আসন্ন নির্বাচনকে পাখির চোখ করে ইস্যুভিত্তিক আন্দোলনে ঝাঁপাচ্ছে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। গত বৃহস্পতিবার রাজ্য বাজেট পেশ হওয়ার পর, কর্মসংস্থানের অভাবকে হাতিয়ার করে শনিবার তারকেশ্বরের চাঁপাডাঙ্গায় বড়সড় কর্মসূচিতে নামল ভারতীয় জনতা যুব মোর্চা। “চাকরি চায় বাংলা” স্লোগানকে সামনে রেখে এদিন পথচলতি শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীদের কাছ থেকে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করেন দলীয় কর্মীরা।
মাঠে নেমেছে যুব মোর্চা
ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা না হলেও শাসক ও বিরোধী—উভয় পক্ষই এখন জনসংযোগে ব্যস্ত। বিজেপির অভিযোগ, রাজ্যে শিক্ষিত যুবসমাজের জন্য পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ নেই। এই দাবিকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতেই এদিন চাঁপাডাঙ্গা মোড় সংলগ্ন এলাকায় গণস্বাক্ষর সংগ্রহ অভিযানের আয়োজন করা হয়। বহু পথচলতি সাধারণ মানুষকে উৎসাহের সঙ্গে এই কর্মসূচিতে স্বাক্ষর করতে দেখা যায়।
উপস্থিত নেতৃত্ব
এদিনের এই প্রতিবাদী কর্মসূচিতে জেলা ও স্থানীয় স্তরের একাধিক প্রথম সারির নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
- আরামবাগ সাংগঠনিক জেলার বিজেপির সহ-সভাপতি গণেশ চক্রবর্তী।
- তারকেশ্বর বিধানসভার কনভেনার রতন মণ্ডল।
- বিজেপি যুব মোর্চার বিভিন্ন স্তরের পদাধিকারী ও সদস্যরা।
বাজেট পরবর্তী রাজনৈতিক উত্তাপ
রাজনৈতিক মহলের মতে, রাজ্য সরকারের সাম্প্রতিক বাজেট পেশের ঠিক পরেই কর্মসংস্থান নিয়ে বিজেপির এই কর্মসূচি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। রাজ্য বাজেটে বেকারত্বের সমস্যা সমাধানে কোনো দিশা নেই—এই অভিযোগ তুলেই যুব মোর্চা সাধারণ মানুষের দুয়ারে পৌঁছানোর কৌশল নিয়েছে।
কর্মসূচি চলাকালীন বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করেন, রাজ্যের যুবসমাজ আজ দিশেহারা। যোগ্য প্রার্থী হওয়া সত্ত্বেও তাঁরা চাকরির বদলে রাস্তায় আন্দোলন করতে বাধ্য হচ্ছেন। তাই তাঁদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই ধরণের কর্মসূচি জেলাজুড়ে অব্যাহত থাকবে।

