গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নিয়ে আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছিলেন। এবার অধীর চৌধুরিকে কড়া ভাষায় চিঠি লিখে প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন সোমেন-পুত্র রোহন মিত্র। তবে পদ ছাড়লেও দল ছাড়ছেন না বলেই জানিয়েছেন তিনি।
রোহনকে বাঁকুড়ার পর্যবেক্ষক করা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর ক্ষোভ ছিল অধীরের বিরুদ্ধে। এমনকী, প্রথম দফায় সভাপতি পদ হারিয়ে ‘প্রতিহিংসাপরায়ন’ হয়ে ওঠেন অধীর বলে অভিযোগ রোহনের। তাঁর দাবি, রোহনের যুব কংগ্রেসের সভাপতি হওয়ার পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন অধীরই। ফলে তাঁর প্রদেশ কংগ্রেসের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর জল্পনা আগেই তৈরি হয়েছিল। এবার সেই জল্পনা সত্যি করেই ইস্তফা দিলেন রোহন।
তিন পাতার ইস্তফাপত্রে অধীর চৌধুরীর প্রদেশ কংগ্রেস পরিচালনা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন রোহন। অধীরের জমানায় যে বারবার তাঁকে অপমানিত করা হয়েছে, সে কথাও উল্লেখ করেছেন। পিতা সোমেন মিত্র প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি থাকা সত্ত্বেও যুব কংগ্রেসের নির্বাচনে কীভাবে হারানো হয়েছিল, তাও ক্ষোভের সঙ্গে সবিস্তারে লিখেছেন। ‘অধীরের ইগোই দলের বিপর্যয়ের কারণ’ দাবি করে ভবিয্যতেও তাঁর ডাকা কোনও বৈঠকে তিনি যাবেন না বলে জানিয়েছেন সোমেন-পুত্র।
তবে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পদের জন্য অধীরই যে যোগ্য, তাও স্পষ্ট জানিয়েছেন ইস্তফাপত্রে। চিঠিতে রোহনের দাবি, ‘অধীর চৌধুরী যোগ্য নেতা। কিন্তু যাঁদের নিয়ে চলছেন বা সংগঠন পরিচালনা করছেন, তাঁদের কোনও গ্রহণযোগ্যতা নেই। সেই কারণেই কংগ্রেসের এই হাল। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে হারের পরও কংগ্রেসকে নতুন করে সাজানোরও কোনও উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না’।