মুকুন্দপুরে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত পরিস্থিতি, আহত প্রাক্তন বিধায়ক হুমায়ুন কবীর ও নেত্রী উপাসনা চৌধুরী

মুকুন্দপুরে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত পরিস্থিতি, আহত প্রাক্তন বিধায়ক হুমায়ুন কবীর ও নেত্রী উপাসনা চৌধুরী

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল কংগ্রেস এবং ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) মধ্যে সংঘর্ষের জেরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল কলকাতার মুকুন্দপুর এলাকা। এই সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হয়েছেন তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক হুমায়ুন কবীর এবং দলের নেত্রী উপাসনা চৌধুরী। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সংঘর্ষের জেরে দুই তৃণমূল কর্মী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

দলীয় সূত্রের খবর, যাদবপুর এলাকায় তাঁদের বেশ কয়েকটি দলীয় কার্যালয় বিজেপি দখল করে নিয়েছে—এই অভিযোগ তুলেছে কালঘাটপন্থী তৃণমূল অংশটি। এর প্রতিবাদে মঙ্গলবার মুকুন্দপুর এলাকায় একটি বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করা হয়। সেই মিছিল চলাকালীনই বিজেপি কর্মীরা চড়াও হন বলে অভিযোগ, যার ফলে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ বেঁধে যায়।

ঘটনার পর অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের অফিসিয়াল ‘এক্স’ (অধুনা টুইটার) হ্যান্ডেল থেকে পোস্ট করে দাবি করা হয়েছে যে, ‘বিজেপির গুন্ডারা’ তাদের কর্মীদের ওপর কাপুরুষোচিত হামলা চালিয়েছে এবং এই হামলায় মহিলারাও রেহাই পাননি। এটিকে বিজেপির ‘রাজনৈতিক হিংসার স্বরূপ’ বলে তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে।

সংঘর্ষের ঘটনায় প্রাক্তন বিধায়ক হুমায়ুন কবীর আঘাত পান। কালীঘাটপন্থী তৃণমূল শিবিরের পক্ষ থেকে তাঁর জখম মুখের একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা হয়েছে। এছাড়া রাজ্যসভার সংসদ সদস্য ডেরেক ও’ব্রায়েন সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে জানান যে, মূলত কলকাতার ৭৮ এবং ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডে এই অপ্রীতিকর ঘটনাটি ঘটেছে। তিনি আরও অভিযোগ করেছেন যে, তৃণমূলের তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) বিভাগের প্রধান উপাসনা চৌধুরীর বাসভবনে হামলার পাশাপাশি তাঁর ব্যক্তিগত গাড়িতেও ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.