বুধবার বিকেল ৪টে নাগাদ বিজেপির একটি প্রতিনিধি দল মেদিনীপুর শহরে জেলাশাসকের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে এই বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। তাঁদের মূল অভিযোগ, এসআইআর প্রক্রিয়ার নিয়মকে তোয়াক্কা না করে বহু ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষকে শুনানির (Hearing) জন্য ডেকে পাঠানো হচ্ছে, যেখানে আদতে তার কোনো প্রয়োজন নেই।
বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, প্রশাসনের এই খামখেয়ালি আচরণের ফলে সাধারণ মানুষ অকারণে সময় ও শ্রম ব্যয় করে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলার তরফে জানানো হয়েছে, প্রশাসন স্বচ্ছতা বজায় না রেখে একতরফাভাবে কাজ করছে।
রাজনৈতিক অভিসন্ধির আশঙ্কা
ডেপুটেশন জমা দেওয়ার পর বিজেপি জেলা নেতৃত্ব প্রশাসনের একাংশের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। তাঁদের দাবি:
- প্রক্রিয়াকে কালিমালিপ্ত করা: নির্বাচন কমিশন ও তার সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়াকে সাধারণ মানুষের চোখে বিতর্কিত করে তুলতেই পরিকল্পিতভাবে এই হয়রানি চালানো হচ্ছে।
- ভীতি প্রদর্শন: এসআইআর প্রক্রিয়াকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক ও বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে।
বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি
জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষপণ দাবি করে বিজেপি নেতারা জানিয়েছেন, যদি অবিলম্বে এই অপ্রয়োজনীয় শুনানি ও হেনস্থা বন্ধ না হয়, তবে তাঁরা বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটবেন। প্রশাসনের উচিত নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছভাবে কাজ করে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমানো।
তবে বিজেপির এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি বা প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

