“কাশ্মীর”

“কাশ্মীর” নামটি এসেছে কাশ্যপ মুনির নাম থেকে। যাঁকে পুরাণে বলা হচ্ছে ব্রহ্মার পুত্র। মাইথলজিক্যাল কাহিনিতে আছে~ওই প্রাচীন উপত্যকায় বিশাল একটি হ্রদ ছিল।সতীসার বা পার্বতীসাগর। সেই জলাশয়ে এক দৈত্যের আবির্ভাব ঘটে। পরিত্রাণে কাশ্যপ মুনি দীর্ঘ তপস্যা করে হিমালয়ের কোলে গড়ে ওঠা ওই মনোরম উপত্যকাকে রক্ষা করেন। তাঁর হাতে নবজীবন লাভ করেছিলRead More →

গান্ধী হত্যা ও ভারতের বুকে আর এস এস-এর হিদুত্বকে বাঁচিয়ে রাখার লড়াই

গান্ধী হত্যার পর ১৯৪৮-৪৯ এ সঙ্ঘের (আর এস এস) উপর যে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছিল, তা ওঠার পর শ্রী একনাথ রানাডে কলকাতায় এসেছিলেন আর এস এসের পূর্ব ক্ষেত্রের ক্ষেত্রীয় প্রচারক হয়ে। কিন্তু ১৯৫০-শেই পূর্ব পাকিস্তানে শুরু হল ভয়ংকর হিন্দু নিধন। লাখে লাখে উদ্বাস্তু আসতে লাগল। এদের বেশিরভাগই নমঃশূদ্র ও অন্যান্য অনগ্রসরRead More →

ভারত আর হিন্দুদের বদনাম করার অভিযোগ তুলে নেটফ্লিক্স (Netflix) এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হল। শিবসেনা (Shiv Sena) আইটি সেলের সদস্য রমেশ সোলাঙ্কি নেটফ্লিক্স এর বিরুদ্ধে এফআইআর (FIR) দায়ের করেন। মুম্বাই এলটি মার্গ পুলিশ স্টেশনে দায়ের করা অভিযোগে রমেশ সোলাঙ্কি ‘সেক্রেড গেমস, লেয়লা, ঘোল” সমেত স্ট্যান্ডআপ কমেডিয়ান হাসান মিনহাজ বিরুদ্ধেRead More →

হিন্দু সমাজের জন্য সুখবর: বহু দলিত কর্মের ভিত্তিতে হচ্ছেন ব্রাহ্মণ! জাতি জন্মের ভিত্তিতে নয়, কর্মের ভিত্তিতে হয়।

ভারতীয় গ্রন্থগুলিতে বিদেশী শক্তি ও দেশী লোভী ব্যাক্তিরা অনেক ভেজাল ঢুকিয়ে দিয়েছে। যার সাহায্যে তারা হিন্দু ধর্মের বিরুদ্ধে বহু ভুল ধারণা ছড়িয়ে দিয়েছে। এর মধ্যে সবথেকে বড় ভ্রান্তি হলো কারোর জাতি তার জন্ম থেকে হয়। একইসাথে উঁচু জাতি, নীচু জাতির ধারনাও একেবারে অর্থহীন। যদিও আসলে জাতি জন্ম নয় কর্মের উপরRead More →

ভারতের অভিযোগের জের, ২০০টি পাকিস্তানি ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট সাসপেণ্ড

হুঁশিয়ার করেছিল ভারত৷ বলা হয়েছিল, ভারত বিরোধী কথা বলা হলে, কাশ্মীর নিয়ে ভুল তথ্য বা উস্কানিমূলক বার্তা দেওয়া হলে, তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷ সেই মর্মে মাইক্রো ব্লগিং সাইট ট্যুইটারের কাছে বেশ কয়েকটি অ্যাকাউন্ট নিয়ে নালিশও জানানো হয়৷ প্রাথমিকভাবে ৭-৮টি ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়ার পরে, এবার আরও কড়াRead More →

কট্টরপন্থীদের হাতে কাশ্মীরে ধ্বংস হয়ে যাওয়া মন্দির গুলোর পুনর্নির্মাণের দায়িত্ব নেবে সরকার

জম্মু কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে দেওয়ার পর অখিল ভারতীয় সন্ত সমিতি আর বিশ্ব হিন্দু পরিষদ রাজ্যে ৪৩৫ টি ভেঙে ফেলা মন্দিরের পুনর্নির্মাণের দাবি তোলে। সন্ত সমিতির মহাসচিব স্বামী জিতেন্দ্রনন্দ সরস্বতী এবং বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কার্যকারী সভাপতি অলোক কুমার বলেন, সরকার এই মন্দির গুলোর পুনর্নির্মাণের সাথে সাথে এগুলোকে যারা ভেঙেRead More →

হালাল না ঝটকা: বিজ্ঞান কি বলে?

মানুষের খাদ্য সরবরাহের জন্য পশুনিধনকে আইনের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত করার প্রয়াস সমস্ত পৃথিবীতেই প্রচলিত। এর কারণ মূলত দ্বিবিধ। প্রথমতঃ পশুনিধন প্রক্রিয়াটিকে যতটা সম্ভব মানবিক (humane) দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে করা,  দ্বিতীয়তঃ, পরিবেশকে পরিচ্ছন্ন এবং দূষণমুক্ত রাখা। যেটা গুরুত্বপূর্ণ তা হল, আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র [1, 2], বৃটেন [3] এবং ভারতের [4] মত গণতান্ত্রিক দেশসমেত বহুRead More →

পাকিস্তানের এই মন্দিরের পুকুর শিবের চোখের জলে তৈরি

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে রয়েছে শিব মন্দির৷ এই সমস্ত মন্দিরগুলিকে ঘিরেই রয়েছে নানা অজানা কাহিনী৷ তেমনই পাকিস্তানের এক শিব মন্দিরকে ঘিরেও রয়েছে রহস্যজনক একটি কাহিনী৷ কথিত আছে, এই মন্দিরের সামনের পুকুরে নাকি শিব ঠাকুরের চোখের জলেই তৈরি৷ এই মন্দিরটির নাম কাটাসরাজ মন্দির৷ এছাড়াও এই পুকুরের চারপাশে রয়েছে আরও সাতটি মন্দির৷ পাকRead More →

আনন্দবাজার পত্রিকায় ৩৭০ ধারা ও বিজেপির ভূমিকা নিয়ে সদ্য প্রকাশিত ভিত্তিহীন প্রতিবেদনের প্রতিবাদে কলম ধরলেন লেখক

হিন্দু জাতীয়তাবাদের পুনরুত্থানের সময়কার বোদ্ধাদের মুখগুলো একবার স্মরণ করুন, স্বামী বিবেকানন্দ, ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র, সিস্টার নিবেদিতা, শ্রীঅরবিন্দ থেকে নিয়ে ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, রমেশচন্দ্র মজুমদার, ডঃ মেঘনাদ সাহা, ডঃ সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়, স্যার যদুনাথ সরকার পর্য্যন্ত, দেখবেন এক অবিচ্ছেদ্য বহমান বৌদ্ধিক ধারাবাহিকতা। হিন্দু জাতীয়তাবাদের আঁচ এই বাংলার বুক থেকেই ছড়িয়ে পড়েছিল দিকেRead More →

মাত্র ২৫ বছর বয়সেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হয়েছিলেন সুষমা

ভারতীয় রাজনীতিতে শোকের ছায়া৷ মঙ্গলবার রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ৷ গত কয়েক মাস ধরেই অসুস্থ ছিলেন তিনি৷ যার ফলে লোকসভা নির্বাচনে লড়তেও চাননি তিনি৷ গত মাসে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কার্য্যানুষ্ঠানে তাঁকে দেখা যায়৷ মঙ্গলবার দিল্লির এইমসে প্রয়াত হন তিনি৷ ভারতের এই জননেত্রীর মুকুটেRead More →