টি২০ বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ালেও শাস্তির মুখে পড়ছে না বাংলাদেশ; আইসিসি-র বড় উপহার পাচ্ছে বিসিবি

টি২০ বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ালেও শাস্তির মুখে পড়ছে না বাংলাদেশ; আইসিসি-র বড় উপহার পাচ্ছে বিসিবি

নিরাপত্তার কারণ দর্শিয়ে ভারতে আসন্ন টি২০ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। তাদের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে সুযোগ করে দিয়েছে আইসিসি। তবে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থার টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ালেও কোনো প্রকার শাস্তির মুখে পড়তে হচ্ছে না বাংলাদেশকে। উল্টো সে দেশে পরবর্তী পাঁচ বছরের মধ্যে একটি বড় আইসিসি টুর্নামেন্ট আয়োজনের প্রতিশ্রুতি মিলেছে। সোমবার রাতে এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে আইসিসি।

শাস্তি নয়, বরং সমঝোতার পথে আইসিসি

রবিবার লাহোরে আইসিসি কর্তাদের সঙ্গে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের শীর্ষকর্তাদের একটি ত্রিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বাংলাদেশ দাবি জানিয়েছিল যে, টুর্নামেন্ট থেকে নাম প্রত্যাহার করার জন্য তাদের যেন কোনো আর্থিক, ক্রীড়ামূলক বা প্রশাসনিক শাস্তির আওতায় না আনা হয়। আইসিসি সেই দাবি মেনে নিয়েছে। বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সদস্য দেশগুলোর প্রতি নিরপেক্ষতা ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে বাংলাদেশকে শাস্তির বদলে সমর্থন জোগানো হবে।

২০৩১-এর আগে বাংলাদেশে আইসিসি টুর্নামেন্ট

বাংলাদেশকে শান্ত করতে আইসিসি বড় একটি ঘোষণা করেছে। আগামী ২০৩১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগেই বাংলাদেশে একটি বড় আইসিসি প্রতিযোগিতা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আইসিসি-র বিশ্বাস, বড় ইভেন্ট সফলভাবে আয়োজন করার পূর্ণ দক্ষতা বাংলাদেশের রয়েছে।

আইসিসি-র সিদ্ধান্তের মূল বিষয়গুলো:

  • কোনো জরিমানা নেই: আর্থিক বা ক্রীড়াগত কোনো শাস্তির মুখে পড়ছে না বিসিবি।
  • ভবিষ্যৎ টুর্নামেন্ট: ২০৩১ সালের মধ্যে একটি বড় আইসিসি টুর্নামেন্ট আয়োজন করবে বাংলাদেশ।
  • সহযোগিতার আশ্বাস: বাংলাদেশের ক্রিকেটের উন্নয়নে নিবিড়ভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি।

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের জট কাটাতে বাংলাদেশের ভূমিকা

বিস্ময়করভাবে, ভারত বনাম পাকিস্তান ম্যাচের জট কাটাতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নিয়েছে বাংলাদেশ। ভারত যাতে পাকিস্তানে গিয়ে ম্যাচ খেলে, সেই জন্য খোদ বাংলাদেশই পাকিস্তানকে অনুরোধ করেছে। এর ফলে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির হাই-ভোল্টেজ ভারত-পাকিস্তান ম্যাচটি হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই প্রবল হয়েছে। বিসিবি প্রধান আমিনুল হকের এই উদ্যোগের জন্য পাকিস্তান বোর্ডের প্রধান মহসিন নকভি তাঁকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন।

আইসিসি-র মুখ্য কর্তা সংযোগ গুপ্ত বলেন, “টি২০ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ না থাকায় আক্ষেপ থেকে যাচ্ছে। তবে ক্রিকেটীয় শক্তি হিসেবে বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে আমাদের দায়বদ্ধতা অটুট। আমরা তাদের সঙ্গে একযোগে কাজ করতে চাই।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.