ভারতীয় সাহিত্যিকদের মধ্যে রবীন্দ্রনাথ রামায়ণের প্রধান পৃষ্ঠপোষক বললে অত্যুক্তি হবে না। তিনিই রামায়ণের সেরা ভাষ্যকার, কারণ তিনি রামায়ণের কাহিনীতে জারিত হয়েছিলেন এবং আত্তীকরণ করে তা সুপাচ্য সাহিত্য-ব্যঞ্জনে পরিবেশন করেছিলেন। তিনি সংস্কৃত রামায়ণ পড়লেও, রামায়ণ সংক্রান্ত তাঁর সমূহ-ভাষ্য এবং সাহিত্য ও সমাজ সমীক্ষার মূল ভিত্তি ছিল কৃত্তিবাসী রামায়ণ, যাকে নিয়ে আজও সকল বাঙ্গালি গর্ববোধ করতে পারেন।

রবীন্দ্রনাথের অধ্যয়ন নিয়ে যারা গবেষণা করেছেন তাদের লেখা থেকে জানা যায়, সবচাইতে বেশি দাগানো বই যা তিনি পড়েছিলেন এবং বিশ্বভারতী রবীন্দ্রভবনে আজও সংরক্ষিত রয়েছে তার অন্যতম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত এবং নলিনীকান্ত ভট্টশালী সম্পাদিত (১৩৪৩) কৃত্তিবাস রামায়ণ। বিশ্বকবি বিশ্বাস করতেন কৃত্তিবাসী রামায়ণ বাংলার নিজস্ব সম্পদ। বইটি সম্পর্কে তিনি মন্তব্য করেছিলেন, “কৃত্তিবাসের স্মৃতি নিজেকেই নিজে এতকাল রক্ষা করিয়া আসিয়াছে। যাহারা বড়ো কবি তাঁহারা নিজের কাব্যেই নিজের তাজমহল তৈরি করিয়া যান।” (কৃত্তিবাসকে উপলক্ষ করে চট্টগ্রাম সম্মিলনীর সম্পাদককে চিঠি, ১৩১৫ বঙ্গাব্দ, সূত্রঃ বিশ্বভারতী পত্রিকা, বৈশাখ-আষাঢ় ১৩৫৪)।

জানা যায়, সতীশচন্দ্র দাশগুপ্ত রচিত রামচরিত মানস (তুলসীদাস) বইটিও তিনি পড়েছিলেন। এই যে রামায়ণ সম্পর্কে কবির আগ্রহ এটা শুরু হয়েছিল জীবনের প্রথম পর্যায় থেকেই। বলা ভাল, কৃত্তিবাসী রামায়ণ তাঁর জীবনকে আচ্ছন্ন করে রেখেছিল। ‘জীবনস্মৃতি’ গ্রন্থে দেখতে পাই ভৃত্যরাজকতন্ত্রে বেড়ে ওঠা রবীন্দ্রনাথের অবাধ্য-মনের আবহ যেন বদলে যেত রামায়ণের আবহে। পাঁচালী গায়ক কিশোরী চাটুজ্জে জোড়াসাঁকোয় আসতেন গান গাইতে, রবীন্দ্রনাথ লিখছেন, “কৃত্তিবাসী সরল পয়ারের মৃদুমন্দ কলধ্বনি কোথায় বিলুপ্ত হইল — অনুপ্রাসের ঝকমারি ও ঝংকারে আমরা একেবারে হতবুদ্ধি হইয়া গেলাম।” ‘ছেলেবেলা’ (১৩৪৭) নামক আত্মনিষ্ঠ প্রবন্ধেও উল্লেখ করেছেন রামায়ণে মজে থাকার কথা, “ব্রজেশ্বরের কাছে সন্ধেবেলায় দিনে দিনে শুনেছি কৃত্তিবাসের সাতকাণ্ড রামায়নটা।”

রবীন্দ্রনাথের এক সম্পর্কিত দিদিমা (রবীন্দ্রনাথের মায়ের এক সম্পর্কিত খুড়ি)-র মালিকানাধীন কৃত্তিবাসী রামায়ণের একটি বই ছিল। তা পড়তে গিয়ে কোনো করুণ বর্ণনায় তাঁর চোখ দিয়ে যখন জল পড়ত, দিদিমা জোর করে তাঁর হাত থেকে বইটি কেড়ে নিয়ে যেতেন। রামায়ণ পড়ে কান্নার কথা ‘শিক্ষার হেরফের’ প্রবন্ধে তিনি লিখেছেন, “কৃত্তিবাসের রামায়ণ ও কাশিরামদাসের মহাভারত পড়িতে বসিতাম। রামচন্দ্র ও পাণ্ডবদিগের বিপদে কত অশ্রুপাত ও সৌভাগ্যে কী নিরতিশয় আনন্দলাভ করিয়াছি তাহা আজও ভুলি নাই।” আর দিদিমার মার্বেল কাগজমণ্ডিত কোণ-ছেঁড়া মলাটওয়ালা মলিন বইটির কথা (বইটি রবীন্দ্র-স্মৃতি-ভবনে সংরক্ষিত ছিল) কবি ‘আকাশ প্রদীপ’ কাব্যের ‘যাত্রাপথ’ কবিতায় অমর করে রেখেছেন, “কৃত্তিবাসী রামায়ণ সে বটতলাতে ছাপা/দিদিমায়ের বালিশ-তলায় চাপা,/আলগা মলিন পাতাগুলি, দাগি তাহার মলাট/দিদিমায়ের মতোই যেন বলি-পড়া ললাট।”

অতএব দেখা যায়, ভৃত্যশাসনে রবীন্দ্রনাথের পড়া বইগুলির অন্যতম হল কৃত্তিবাসী রামায়ণ এবং তার স্মৃতি সারা জীবনের জন্য তাঁর কাছে অত্যন্ত পরিষ্কার। কিছুটা বড় হয়ে তিনি বাবার সঙ্গে হিমালয়ে গিয়ে পড়েছিলেন বাল্মিকী রচিত অনুষ্ঠুভ্ ছন্দের রামায়ণ। কিন্তু তার প্রভাব অতটা ছিল না হয়তো, যতটা না ছিল কৃত্তিবাসী রামায়ণের প্রভাব ছিল তাঁর চেতনায় ও ভাষ্যে।

তাঁর দুটি গীতিনাট্য ‘বাল্মিকী প্রতিভা’ (১২৮৭) এবং ‘কালমৃগয়া’ (১২৮৯)-য় সংস্কৃত রামায়ণের প্রভাব রয়েছে। রয়েছে আদিকাণ্ড ও অযোধ্যাকাণ্ডের শ্লোক। ১. “মা নিষাদ প্রতিষ্ঠাং ত্বমগমঃ শাশ্বতী সমাঃ” এবং ১. “পুত্র ব্যাসনজং দুঃখং যদেতন্মম সাম্প্রতম”।
‘অহল্যার প্রতি’ (১২৯৭), ‘পতিতা’ (১৩০৪) কবিতার কাহিনী নির্মাণ হয়েছে রামায়ণের গভীর পাঠ অনুসরণ করে। ‘পুরস্কার’ (১৩০০) কবিতাতে ধরা পড়েছে রামায়ণের নির্যাস, ‘চিত্রা’ কাব্যের ‘নগর সঙ্গীত’ কবিতাতেও রবীন্দ্রনাথকে রামায়ণ সম্পর্কিত ‘মিথোম্যানিয়ায় আক্রান্ত’ হতে দেখি। ‘শিশু’ কাব্যগ্রন্থ ও ‘সহজপাঠ’-এ তো রবীন্দ্রনাথ শিশু মনকে রামায়ণে জারিত করে দিয়েছেন একেবারে।

রবীন্দ্রনাথের লেখার মধ্যে অজস্র রামায়ণ সম্পর্কিত উক্তির উজ্জ্বল উদ্ধার করতে পারবেন তন্বিষ্ট গবেষক, তার পরতে পরতে ভারত সংস্কৃতির প্রতি মান্যতা এবং অনুপম শ্রদ্ধা চোখে পড়বে। ‘শিক্ষার হেরফের’ প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথ বলছেন, “মনে আছে আমরা বাল্যকালে কেবলমাত্র বাংলা ভাষায় শিক্ষা আরম্ভ করিয়াছিলাম, বিদেশী ভাষার পীড়নমাত্র ছিল না।… কিন্তু আজকাল আমার জ্ঞানে আমি একটি ছেলেকেও ওই দুই গ্রন্থ পড়িতে দেখি নাই।”

রবীন্দ্রনাথকে রামায়ণ সম্পর্কিত দু’টি বইয়ে ভূমিকা লিখতে দেখা গেছে। দীনেশচন্দ্র সেনের ‘রামায়ণী কথা’ বইয়ের ভূমিকায় তিনি সংস্কৃত রামায়ণ থেকে শ্লোকের উদ্ধৃতি দিয়েছেন (পৌষ, ১৩২০)। রবীন্দ্রনাথকে যোগীন্দ্রনাথ বসু প্রণীত ‘সরল কৃত্তিবাস’ অর্থাৎ কৃত্তিবাস-প্রণীত সপ্তকাণ্ড রামায়ণের ভূমিকা লিখতে দেখা গেছে (বইটির দ্বিতীয় সংস্করণে ১৩১৫ সালে)। যোগীন্দ্রনাথের বইয়ের ভূমিকায় তিনি দুঃখ করে বলছেন, “এতকাল আমাদের দেশের যে কেহ অক্ষর মাত্র পড়িতে জানিত, কৃত্তিবাসের রামায়ণ এবং কাশীরামদাসের মহাভারত না পড়িয়া ছাড়িত না; যাহার অক্ষরবোধ ছিল না, সে অন্যের মুখ হইতে শুনিত। এই রামায়ণ, মহাভারত আমাদের সমস্ত জাতির মনের খাদ্য ছিল; এই দুই মহাগ্রন্থই আমাদের মনুষ্যত্বকে দুর্গতি হইতে রক্ষা করিয়া আসিয়াছে। আজকাল আমরা যাহাকে শিক্ষিত সম্প্রদায় বলি, সেই সমাজে এই দুই গ্রন্থ এখন আর কেহ পড়ে না। অথচ জনসাধারণের মধ্যে এখনও এই দুই গ্রন্থের আদর রহিয়াছে।” যোগীন্দ্রনাথ বসুর বই সম্পর্কে আলোচনা করে রবীন্দ্রনাথ শান্তিনিকেতন থেকে একটি চিঠি লিখেছিলেন (কার্তিক, ১৩৩৫) সৌমেন্দ্রনাথ ঠাকুরকে, “কৃত্তিবাসের রামায়ণ যদি বাঙালি ছেলেমেয়েরা না পড়ে তবে তার চেয়ে শোচনীয় আশঙ্কা আমাদের পক্ষে আর কিছু হতে পারে না।”

যারা বলেন রাম বাঙালির দেবতা নন, তাদের জন্য রবীন্দ্রনাথের মন্তব্য বিশেষ প্রণিধানযোগ্য, “বাঙ্গলা দেশে যে এক সময়ে সমস্ত জনসাধারণকে একটা ভক্তির প্লাবনে প্লাবিত করিয়া তুলিতেছিল; সেই ভক্তিধারার অভিষেকে উচ্চ-নীচ, জ্ঞানী মূর্খ, ধনী দরিদ্র, সকলেই, এক আনন্দের মহাযজ্ঞে সম্মিলিত হইয়াছিল — বাঙ্গলা রামায়ণ, বিশেষভাবে, বাঙ্গলাদেশের সেই ভক্তিযুগের সৃষ্টি। বাঙ্গলাদেশে সেই যে, এক সময়ে, একটি নবোৎসাহের নব-বসন্ত আসিয়াছিল, সেই উৎসবকালের কাব্যগুলি বাঙ্গালির ছেলে যদি শ্রদ্ধাপূর্বক পাঠ করে, তবে দেশের যথার্থ ইতিহাসকে সজীবভাবে উপলব্ধি করিতে পারিবে।” তা কবে থেকে বাঙ্গালি রাম-নামে জারিত? কৃত্তিবাস তাঁর ভণিতায় নিজের জন্ম সম্পর্কে বলছেন, “আদিত্যবার শ্রীপঞ্চমী পূর্ণ মাঘ মাসে”, মানে সেই বছরেরই দিন যেদিন মাঘ মাসের শেষ দিনটি ছিল রবিবার এবং শ্রীপঞ্চমী তিথি বা সরস্বতী পুজো।

যোগেশচন্দ্র রায় বিদ্যানিধি জ্যোতিষ গণনায় তা নির্ণয় করেছেন ১৩৮৬ থেকে ১৩৯৮ খ্রীস্টাব্দের মধ্যে কোন এক মাঘী পঞ্চমীতে অর্থাৎ কৃত্তিবাসের শ্রীরাম পাঁচালীর স্বাদ বাঙ্গালি পেয়েছে অন্তত ছ’শো বছর আগে। অনুমান করা যায় তার আগে থেকেই বাঙ্গলার প্রবুদ্ধ-মহলে রামায়ণের সংস্কৃত কাব্যের চর্চা ছিল যথেষ্ট এবং লোককথায় তার অবিসংবাদিত বিস্তার। লোকায়ত-মানসে এমনি শক্ত ভিত্তি না থাকলে কৃত্তিবাস এমন জনপ্রিয় ও লোকপ্রিয় রামায়ণ কাব্য লিখতে প্রেরণা পেতেন না। আর এমনি এক কবিকে মাইকেল মধুসূদন দত্ত “এ বঙ্গের অলঙ্কার” বলবেন এতে আশ্চর্যের কিছু নেই।

আশ্চর্যের বিষয় হল, রামায়ণ-বিরোধিতা করতে গিয়ে হিন্দু বিরোধী ভ্রান্ত-সেকুলারি সমাজ তাকে অবাঙ্গালির দেবতা বলে দেগে দিয়েছেন। মনে রাখতে হবে তুলসীদাসী রামচরিতমানস লেখা হয়েছে কৃত্তিবাসী রামায়ণের অনেক পরে। আসলে রাম জন্মভূমি-বাবরী মসজিদ বির্তকে বাঙ্গালিকে সামিল না করার সেকুলারি-চালাকি করেছিলেন বিক্রি হয়ে যাওয়া ইতিহাসবেত্তারা। রাম যে বাঙ্গালিরও আরাধ্য দেবতা ছিলেন, তা বলবার অপেক্ষা রাখে না।

শ্রীরামকৃষ্ণের কুলদেবতা শ্রীরামচন্দ্র, স্বামী বিবেকানন্দের রাম-উপাসনা, রানী রাসমণির রঘুবীর-সাধনাকে বাঙ্গালি ভুলে গেছে। বাঙ্গালি কীভাবে ভুলে যায় মহামন্ত্র, “হরে রাম হরে রাম/রাম রাম হরে হরে/ হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ/ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।

রামায়ণ ও রবীন্দ্র মিথোম্যানিয়া

মিথোম্যানিয়া কী? মিথোম্যানিয়া হচ্ছে দেশীয় পুরাণের প্রতি সদর্থক আসক্তি। এই আসক্তি দ্বিবিধ — প্রথম, সরাসরি পুরাণের ব্যবহার; দ্বিতীয়, মনের মধ্যে পুরাণ-প্রাসঙ্গিকতার যে রেশ রয়ে যায় তারই পটভূমিতে সাহিত্যের জগতে বারে বারে মানস-প্রতিমা নির্মাণ। রবীন্দ্রনাথে দু’ধরনের আসক্তিই ছিল। আর ছিল বলেই রবীন্দ্রনাথ বুঝেছিলেন শিশুপাঠ্যে শিশুকে সবসময় তার ঐতিহ্যের মধ্যে ঘোরাফেরা করতে দিতে হবে। ঐতিহ্যের শিক্ষার মধ্যেই শিশুকে সবচাইতে ভালোভাবে শিক্ষিত করা সম্ভব।

শিশুকে যথোপযুক্ত নাগরিক হয়ে উঠতে সহায়তা করে দেশ ও তার ঐতিহ্য। ঐতিহ্যের প্রতি টান, ঐতিহ্য-বিষয়ক জ্ঞান একেবারে ছোটোবেলা থেকেই আসা দরকার। রবীন্দ্র-মানসে ঐতিহ্য যেভাবে ঢুকে আছে, ঢুকে আছে সহজপাঠে, শিশু কাব্যগ্রন্থের পরতে পরতে; একইভাবে রবীন্দ্র সাহিত্যে অন্বিত আছে রামায়ণ যাকে বিচ্ছিন্ন করা যাবে না কখনও। রামায়ণ আছে রবীন্দ্র-সঙ্গীতে — “তোরা যে যা বলিস ভাই/আমার সোনার হরিণ চাই।” ‘রাম’ বলতেই ভারতীয় শিশুর কাছে এক অমোচ্য চিত্র ফুটে ওঠে, আর এই মিথোম্যানিয়ার জন্যই কি সহজপাঠ বইটি আজ অনেকের কাছে ব্রাত্য?

শিশু কাব্যগ্রন্থে রবীন্দ্রনাথ দু’ভাবে শিশুকে রামায়ণের সঙ্গে সংপৃক্ত করে দিচ্ছেন, নাম-বাচক শব্দে এবং প্রকৃতি চিত্রণে। কখনো নাম না বলেই শিশু রামায়ণের দেশে পাড়ি দিয়েছে — “মা গো, আমায় দেনা কেন/একটি ছোটো ভাই –/দুইজনেতে মিলে আমরা/বনে চলে যাই।” এখানে নাম না করেও শিশু নিজের সঙ্গে শ্রীরামকে অভেদ কল্পনা করেছে, ছোটো ভাইটি যে সহোদর লক্ষ্মণ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। প্রকৃতি চিত্রণে রামের বনবাস-জীবন শিশুর কল্পনায় মুহুর্তেই চলে আসে — “চিত্রকূটের পাহাড়ে যাই/এমনি বরষাতে…”। রাজপুত্রের বনবাসী হয়ে যাওয়া বাঙ্গালি তথা ভারতীয় শিশুর মানস-কল্পনায় কতটা প্রভাব এনেছিল, ‘সহজপাঠ’-এর একটি কবিতায় কবি তা এক লহমায় ধরে দিয়েছেন — “ঐখানে মা পুকুরপাড়ে /জিয়ল গাছের বেড়ার ধারে/হোথায় হব বনবাসী –/কেউ কোত্থাও নেই।/ঐখানে ঝাউতলা জুড়ে বাঁধবো তোমার ছোট্ট কুঁড়ে,/শুকনো পাতা বিছিয়ে ঘরে/থাকব দুজনেই।”

কি বলবেন একে, মিথোম্যানিয়া নয়? রামায়ণ-ম্যানিয়া নয়! পারবেন তো এই শিকড়কে কেটে দিতে! আমার কিন্তু একজন রবীন্দ্রনাথ আছেন। আপনার?

ড. কল্যাণ চক্রবর্তী।

তথ্যপঞ্জিঃ
১. উজ্জ্বল মজুমদার ১৯৯৫ কবির অধ্যয়ন, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা, পৃ. ১৫-১৬, ১০৮
২. অরুণ কুমার বসু ২০০৬ কৃত্তিবাসী রামায়ণঃ রবীন্দ্র চেতনায় রবীন্দ্রভাষ্যে, পশ্চিমবঙ্গ, ৩৯(৭) ৬৭-৭৮
৩. সুকুমার রঞ্জন দত্ত ২০০১ কবি রবীন্দ্রনাথ ও ভারত সংস্কৃতি, সংস্কৃত পুস্তক ভাণ্ডার, কলকাতা, পৃ. ২৭৬-২৮৭

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.