টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ না করা নিয়ে বিতর্কের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার প্রশাসনিক ধসের মুখে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। একের পর এক প্রভাবশালী ডিরেক্টরের পদত্যাগের ফলে বিসিবি-র বর্তমান প্রশাসনের স্থায়িত্ব নিয়ে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি যেদিকে এগোচ্ছে, তাতে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই বর্তমান বোর্ড ভেঙে দিয়ে নতুন নির্বাচনের ঘোষণা হতে পারে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
গণ-ইস্তফার হিড়িক ও অভ্যন্তরীণ কোন্দল
শনিবার বোর্ডের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর থেকেই পদত্যাগের হিড়িক শুরু হয়। বিসিবি-র অভ্যন্তরীণ মতানৈক্য এখন জনসমক্ষে।
- পদত্যাগ করেছেন যারা: সানিয়ান তানিম, মেহরাব আলম, ফাইজুর রহমান এবং মঞ্জুরুল আলম শনিবারই ইস্তফাপত্র জমা দিয়েছেন। তার আগে পদ ছেড়েছেন ইয়াসির মহম্মদ ও ফয়সাল আশিক। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত ছয়জন ডিরেক্টর পদত্যাগ করেছেন।
- কমিটি প্রধানদের প্রস্থান: মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান পদ থেকে সরানোর পর আমজাদ হোসেন এবং ডেভেলপমেন্ট কমিটির প্রধান ইশতিয়াক সাদিকও পদত্যাগ করেছেন।
অনড় সভাপতি ও পরবর্তী পদের দৌড়
বোর্ডের টালমাটাল পরিস্থিতির মধ্যেও এখনই সরতে নারাজ বর্তমান সভাপতি আমিনুল ইসলাম। সাংবাদিক বৈঠক এড়িয়ে গেলেও একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। আমিনুল ইসলাম বলেন:
“আমি শেষ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করব এবং সবার শেষে পদত্যাগ করব। আমাদের দল সৎ ও দায়বদ্ধ। কিন্তু কিছু বাহ্যিক শক্তির অনবরত বাধার কারণে আমরা কাজ করতে পারছি না।”
এদিকে, বাংলাদেশের পরবর্তী বোর্ড সভাপতি হওয়ার দৌড়ে প্রাক্তন তারকা ক্রিকেটার তামিম ইকবালের নাম জোরালোভাবে উঠে আসছে।

