বিধানসভা বিরোধী দলনেতা নির্বাচন: স্পিকারের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে তৃণমূল

বিধানসভা বিরোধী দলনেতা নির্বাচন: স্পিকারের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে তৃণমূল

কলকাতা হাইকোর্টের পর এবার বিধানসভার বিরোধী দলনেতা বাছাই সংক্রান্ত স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসুর সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলো তৃণমূল কংগ্রেস। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের পক্ষে ‘বহিষ্কৃত’ তৃণমূল বিধায়ক তথা বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অন্যান্য দলত্যাগী বিধায়কদের পদ খারিজের আর্জি জানিয়ে শীর্ষ আদালতে মামলা দায়ের করেছেন বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।

মামলার প্রেক্ষাপট ও আইনি লড়াই সম্প্রতি বিধানসভা নির্বাচনে ৮০টি আসনে জয়লাভ করে প্রধান বিরোধী দলের মর্যাদা পায় তৃণমূল। দলের চেয়ারপার্সন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে মনোনীত করেন এবং গত ৯ মে সেই মর্মে স্পিকারকে চিঠি দেওয়া হয়। তবে অভিযোগ ওঠে যে স্পিকার সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর করেননি। এরপর দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে ৫৮ জন বিধায়কের সমর্থন নিয়ে গত ৩ জুন বিরোধী দলনেতা হন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগেই গত ১ জুন দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে ঋতব্রতকে দল থেকে বহিষ্কার করেছিল তৃণমূল নেতৃত্ব।

কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ ও সুপ্রিম কোর্ট সংযোগ স্পিকারের সিদ্ধান্তের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে এর আগে হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন শোভনদেব। তৃণমূল শিবিরের যুক্তি ছিল, পরিষদীয় দল নয়, কে বিরোধী দলনেতা হবেন তা নির্ধারণ করে রাজনৈতিক দল এবং সুপ্রিম কোর্টের পূর্বের রায় অনুযায়ী দলীয় সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। যদিও গত ১৮ অগস্ট বিচারপতি শম্পা সরকারের ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, সিঙ্গল বেঞ্চকে আগামী দুই মাসের মধ্যে এই মামলার নিষ্পত্তি করতে হবে, তবে এই মুহূর্তে স্পিকারের সিদ্ধান্তে কোনো অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দেওয়া যাবে না। হাইকোর্টের সেই নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই এবার শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হলো কালীঘাট শিবির। সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার শুনানির দিন এখনও নির্ধারিত হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.