ফলে ভয় নেই। যেদিন থেকে শুরু হওয়ার কথা সেদিন থেকেই লাগু না হয়ে যদি পরেও শুরু হয় বেতন কমিশন, তাহলেও কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের ও পেনশনারদের হারানোর কিছু নেই। তা এফেক্টিভ হবে ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকেই।
2/7
১২ থেকে ২৪ মাসের

সেক্ষেত্রে এটা প্রত্যাশিত যে, এরিয়ারের হিসেব কষা হবে, এ বছরের ১ জানুয়ারি থেকেই। হিসেব চলবে যেদিন অষ্টম বেতন কমিশন লাগু হবে, সেদিন পর্যন্ত। ধরা যাক, সরকার ঘোষণা করল, কিন্তু তা লাগু হল ২০২৭ সালে। তাহলে ১২ থেকে ২৪ মাসের এরিয়ার হিসেব করে দিয়ে দেওয়া হবে। আর সেক্ষেত্রে সেটা একটা বিপুল অ্যামাউন্টে গিয়ে দাঁড়াবে।
3/7
ডিলে পিরিয়ডের হিসেব

কী ভাবে হিসেবটা হবে? ফিটমেন্ট ফ্যাক্টরকে মাথায় রেখে বেসিক পে-টার রিভাইসড অ্যামাউন্টের উপর হিসেবটা হবে। ডিএ রিক্যালকুলেট করা হবে। রিভাইসড বেসিক পে-র উপর হবে এইচআরএ-এর হিসেবও। এসব করে পুরনো বেতন ও নতুন বেতনের মধ্যে যে ফারাকটা দাঁড়াবে, সেটাই প্রতি মাসের হিসেবে জমবে। গোটা ডিলে পিরিয়ডের হিসেব কষে এটা দেওয়া হবে।
4/7
পেনশনারদের

পেনশনারদের ক্ষেত্রেও বিষয়টা তেমন। রিভাইজড বেসিক পেনশন, আর পুরনো মাসিক পেনশনের মধ্যে যে ফারাক, তা হিসেব কষেই দেওয়া হবে তাঁদের। ডিএ থাকবে।
5/7
দৃষ্টান্ত

একটা উদাহরণ দেওয়া যাক। অষ্টম পে কমিশন ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এফেক্টিভ হওয়ার কথা। কিন্তু হল ২০২৭ সালের জুলাইতে। ফলে ১৮ মাসের এরিয়ার মিলবে।
6/7
প্রায় ১০ লাখ

কোনও কর্মীর এখন বেসিক পে হয়তো ৩৫৪০০ টাকা। ফিটমেট ফ্যাক্টর ৩.০০। ফলে রিভাইজড বেসিক পে হবে ১ লক্ষ ৬ হাজার ২০০ টাকা। পুরো মাইনে হয়তো ছিল ৫৩১০০ টাকা, নতুন বেতন হবে ১ লক্ষ ৬ হাজার ২০০ টাকা। ফারাক ৫৩১০০ টাকা। এবার ১৮ মাস ধরে এই টাকাটা জমবে। ফলে সেটা দাঁড়াবে ৯.৬ লক্ষ টাকার বিপুল একটা অঙ্কে।
7/7
বিপুল অঙ্ক


