অধ্যাপকদের চেয়ে মোদীজি ব্যবহারিক কাজের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন স্নাতকোত্তর মানুষদের অগ্রাধিকার দেনl এঁদের অভিজ্ঞতা সম্বলকরেই, তার সরকার গঠন হতেই জনধন একাউন্ট খুলে তা আধার নম্বরের সঙ্গে জুড়ে দেন l এরপর বিভিন্ন বীমা,উজালা ইত্যাদি সামাজিক প্রকল্পের থেকে উনি প্রকৃত গরিবদের সঠিক তথ্য ও সংখ্যা সরকারের খাতায় তুলে নেন l মার্চে লোকডাউন হতেই নির্মলাজী, সরাসরি ওই খাতায় 80 কোটি মানুষকে খাদ্য ও গ্যাসের টাকা পাঠাতে থাকেন, যা তাঁর বিরোধীদের কাছে একটা গুগলি l কিন্তু এই টাকা পাঠাতে উনি একটা টাকাও ছাপাননি  l পরের দিন RBI গভর্নর ব্যাংকের সুদ ও বিভিন্ন মোরাটোরিয়াম বিষয়ক কিছু পরিবর্তন এনে 1.7 ট্রিলিয়ন টাকার সংস্থান করে দেন l এর ফলে টাকা চলে গেল গরিবের ঘরে, কিন্তু টাকার দাম কমলো না l বিরোধীদের অবস্থা দেখে মনে হচ্ছিলো ইন্সপেক্টর রবি যদি ওই মিল মালিকের সই এনে তার তার দাদা  বিজয়ের সামনে তুলে ধরেছে l 

এবার অভিজিৎবাবুরা অনেক ভেবে  আরও দুটি আকাশবাণী শোনালেন, যা প্রধানমন্ত্রীকে সত্যিই বিপদে ফেলতে পারতো l প্রথমটি পরিযায়ী শ্রমিক l দ্বিতীয়টি হল কোভিৎ উত্তর অর্থনীতির ব্যাপারে নেতিবাচক ভবিষ্যৎবাণী l কেউ বললেন, দেশের দেড় কোটি লোক কাজ হারাবে, কেউ বললেন চার, কেউ পোনে ষোলো কোটি,  কেউ বললেন 35% ইত্যাদি l তাঁর সঙ্গে লোকডাউন খোলার বায়না জুড়ে দিলেন l যাকে বলে, শাঁখের করাত l লোকডাউন হলে না খেয়ে মরো, নাইলে করোনায় মরো l কিন্তু তৃতীয় দফার শুরুতেই এরা আত্মঘাতী গোল খেয়ে গেলেন, যখন দেখা গেল পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অপ্রস্তুতির জন্য পরিযায়ী শ্রমিকের মতো এতবড়ো একটা অস্ত্র হাতছাড়া হয়ে গেল l যেখানে বাকি রাজ্যে সুষ্ঠু ভাবে তাঁদের শ্রমিকদের ফিরিয়ে আনল,পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal) সরকার তাঁদের শ্রমিকরা কোথায় আছে, তার তালিকাই রেলকে দিতে পারলো না l 

বাকি থাকলো, অর্থনীতি ভেঙে পড়ার ও বেকারত্বে দেশ ভোরে যাওয়ার ভবিষ্যৎবাণী l যেমন বিজয়  জানতেন তার ভাই ইন্সপেক্টর রবি অন্ততঃ সেই লোককে খুঁজে বের করতে পারবেন না যিনি হাতে লিখেছেন, মেরা বাপ্ চোর হ্যায়,  তেমনি অভিজিৎবাবুরাও জানতেন এই সংকট থেকে বেরিয়ে আসার কোন গণিত ভারনগর স্টেশনের চাওয়ালার পক্ষে অসম্ভব l আর এখানেই সেই সত্যিকারের ব্যবহারিক কাজে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন তাঁর বিভিন্ন উপদেষ্টা ও সহকর্মী তথা নির্মলাজি, শক্তিকান্ত দাস মহাশয়, সঞ্জীব সান্যাল মহাশয় ও সর্বোপরি স্বামীনাথন গুরুমূর্তিজির কঠোর পরিশ্রম ও ব্যবহারিক অভিজ্ঞতার কাছে আবার হার মানতে হল বিরোধীদের l কিভাবে? বিস্তারে আসি l 

সরকার বিভিন্ন জীবিকার উৎসকে আলাদা ভাবে চিহ্নিত করে, তাদের মূলধন, উৎপাদনের বিভিন্ন উপাদান, শ্রমিকদের সমস্যা ও উৎপাদিত দ্রব্যের বিপণনের উপর একমাসের উপর বিস্তারে অংক কোষে কোভিৎ পরবর্তী ভারতের আর্থিক রূপরেখার পরিকল্পনা করেছেন l এর সম্পূর্ণ তালিকায় আমি যাচ্ছিনা l সেটা ইন্টারনেট ঘটলেই পাওয়া যায় lএর মধ্যে মাঝারি ও ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র, অসংগঠিত ক্ষেত্র,  নন ব্যাঙ্কিং অর্থসংস্থা, বেসরকারি সংস্থার কৰ্মী,  কৃষক লোন ও তাঁদের জন্য উপযুক্ত সহায়ক মূল্যের ব্যাবস্থা, বন ও পরিবেশ, আবাসন, ছোট রিটেলার, হকার, শিশু-ঋণ, বড় মহানগর ও শহরে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য সাশ্রয়ীমূল্যের অবসান, পরিযায়ী শ্রমিকদের সুবিধার্থে এক দেশ এক রেশন কার্ড, 100 দিনের কাজের মাধ্যমে অধিক অর্থবিতরণ,  গ্রামীণ দারিদ্রদের জন্য প্রভিডেন্ড ফান্ড আছে l প্রত্যেক বিষয়ে আলোচনা করলে একটা বই লিখতে হবে l এটা কোন ত্রাণ কিংবা নির্বাচনী ইস্তেহার নয় l এটা 1991 পর দেশের বৃহত্তম আর্থিকসংস্কার l এর মধ্যে আমি দুটি বিষয়ে বিস্তারে বলবো, এটুকুই বোঝাতে যে সরকার কতটা গভীরে প্রতিটি বিষয় বিশ্লেষণ করে এই গণিতে পৌঁছেছেন l 

প্রথমে আসি,  ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পতে (MSME): আমাদের দেশের 5% জিডিপি দেয় লিস্টেড কর্পোরেট, আর 50% MSME ও অসংগঠিত ক্ষেত্র l তার সঙ্গে MSME দেয় 80% চাকরি l কিন্তু 1991 পর্যন্ত লোন পেত শুধু গান্ধী পরিবার ঘনিষ্ট কিছু বড় শিল্পপতি l 1991 এর পর লাইসেন্স প্রথা উঠে গেলেও এঁদের ভাগ্য শিকে ছেড়েনি l শিকে ছেড়ে কিছু বড় প্রযুক্তি কোম্পানির l 1998 এ বাজপেয়ীজি প্রধানমন্ত্রী হলে ব্যাংকের বড়রকম সংস্কার করলে, মধ্যবিত্তরা আবাসন, গাড়ি, টিভি, ফ্রিজ কেনার জন্য লোন পেতে থাকেন l বাজপেয়ীজি MSME র জন্য রাস্তা খোলার আগেই 2004 সাধারণ নির্বাচনে ভোটে পরাজিত হয়ে বিদায় নেন l গত কয়েক বছরে মোদীজি ক্ষমতায় এসে মুদ্রা লোন চালু করেন এঁদের জন্য l কিন্তু আমাদের সমস্যা হল, দেশে ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ও কর্পোরেট একসাথে যুক্ত l তাই ডেভেলপমেন্ট ব্যাংককে কমার্শিয়াল ব্যাংকের বেসিল রুল মানতে হচ্ছে l বড় কর্পোরেট ঋণখেলাপির খেলা বন্ধ করতে তৈরি আইন IBC 2016 কোডের আওতায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প এসে যায় l এদিকে, বড় কর্পোরেট ও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা MSME কে দেরিতে তাদের পাওনা সময়মত না মেটানোর ফলে এরাও ব্যাংককে 90 দিনে পয়সা দিতে ব্যর্থ হয়, যার জন্য তাঁরা দ্বায়ী নন l ফলে বিনাদোষে, তারা খেলাপকারী ঘোষিত হয় l মোদীজি এদের জন্য বেশকটি  বড় ঘোষণা করলেন l এক, সরকার MSME ক্ষেত্রের জন্য ব্যাংকের কাছে জামিনদের হবে l বিনিয়োগকারীকে কোন সম্পত্তি বন্দক রাখতে হবে না l দুই, রাষ্ট্রায়ত্ত ও কর্পোরেট সংস্থাকে MSME র পাওনা 45 দিনে দিয়ে দিতে হবে l তিন, 200 কোটির কম টেন্ডারে আন্তর্জাতিক কোম্পানিকে অংশগ্রহন করার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি l চার, সংজ্ঞা পরিবর্তন করে  50 কোটি টার্ন ওভারের  কোম্পানিকে ক্ষুদ্র ও 100 কোটি পর্যন্ত মাধ্যম বিভাগে নিয়ে আসা, যাতে তারা উপরের সুবিধাগুলি ভোগ করে, যা আগের 20 গুন l এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, MSME ক্ষেত্রের গত কয়েক বছরে Make in India প্রকল্প আসার পর সবচেয়ে বড় সাফল্যের উদাহরণ মোবাইল শিল্প l 2013 তে, যে ভারত 25 কোটি মোবাইল আমদানি করতো, তারা এখন 5 কোটি রপ্তানির ক্ষমতা রাখে l সরকার চায় আমাদের যুব উদ্যোগীরা অন্যান্য প্রযুক্তিক্ষেত্রে ও পণ্যক্ষেত্রে নিজের স্বাক্ষর সারা বিশ্বে নিজের স্বাক্ষর রাখুক l এই প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্য, আমেরিকা নিজের ডলারের আধিপত্য ধরে রাখতে ভবিষতেও আমদানি-উদ্বৃত্ত দেশ হিসেবেই নিজেকে ধরে রাখবে এবং প্রচুর আমদানি করবে l কিন্তু চীনকে নিজের বাজার থেকে দূরে রাখবে l এটা আমাদের MSME র পুনরুজ্জীবনের সঠিক সময় এবং দেশের কাছে বিরাট সুযোগ l 

এবার আসি, পরিযায়ী শ্রমিকদের স্থায়ী সমাধানের ব্যাপারে : জলি LLB নামক অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ছবিতে নায়ক তথা উকিল আদালতে প্রশ্ন করেন, যে ফুটপথে গরিবরা শোয়ে কেন? এরা বড় শহরে বিভিন্ন কাজে আসে কিন্তু এদের পাকা বাড়িতে থাকার ক্ষমতা নেই l আজকের প্রজন্মের শুনলে অবাক লাগবে, 1998 এর আগে সে ক্ষমতা সরকারি আধিকারিক ও কর্মচারীদেরও ছিল না l সারাভারতে একসময় বড় ও ছোট শহরে লক্ষ লক্ষ সরকারি আবাসন  ( Government Quarters) তৈরি হয় সরকারি কর্মীদের বড় শহরে রাখার জন্য l আগেই উল্লেখ করেছি, 1998 র ব্যাংকিংএ অটলজি একটা বড় সংস্কার আসার পর দেশের মধ্যবিত্তরা ব্যাংক থেকে হোম লোন পেতে থাকে l এর ফলে,  সরকারি আবাসন ছেড়ে নিজের ঘরে ওঠে কর্মী / আধিকারিকরা এবং সরকারি আবাস গুলি অধিকাংশই খালি হয়ে যায় l শুধু কলকাতায় বিভিন্ন কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারি দপ্তরের প্রায় লক্ষাধিক আবাসন খালি আছে l অথচ হাজার হাজার লোক রেল ঝুপড়ি, ফুটপাতে রাত কাটায়, যা অত্যন্ত অন্যায় l সরকার ওই আবাসনগুলি এবার সুলভমূল্যের আবাসনে পরিণত করবে ভবিষ্যতের দেশগড়ার কারিগরদের জন্য l এছাড়াও পরিযায়ী শ্রমিকদের বহু আর্থিক প্যাকেজ আছে, যার বর্ণনা এখানে আর দিলাম না l  

এ দুটি ছাড়াও, প্রান্তিক চাষী, হকার, ছোটো দোকান,  বেসরকারি সংস্থার শ্রমিক, স্বনির্ভর কর্মী, মৎসজীবি, পশুপালন, থেকে ননব্যাঙ্কিং ফিনান্স কোম্পানি, বিনোদন শিল্প, করদাতাসহ সবাইকে নিয়ে প্রচুর গবেষণার পর অর্থনীতির উজ্জীবনের রাস্তা বের করেন তিনি l কিন্তু উনি তো নগদ বেটে ভোট কিনতে পারতেন? কিন্তু উনি ভোটার রাজনীতি ছেড়ে ভবিষ্যৎ গড়াকেই প্রাথমিক কর্তব্য মনে করেছেন l
 
কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ কি পাবে? কেন পশ্চিমবঙ্গের মূলধারার সংবাদমাধ্যম এতো সমালোচনা করছে? কারণ পশ্চিমবঙ্গের কিছুই জুটবে না l যেমন নয়ের দশকে কম্পিউটার শিল্প জোটেনি, যেমন জোটেনি পরিকাঠামো শিল্প, এবারও কিছুই জুটবে না l কারণ রাজ্য তার সব দ্বার বন্ধ করে রেখেছে l সরকারে এসেই মমতা ব্যানার্জী (Mamata Banerjee) রাজ্যে স্পেশাল ইকোনমিক জোন বন্ধ করে দিয়েছেন l একমাত্র রাজ্যে পশ্চিমবঙ্গ যার পুনর্বাসন ( R & R ) নীতি নেই l এই রাজ্যের বিদ্যুতের দাম দেশের সর্বোচ্চ l FDI এর বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করে কেন্দ্র সরকার থেকে বেরিয়ে আসে তৃণমূল l গত 52 বছর কোন নতুন বন্দর তৈরি হয়নি এবং 2016 তে নীতিন গতকারীজি 40000 কোটি দিলে উনি ফিরিয়ে দেন l শিল্পের ন্যূনতম অন্যান্য পরিকাঠামো তথা সড়ক, বিমানবন্দর, জল নেই l অথচ দেশের যোগ্যতম একজন মানুষ এরাজ্যে অর্থমন্ত্রী পদ অলংকৃত করছেন, যার  শিক্ষা, গবেষণা, শিক্ষকতা ও কাজের অভিজ্ঞতায় সমতুল্য দেশে অপ্রতুল l শুধু অভাব মেরুদণ্ডের l গত নয় বছর তার দলের সর্বময় নেত্রীর নির্দেশে, রাজ্যের উপার্জিত পরোক্ষ করের টাকায় খয়রাতি করে ভোট কেনার মধ্যে তিনি তার মেধা ও অভিজ্ঞতা সীমাবদ্ধ রেখেছেন l কিন্তু এটাই পশ্চিমবঙ্গের কাছে শেষ সুযোগ l তাই অমিত বাবুকে অনুরোধ, সম্ভব হলে আপনার নেত্রীকে বোঝান, করোনা পরবর্তী ভারতে যে সুযোগ কেন্দ্র দিচ্ছে তার পূর্ণ সদ্ব্যাবহার করে নিজের রাজ্যেকে তৈরি করতে l আর এটা পারেন আপনিই l অভিজিৎ বিনায়ক বন্দোপাধ্যায়,  অমর্ত্য সেনদের ছেড়ে আপনার নেত্রীকে বলুন গেয়ো যোগীকে ভিক্ষা দিতে l আর যদি আপনার কথা তিনি না মানেন, তবে অরবিন্দ পানাগারিয়া, অরবিন্দ সুব্রামানিয়াম কিংবা উৰ্জিত প্যাটেল ছেড়ে চলে গেছেন, আপনিও চলে যান l আপনি হরিদাস মিত্র, বেলা মিত্রের পুত্র l আপনার মত মানুষ যদি মেরুদন্ড সোজাকরে না দাঁড়ান, বাঙালী কার ভরসায় দাড়াবে?

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.