‘বাজিগর’, ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’ থেকে ‘কভি খুশি কভি গম’— একাধিক ব্যবসাসফল চলচ্চিত্রের মাধ্যমে ভারতীয় চলচ্চিত্রে নিজের স্থান শক্ত করেছেন অভিনেত্রী কাজল। তারকা পরিবারে জন্ম নেওয়া এবং বলিউডের অন্যতম সফল অভিনেতা অজয় দেবগনের ঘরনি কাজল দুই সন্তানের জননী। বর্তমানে মূল ধারার চলচ্চিত্রে প্রতিদিন না দেখা গেলেও বাছাই করা ওয়েব সিরিজ ও চলচ্চিত্রে নিজের অভিনয় দক্ষতা বজায় রেখেছেন তিনি।
৫২ বছর বয়সেও কাজল তাঁর প্রাণচঞ্চল রূপ ও সৌন্দর্যের জন্য সমাদৃত। ক্যারিয়ারের শুরুর সময় থেকে বর্তমানের পরিণত কাজলের চেহারার পরিবর্তন নজর কেড়েছে অনুরাগীদের। পরিবার, সন্তান ও কাজের ব্যস্ততার মাঝেও নিজেকে সুস্থ ও ফিট রাখার ক্ষেত্রে কাজল ঠিক কোন কৌশল মেনে চলেন, তা নিয়ে বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে মুখ খুলেছেন এই অভিনেত্রী।
কাজলের বক্তব্য অনুযায়ী, তাঁর সুস্বাস্থ্যের মূল চাবিকাঠি নিহিত রয়েছে খাদ্যাভ্যাস এবং সাধারণ রূপচর্চার নিয়মে। খাওয়াদাওয়ার বিষয়ে তিনি অত্যন্ত কঠোর শৃঙ্খলা মেনে চলেন। কখন, কী এবং কতটা খাবেন— তা আগে থেকেই নির্ধারিত থাকে। খাবার ভালোবাসলেও এই নিয়মের বাইরে তিনি সচরাচর যান না। পাশাপাশি শারীরিক সুস্থতার জন্য নিয়মিত ব্যায়াম বা শরীরচর্চা করেন তিনি।
রূপচর্চার ক্ষেত্রে রাসায়নিক প্রসাধনীর অতিরিক্ত ব্যবহার কাজল পছন্দ করেন না। মূলত দুটি বিষয়ের ওপর তিনি সর্বাধিক গুরুত্ব দেন— ত্বকের সঠিক পরিচ্ছন্নতা (ক্লিনজিং) এবং আর্দ্রতা বজায় রাখা (ময়শ্চারাইজিং)। দিনে অন্তত দু’বার মুখ ধোয়ার পাশাপাশি যত রাতই হোক না কেন, ঘুমানোর আগে মুখের মেকআপ সম্পূর্ণ পরিষ্কার করা তাঁর নিত্যদিনের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। এর পাশাপাশি ত্বক আর্দ্র রাখে এমন উপযুক্ত উপাদান ব্যবহার এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করাই তাঁর উজ্জ্বল ত্বকের রহস্য।
পুষ্টিবিদদের মতে, শরীর ও ব্যক্তিগত প্রয়োজন অনুযায়ী পরিমিত আহার গ্রহণ এবং ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখা বার্ধক্য সামলে সুস্বাস্থ্য ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বজায় রাখার বৈজ্ঞানিক ও কার্যকর উপায়— যা পূর্ণমাত্রায় মেনে চলেন এই অভিনেত্রী।

