জনসমক্ষে অনভ্যস্ত হলেও মাঠে ইংরেজিতেই কথা বললেন মেসি! বিশ্বকাপ স্মৃতি তুলে ধরে চমকপ্রদ দাবি কাবো ভার্দের ফুটবলারের

জনসমক্ষে অনভ্যস্ত হলেও মাঠে ইংরেজিতেই কথা বললেন মেসি! বিশ্বকাপ স্মৃতি তুলে ধরে চমকপ্রদ দাবি কাবো ভার্দের ফুটবলারের

সংবাদমাধ্যম বা জনসমক্ষে তিনি সাধারণত নিজের মাতৃভাষা স্পেনীয় বা স্প্যানিশেই কথা বলে অভ্যস্ত। আন্তর্জাতিক ফুটবলমঞ্চে তাঁকে খুব একটা ইংরেজি বলতে শোনা যায় না। সেই বিশ্বখ্যাত মহাতারকা লিওনেল মেসিই নাকি প্রতিপক্ষ ফুটবলারের সঙ্গে নিখুঁত ইংরেজিতে কুশল বিনিময় করেছেন! সম্প্রতি এমনই এক চমকপ্রদ তথ্য প্রকাশ্যে এনেছেন আফ্রিকান দেশ কাবো ভার্দের ফুটবলার স্টিভেন মোরেরা।

বিশ্বকাপের ‘রাউন্ড অব ৩২’-এর রোমাঞ্চকর ম্যাচে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ২-৩ গোলে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল কাবো ভার্দেকে। তবে পাঁচ বারের বিশ্বজয়ীদের বিরুদ্ধে তাঁদের লড়াকু পারফরম্যান্স বিশ্বজুড়ে প্রশংসা কুড়িয়েছিল। ওই ম্যাচ চলাকালীনই আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসির সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পান আমেরিকান মেজর লিগ সকারে (MLS) খেলা রাইট-ব্যাক স্টিভেন মোরেরা।

স্মৃতিচারণ করে মোরেরা জানান, ম্যাচের আগে অনেকেই তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলেন যে মেসি তাঁকে চেনেন কি না। মোরেরা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই জানিয়েছিলেন যে, আমেরিকার ঘরোয়া লিগে মুখোমুখি খেলার কারণে মেসি তাঁকে অবশ্যই চেনেন। তবে ম্যাচ চলাকালীন আর্জেন্টিনার অধিনায়কের আচরণে রীতিমতো তাজ্জব বনে যান তিনি।

মোরেরার কথায়, “ম্যাচের মাঝে মেসি নিজে থেকেই আমার দিকে এগিয়ে আসে। সম্পূর্ণ ইংরেজিতে বলে, ‘হাই, কেমন আছো? যা যা অর্জন করেছ তার জন্য অনেক শুভেচ্ছা।’ ফুটবলের এত বড় মহাতারকা আমার দিকে এগিয়ে এসে ইংরেজিতে কথা বলছেন দেখে আমি সত্য়িই অবাক হয়ে গিয়েছিলাম।”

উল্লেখ্য, প্রথম বার বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জন করেই সবাইকে চমকে দিয়েছিল আফ্রিকার ছোট্ট দেশ কাবো ভার্দে। গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচেই অপরাজিত থাকার পাশাপাশি তারা পরাক্রমশালী স্পেনকেও আটকে দিয়েছিল, যারা পরবর্তীতে সেবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়। নকআউট পর্বেও আর্জেন্টিনার মতো শক্তিধর দেশের বিরুদ্ধে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়েছিল তারা।

বিশ্বকাপের অভিজ্ঞতা নিয়ে উচ্ছ্বসিত মোরেরা আরও বলেন, “আমরা দারুণ একটা বিশ্বকাপ কাটিয়েছি। আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে দল নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দিয়েছিল। বিশ্ব ফুটবলের মানচিত্রে আমরা আমাদের দেশকে প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি বলে আমি অত্যন্ত গর্বিত। এই স্মৃতি আমি জীবনেও ভুলব না।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.