জন্মাষ্টমীতে বংশী নয়, সুদর্শন চক্র হাতে ভগবানকে দেখতে চান আজকের প্রজন্ম

সুদর্শনে গোপাল-গোবিন্দ ।কবি বলছেন “মানুষই দেবতা গড়ে/তাহারই কৃপার ‘পরে/করে দেব মহিমা নির্ভর।” জন্মাষ্টমীতে বংশীধারী কৃষ্ণকে প্রদর্শন করে আমরা শক্তি হারিয়েছি। বাঁশির-রূপে বাঙালিকে জারিত করেছে কে? মধ্যযুগীয় বিদেশি শাসনের পৃষ্ঠপোষকতায় হিন্দু প্রবুদ্ধজন, কবি ব্যক্তিত্ব। তারপর এল কথক ঠাকুরের কারুকাজ; পরিবর্তন এল পালাগান, কীর্তন, শিল্প সংস্কৃতিতে— ধীরে ধীরে জারিত হয়ে শ্রীকৃষ্ণ উপস্থাপিতRead More →

ছোটোবেলার রাখী-মরশুম

তখনই জেনেছিলাম রাখীফুলের কথা। যে বাড়িতে ঝুমকোলতার ফুল ফোটে ভাইবোনকে হাত ধরে সেই বিকেলেই নিয়ে যায় দিদি। বেড়ার উপর ঝুমকোলতার ছড়ানো সবুজ চাদর, মাঝেমাঝে উঁকি মারছে এক একটি স্বর্গের ফুল, ভারী মিষ্টি তার গন্ধ। “ফুলগুলি যেন কথা,/ পাতাগুলি যেন চারি দিকে তার/ পুঞ্জিত নীরবতা॥” আগ্রহে, উৎসাহে, আতিশয্যে ফুল নেড়েচেড়ে দেখতে গিয়েRead More →

রাষ্ট্রগুরুর প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধা — ভারতীয় ডাকটিকিটে সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপা

রাষ্ট্রগুরু সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় (১০ ই নভেম্বর, ১৮৪৮ — ৬ ই আগষ্ট, ১৯২৫) ভারতীয় জাতীয়তাবাদের অন্যতম উদগাতা। সুরেন্দ্রনাথ কলকাতার তারাতলায় জন্মগ্রহণ করলেও ১৮৮০ খ্রীস্টাব্দ নাগাদ পৈতৃকবাড়ি বারাকপুরের মণিরামপুরে বসবাস শুরু করেন। সুরেন্দ্রনাথ মনিরামপুরের বাড়িতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ১৯২৫ সালে মহাত্মা গান্ধী দুইবার মণিরামপুরের বাড়িতে আসেন, ৬ ই মে এবং পরেRead More →

মঙ্গল পাণ্ডেকে নিয়ে ডাকটিকিট

১০-০৫-১৯৮৪ তারিখে ”India’s struggle for freedom” শিরোনামে চারজন সংগ্রামীকে স্মরণ করে চারটে ডাকটিকিট প্রকাশিত হয়, তার অন্যতম মঙ্গল পাণ্ডে, মূল্যমান ৫০ পয়সা। তিনি ১৮৫৭ সালে সংঘটিত স্বাধীনতার প্রথম যুদ্ধের দামামা বাজিয়ে দিয়েছিলেন বঙ্গদেশে বাস করেই। কলিকাতার উপকন্ঠে উত্তর চব্বিশ পরগণা জেলার অন্তর্গত ব্যারাকপুর একটি মহকুমা শহর। উত্তরে কাঁচড়াপাড়া থেকে দক্ষিণেRead More →

মাতঙ্গিনী হাজরাকে নিয়ে ডাকটিকিট

ভারতীয় ডাকবিভাগ ১৭-১২-২০০২ তারিখে ৫০০ পয়সার মূল্যমানে স্বাধীনতা সংগ্রামে অটল এবং নিবেদিত-প্রাণ তেজস্বিনী বৃদ্ধা, তমলুকবাসী মাতঙ্গিনী হাজরার স্মরণে একটি ডাকটিকিট প্রকাশ করে। ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে এবং পরবর্তীকালে দেশভক্তির পবিত্রতায় তিনি এক প্রেরণাদায়ী মাতৃশক্তিতে অধিষ্ঠিত হলেন। ১৯৪২ সালের আগষ্ট মাস। ভারতছাড়ো আন্দোলন শুরু হল। ইংরেজকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করার ডাক দিলেনRead More →

ক্যারিশ্মা ও ব্যক্তিপূজা বাদ দিয়ে সংগঠন জোরদার করতে হয়। আজ (২৩ শে জুলাই) ভারতীয় মজদুর সঙ্ঘ (BMS) -র প্রতিষ্ঠা দিবস।

হরিদ্বারে BMS-এর প্রথম ওয়ার্কিং কমিটির মিটিং হচ্ছে। সেখানে দু’টি বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। প্রথম, কোনো নেতার নামে জয়জয়কার করা হবে না। দ্বিতীয়, BMS-এর কোনো সদস্য বা নেতার জন্মদিন পালন হবে না। এরপর উদয়পুরে BMS-এর এক অধিবেশনে গেলেন ঠেংড়ীজী। সেখানকার কার্যকর্তা তাঁকে অত্যন্ত যত্ন করলেন। স্টেজে সেই কার্যকর্তার সঙ্গে উপস্থিত হলেন,Read More →

বাংলার সর্পবৈচিত্র্য ও সর্প দেবী মনসা

অন্নদামঙ্গল কাব্যে সর্পবৈচিত্র্যের প্রসঙ্গ উত্থাপিত হয়েছে, “কেউটে খরিশ কালী গোখুরা ময়াল।/ বোড়া চিতি শঙ্খচূড় সূঁচে ব্রহ্মজাল।।/শাঁখিনী চামর কোষা সূতার সঞ্চার।/খঁড়ীচোঁচ অজগর বিষের ভান্ডার।।/তক্ষক উদয়কাল ডারাশ কানাড়া।/লাউডগা কাউশর কুয়ে বেতাছাড়া।।/ছাতাড়ে শীয়রচাঁদা নানাজাতি বোড়া।/ঢেমনা মেটিলী পুঁয়ে হেলে চিতী ঢোঁড়া।।/বিছা বিছুপিঁপিড়া প্রভৃতি বিষধর।/সৃষ্টিহেতু জোড়ে জোড়ে গড়িল বিস্তর।।” এখানে কোবরা গ্রুপের কেউটে (Indian Cobra),Read More →

রথের দিনে ‘রাধারাণী’-র খোঁজ আজও করি।

ছোটোবেলায় এক রথের দুপুরে ‘রাধারাণী’ উপন্যাস-টি পড়েছিলাম। শ্রীরামপুরের রথের মেলা। রাধারাণীর মা ঘোরতর পীড়িতা। কায়িক পরিশ্রম-জনিত উপার্জন বন্ধ। আহার চলে না। মা রুগ্না, তাই উপবাস; রাধারাণীর আহার জুটলো না বলে উপবাস।রথের দিন মা একটু সুস্থ হল, পথ্যের প্রয়োজন, কিন্তু পথ্য কোথায়? বঙ্কিমচন্দ্র লিখছেন, “রাধারাণী কাঁদিতে কাঁদিতে কতকগুলি বনফুল তুলিয়া তাহারRead More →

বিস্মৃত ইতিহাস! খড়দায় এসেছিলেন শ্যামাপ্রসাদ, রহড়া বালকাশ্রমে হিন্দুমহাসভারও দান আছে

আমাদের ভারত, ১৯ ডিসেম্বর: ১৯৪৪ সালের ১লা সেপ্টেম্বর ৩৭ জন বালক-নারায়ণকে নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় রহড়া রামকৃষ্ণ মিশন বালকাশ্রম। তার একমাস আগে ১৬ আগষ্ট ঠাকুর-মা-স্বামীজির পূজা ও হোমের মাধ্যমে আশ্রমের কাজ শুরু হয়ে যায়। রহড়া বালকাশ্রমের প্রথম কর্মসচিব স্বামী পুণ্যানন্দজী মহারাজ। তাঁর সঙ্গে নিখিল ভারত হিন্দু মহাসভার কার্যকরী সভাপতি ড. শ্যামাপ্রসাদRead More →

প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধা — ডাক্তার নীলরতন সরকার

ইংরেজিতে পদবীর বানান লিখতেন Sircar। খ্যাতনামা ডাক্তার ছিলেন, ছিলেন শিক্ষাবিদ৷ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসাবেও তাঁর অধিষ্ঠান (১৯১৯-১৯২১), শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর সঙ্গেও ছিল ঘনিষ্ঠতা। একসময় কলকাতার একটি স্কুলে শিক্ষকতা করেছিলেন, সেই স্কুলে সহকর্মী হিসাবে পেয়েছিলেন নরেন্দ্রনাথ দত্তকে, পরে যিনি স্বামী বিবেকানন্দ। তাঁর মৃত্যুর (১৮/০৫/১৯৪৩) কয়েক বছর পর ১৯৪৮ সালে তাঁর নামে NRSRead More →