সরশুনায় ঘোষবাড়ি কালীমন্দির চত্বরের পরিবেশ ও জৈববৈচিত্র্য

সরশুনায় যাদবচন্দ্র ঘোষ রোডের ধারে অবস্থিত ঘোষ বাড়ির কালীমন্দির। এই ঘোষ বংশেরই পূর্বপুরুষ রায়বাহাদুর ডাক্তার যাদবচন্দ্র ঘোষ (১৮১০-১৮৮৬)। তিনি ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর চিকিৎসক ছিলেন। সাউথ সুবারবান মিউনিসিপ্যালটির ভাইস চেয়ারম্যান পদও অলংকরণ করেছিলেন তিনি। মন্দিরটি ১৩৪৩ বঙ্গাব্দে প্রতিষ্ঠিত। ঘটের পিছনে প্রতিষ্ঠাতা ঘোষ বংশের নরেশ-নলিনী’র নাম (ডা. যাদবচন্দ্র ঘোষের পৌত্র নরেশচন্দ্র ঘোষ ওRead More →

শ্রীরামকৃষ্ণ মা কৌশল্যার মতোই রামলালার যত্ন করেছেন

একবার শ্রীরামকৃষ্ণ বাগবাজারে বলরাম ভবনে এসেছেন। সেদিন তিনি নিজেই রামলালার কথা তুললেন। কেমন করে রামলালাকে স্নান করাতেন, রামলালা কেমন দুরন্তপনা ক’রত ইত্যাদি লীলা-বৃত্তান্ত বলতে লাগলেন। বললেন, একদিন খই খাওয়াতে গিয়ে একটা ধান রামলালার মুখে লেগে গেল, “যে মুখে মা কৌশল্যা কত ক্ষীর সর ননী দিতেও সঙ্কোচ বোধ করতেন, আজ আমিRead More →

দেবী অন্নপূর্ণা এবং ভিখারি শিব

শিবের যে দারিদ্র্য, তা আসলে বৈরাগ্যের নামান্তর। তাঁর স্ত্রী স্বয়ং অন্নপূর্ণা, অন্নদাতা, অথচ তিনি ভিখারি। এ এক অভূতপূর্ব বৈপরীত্য! একটা প্রবল প্যারাডক্স, ব্যঞ্জনাধর্মী ব্যাখ্যান। ধন নেই, তা বড় ব্যাপার নয়; ধন মহাদেবের প্রয়োজন নেই। দারিদ্র্যের মধ্যে তো তাঁর অতৃপ্তি নেই! তা বোঝানোর জন্যই তো তিনি শ্মশানচারী! যিনি সিদ্ধিতে নিপুণ, তাঁরRead More →

বাঙ্গালি চিন্তাবিদ ও সাহিত্যিক ভূদেব মুখোপাধ্যায় -কে জন্মবার্ষিকীতে (জন্ম: ১৮২৭ সালের ২২ শে ফেব্রুয়ারী) শ্রদ্ধা জানিয়ে ড. বিজয় কুমার আঢ্য প্রণীত ‘স্বদেশ ও সমাজ ভাবনায় ভূদেব মুখোপাধ্যায়’ গ্রন্থটি সম্পর্কে আলোচনা করলেন

ড. বিজয় কুমার আঢ্য প্রখ্যাত সাপ্তাহিক পত্রিকা ‘স্বস্তিকা’-র প্রাক্তন সম্পাদক। আলোচ্য গ্রন্থটি তাঁর পিএইচডি গবেষণা সংক্রান্ত বিষয়বস্তুর একটি বিশিষ্ট অধ্যায় অবলম্বনে রচিত। প্রথম প্রকাশ ২০০৩; প্রিটোনিয়া পাবলিশার্স অ্যাণ্ড বুকসেলার্স সংস্করণ প্রকাশিত হয় ২০০৮ সালে। মুদ্রিত মূল্য ২৫০ টাকা। বিজয় বাবুর গবেষণাটি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক ১৯৯৪ সালে স্বীকৃত হয় এবং তিনিRead More →

জন্মশতবর্ষে শ্রদ্ধা –অটলবিহারী: এক রূপকথার রাষ্ট্রনায়ক

অটলবিহারী তিনিই যিনি ব্রহ্মবিহারী। নিজের মধ্যে অন্যের জন্য মৈত্রী পোষণ করেন। যাঁর দেশপ্রেম অটল ও অটুট। যিনি পদ্মবিভূষণ, ভারতরত্ন। যাঁর মধ্যে সনাতনী সংস্কৃতির মোক্ষ-রঙের সৌকর্য। যাঁর হাতে আধুনিক ভারতবর্ষের ভিত্তি নির্মাণ। তিনি দেশের দশম প্রধানমন্ত্রী: এক ক্ষণজন্মা রাষ্ট্রনায়ক, সুভদ্র সুশাসক। দেশব্যাপী তাঁর জন্মশতবর্ষ পালিত হচ্ছে। একশো বছর আগের কথা।মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়রRead More →

আসছে ২-রা অক্টোবর:বাঙালির কাছে সে দিন যে মনীষীর চিরস্থায়ী আসন।

তিনি শ্রীরামকৃষ্ণ পার্ষদ স্বামী অভেদানন্দ। ২ রা অক্টোবর তাঁর জন্মদিন। অক্টোবরের দুই তারিখ নিয়ে বঙ্গবাসী তথা ভারতবাসীর একটি সম্ভ্রমের অন্তঃকরণ ও ইতিহাসও আছে; যেখানে বিতর্ক নেই, যেখানে রাজনৈতিক চালাকি নেই, যেখানে কথা ও কাজের মধ্যে ফারাক নেই। আছে কেবল আধ্যাত্মিক শান্তি, সৌভদ্র, ত্যাগ এবং ভালোবাসা। প্রভু জগদ্বন্ধু সুন্দর একবার বলেছিলেন,Read More →

লোকমাতা রানি রাসমণির জন্মদিনে (২৮ শে সেপ্টেম্বর, ১৭৯৩) শ্রদ্ধা –দক্ষিণেশ্বর কালীমন্দির: এক মহীয়সী নারীর হার না মানা লড়াইয়ের কাহিনী।

তিনি রানি রাসমণি। ১৮৫৫ সালে প্রতিষ্ঠা করলেন দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়িতে মা ভবতারিণীর মূর্তি। ব্রিটিশ-ভারতের পটভূমিতে এত সাহসী, এত হিতৈষী-মহীয়সী নারীর দেখা পাওয়া যায় নি। একজন কৈবর্ত হয়েও দক্ষিণেশ্বর মন্দির প্রতিষ্ঠা করে এবং শ্রীরামকৃষ্ণদেবকে বরণ করে ভারতের আধ্যাত্মিক, সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক জগতকে আরও প্রাণবন্ত মিলনক্ষেত্রে পরিণত করেছিলেন, যার ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম। উনিশRead More →

পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের একাত্ম মানবদর্শন

একটি মানুষ সর্বাঙ্গ সুন্দর হয়ে ওঠেন যখন তার সমস্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কার্যকরী ও সুস্থ-সবল থাকে। একটি ফুল তখনই মনোরম যখন তার প্রতিটি দলের অস্তিত্ব সুন্দর ও নান্দনিক। তেমনই একটি সমাজ সার্থক, যখন তার প্রতিটি ব্যক্তিসত্ত্বা পূর্ণ, পবিত্র ও বিকশিত। আসলে ব্যক্তির সাধনা এবং সমষ্টির আরাধনা ভিন্ন নয়। ‘অহং’-এর মধ্যে ‘বয়ং’ সত্তাকেRead More →

শিকাগো বক্তৃতা (১১ই সেপ্টেম্বর, ১৮৯৩) স্মরণ নিবন্ধ –শক্তি সাধনা, ভারত বিকাশ এবং স্বামী বিবেকানন্দশিকাগো বক্তৃতা (১১ই সেপ্টেম্বর, ১৮৯৩) স্মরণ নিবন্ধ

স্বামীজী বলছেন, “This world is the great gymnasium where we come to make ourselves strong.” রাজযোগ গ্রন্থে আছে, এই দেহই আমার শ্রেষ্ঠ যন্ত্র, শ্রেষ্ঠ সহায়, চিন্তা করিবে — ইহা বজ্রের ন্যায় দৃঢ়,…. দুর্বল ব্যক্তি কখনও মুক্তিলাভ করিতে পারে না। সর্বপ্রকার দুর্বলতা পরিত্যাগ কর। শরীরকে বলো — তুমি বলিষ্ঠ। মনকে বলোRead More →

জন্মদিনে শ্রদ্ধা: সরলা দেবী চৌধুরানী (৯ সেপ্টেম্বর, ১৮৭২- ১৮ আগস্ট, ১৯৪৫)

শিবাজী উৎসবের সূত্রে বাঙ্গলায় প্রতাপাদিত্য উৎসবে পৌরোহিত্য: কঠিন কাজটি করে দেখিয়েছেন সরলা দেবী। রবীন্দ্র-ভাগ্নী/মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের দৌহিত্রী/স্বর্ণকুমারী দেবীর কনিষ্ঠা কন্যা সরলাদেবী চৌধুরানী (১৮৭২-১৯৪৫)। তাঁকে আমরা নানান কারণে মনে রাখব। তার অন্যতম হচ্ছে বাঙালি বীরপূজার সূত্রপাত করে বাঙালি হিন্দুকে ভেতর থেকে শক্তিশালী করা। সরলাদেবীর ‘প্রতাপাদিত্য উৎসব’ এমনই এক ভাব-আরাধনার প্রয়াস, যেRead More →