বিনোদনজগতে শোকের ছায়া। প্রয়াত ব্রিটিশ অভিনেতা স্যার প্যাট্রিক স্টুয়ার্ট। বৃহস্পতিবার তাঁর নিজস্ব এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলে প্রকাশিত একটি বিবৃতিতে অভিনেতার মৃত্যুসংবাদ জানানো হয়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। অ্যালঝাইমার্স ডিজ়িজ় এবং লিউই বডি ডিমেনশিয়ার সঙ্গে লড়াইয়ের পর শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। ‘স্টার ট্রেক: দ্য নেক্সট জেনারেশন’ এবং ‘এক্স-মেন’ ছবির ফ্র্যাঞ্চাইজ়িতে অভিনয়ের সুবাদে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পেয়েছিলেন এই অভিনেতা।
বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বুধবার লস অ্যাঞ্জেলেসের নিজের বাড়িতেই মৃত্যু হয়েছে প্যাট্রিকের। শেষ সময়ে তাঁর পাশে ছিলেন স্ত্রী সানি। পরিবারের তরফে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে তাঁর মৃত্যুসংবাদ জানানো হচ্ছে। জীবনের শেষ কয়েক ঘণ্টা পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের সঙ্গেই কাটিয়েছেন অভিনেতা। সেই সময়ে ছিল লাইভ সঙ্গীত, প্রার্থনা, কান্না এবং হাসির মুহূর্ত।
ইংল্যান্ডের ওয়েস্ট ইয়র্কশায়ারের মিরফিল্ডে জন্ম প্যাট্রিক স্টুয়ার্টের। ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে থিয়েটার, টেলিভিশন, চলচ্চিত্র এবং ব্রডওয়েতে কাজ করেছেন তিনি। হলিউডে পরিচিতি পাওয়ার অনেক আগে থেকেই মঞ্চাভিনেতা হিসেবে নিজের দক্ষতার পরিচয় দিয়েছিলেন। ১৯৬৬ সালে রয়্যাল শেক্সপিয়র কোম্পানিতে যোগ দেন প্যাট্রিক। সেখানে প্রায় ১৪ বছর কাজ করে অভিনয়জগতে নিজের ভিত মজবুত করেন।
পরবর্তী সময়ে টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেন তিনি। ‘স্টার ট্রেক: দ্য নেক্সট জেনারেশন’-এ ক্যাপ্টেন জঁ-লুক পিকার্ডের চরিত্রে অভিনয় তাঁকে বিশ্বজোড়া পরিচিতি এনে দেয়। তাঁর গভীর ও স্বতন্ত্র কণ্ঠস্বর এবং ব্যক্তিত্বপূর্ণ অভিনয় দর্শকদের মনে বিশেষ জায়গা করে নেয়। পরে ‘এক্স-মেন’ ফ্র্যাঞ্চাইজ়িতে প্রফেসর চার্লস জ়েভিয়ারের ভূমিকায় অভিনয় করে নতুন প্রজন্মের দর্শকদের কাছেও জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি। এই ফ্র্যাঞ্চাইজ়ির একাধিক ছবি এবং সংশ্লিষ্ট মার্ভেল প্রযোজনায় দেখা গিয়েছে তাঁকে।
অভিনয়দক্ষতার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের চরিত্রকে বিশ্বাসযোগ্য ভাবে পর্দায় ফুটিয়ে তোলার ক্ষমতার জন্যও প্রশংসিত ছিলেন প্যাট্রিক। তাঁর কণ্ঠস্বর ও অভিনয়প্রতিভা বিভিন্ন ঘরানার বহু স্মরণীয় চরিত্রের সঙ্গে চিরকাল জড়িয়ে থাকবে বলে পরিবারের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
শুধু অভিনয়েই নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি প্যাট্রিক। মানবাধিকার রক্ষা, গার্হস্থ্য হিংসার শিকার ব্যক্তিদের সহায়তা, শরণার্থীদের পাশে দাঁড়ানো, প্রবীণ সেনাকর্মীদের মানসিক স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং পশুকল্যাণের মতো নানা সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও সক্রিয় ভাবে যুক্ত ছিলেন তিনি।
নাট্যজগতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে নাইট উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিল। আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করলেও নিজের জন্মভূমি ইয়র্কশায়ারের সঙ্গে বরাবরই নিবিড় সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন এই অভিনেতা। তাঁর প্রয়াণে চলচ্চিত্র, টেলিভিশন ও নাট্যজগতের একটি দীর্ঘ ও বর্ণময় অধ্যায়ের অবসান হল।
বিনোদনজগতে শোকের ছায়া। প্রয়াত ব্রিটিশ অভিনেতা স্যার প্যাট্রিক স্টুয়ার্ট। বৃহস্পতিবার তাঁর নিজস্ব এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলে প্রকাশিত একটি বিবৃতিতে অভিনেতার মৃত্যুসংবাদ জানানো হয়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। অ্যালঝাইমার্স ডিজ়িজ় এবং লিউই বডি ডিমেনশিয়ার সঙ্গে লড়াইয়ের পর শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। ‘স্টার ট্রেক: দ্য নেক্সট জেনারেশন’ এবং ‘এক্স-মেন’ ছবির ফ্র্যাঞ্চাইজ়িতে অভিনয়ের সুবাদে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পেয়েছিলেন এই অভিনেতা।
বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বুধবার লস অ্যাঞ্জেলেসের নিজের বাড়িতেই মৃত্যু হয়েছে প্যাট্রিকের। শেষ সময়ে তাঁর পাশে ছিলেন স্ত্রী সানি। পরিবারের তরফে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে তাঁর মৃত্যুসংবাদ জানানো হচ্ছে। জীবনের শেষ কয়েক ঘণ্টা পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের সঙ্গেই কাটিয়েছেন অভিনেতা। সেই সময়ে ছিল লাইভ সঙ্গীত, প্রার্থনা, কান্না এবং হাসির মুহূর্ত।
ইংল্যান্ডের ওয়েস্ট ইয়র্কশায়ারের মিরফিল্ডে জন্ম প্যাট্রিক স্টুয়ার্টের। ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে থিয়েটার, টেলিভিশন, চলচ্চিত্র এবং ব্রডওয়েতে কাজ করেছেন তিনি। হলিউডে পরিচিতি পাওয়ার অনেক আগে থেকেই মঞ্চাভিনেতা হিসেবে নিজের দক্ষতার পরিচয় দিয়েছিলেন। ১৯৬৬ সালে রয়্যাল শেক্সপিয়র কোম্পানিতে যোগ দেন প্যাট্রিক। সেখানে প্রায় ১৪ বছর কাজ করে অভিনয়জগতে নিজের ভিত মজবুত করেন।
পরবর্তী সময়ে টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেন তিনি। ‘স্টার ট্রেক: দ্য নেক্সট জেনারেশন’-এ ক্যাপ্টেন জঁ-লুক পিকার্ডের চরিত্রে অভিনয় তাঁকে বিশ্বজোড়া পরিচিতি এনে দেয়। তাঁর গভীর ও স্বতন্ত্র কণ্ঠস্বর এবং ব্যক্তিত্বপূর্ণ অভিনয় দর্শকদের মনে বিশেষ জায়গা করে নেয়। পরে ‘এক্স-মেন’ ফ্র্যাঞ্চাইজ়িতে প্রফেসর চার্লস জ়েভিয়ারের ভূমিকায় অভিনয় করে নতুন প্রজন্মের দর্শকদের কাছেও জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি। এই ফ্র্যাঞ্চাইজ়ির একাধিক ছবি এবং সংশ্লিষ্ট মার্ভেল প্রযোজনায় দেখা গিয়েছে তাঁকে।
অভিনয়দক্ষতার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের চরিত্রকে বিশ্বাসযোগ্য ভাবে পর্দায় ফুটিয়ে তোলার ক্ষমতার জন্যও প্রশংসিত ছিলেন প্যাট্রিক। তাঁর কণ্ঠস্বর ও অভিনয়প্রতিভা বিভিন্ন ঘরানার বহু স্মরণীয় চরিত্রের সঙ্গে চিরকাল জড়িয়ে থাকবে বলে পরিবারের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
শুধু অভিনয়েই নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি প্যাট্রিক। মানবাধিকার রক্ষা, গার্হস্থ্য হিংসার শিকার ব্যক্তিদের সহায়তা, শরণার্থীদের পাশে দাঁড়ানো, প্রবীণ সেনাকর্মীদের মানসিক স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং পশুকল্যাণের মতো নানা সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও সক্রিয় ভাবে যুক্ত ছিলেন তিনি।
নাট্যজগতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে নাইট উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিল। আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করলেও নিজের জন্মভূমি ইয়র্কশায়ারের সঙ্গে বরাবরই নিবিড় সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন এই অভিনেতা। তাঁর প্রয়াণে চলচ্চিত্র, টেলিভিশন ও নাট্যজগতের একটি দীর্ঘ ও বর্ণময় অধ্যায়ের অবসান হল।

