রাজ্যে এখনই কমছে না কনকনে ঠান্ডা। কলকাতায় তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও উত্তর থেকে দক্ষিণের জেলাগুলিতে হাড়কাঁপানো ঠান্ডা রয়েছে এখনও। আলিপুর আবহাওয়া দফতর বলছে, আগামী সাত দিন গোটা রাজ্যেই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হেরফের হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে রাজ্য জুড়ে থাকবে কুয়াশার দাপট। দক্ষিণের জেলাগুলিতে দৃশ্যমানতা নামতে পারে ২০০ মিটারে। উত্তরের চার জেলায় ৫০ মিটারে দৃশ্যমানতা নামতে পারে।
আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী সাত দিন রাজ্যের সব জেলায় সর্বনিম্ন বা রাতের তাপমাত্রার হেরফের হবে না। আগামী শুক্রবার পর্যন্ত কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করবে ১১ থেকে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। রাজ্যের পশ্চিমে শ্রীনিকেতন, শান্তিনিকেতন, বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ৭ থেকে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। মুর্শিদাবাদে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে থাকবে। উত্তরে দার্জিলিঙে রাতের তাপমাত্রা থাকবে ২ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। জলপাইগুড়িতে ৭ থেকে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে থাকবে রাতের তাপমাত্রা। অর্থাৎ রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণ সর্বত্রই জাঁকিয়ে থাকবে ঠান্ডা।
দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত কুয়াশার দাপট থাকবে। জেলাগুলিতে ভোরের দিকে দৃশ্যমানতা নামতে পারে ৯৯৯ থেকে ২০০ মিটারে। তবে কোথাও সতর্কতা জারি করার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত ভোরের দিকে দৃশ্যমানতা নামতে পারে ৯৯৯ থেকে ২০০ মিটারে। শনিবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুরে দৃশ্যমানতা নামতে পারে ১৯৯ থেকে ৫০ মিটারে। ওই চার জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের উপর যে নিম্নচাপটি ছিল, তা বৃহস্পতিবারই ঘনীভূত হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। ঘণ্টায় ১০ কিলোমিটার বেগে তা এগিয়েছে উত্তর-পশ্চিম দিকে। দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরের উপর দিয়ে আরও উত্তর-পশ্চিমে এগিয়ে শুক্রবার সন্ধ্যার মধ্যে গভীর নিম্নচাপটি শ্রীলঙ্কার উপকূল দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করবে। এর সরাসরি কোনও প্রভাব পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়ার উপর পড়ছে না। রাজ্যে উত্তুরে হাওয়া অবাধে প্রবেশ করছে। আপাতত সর্বত্রই শুকনো আবহাওয়া থাকবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

