জয় দিয়েই প্যারিস মাস্টার্সের অভিযান শুরু করলেন নোভাক জোকোভিচ। রাউন্ড অফ ৬৪-তে প্রথম সেটে পিছিয়ে পড়েও মোনাকোর ভ্যালেন্টিন ভ্যাশেরটকে হারিয়ে পরের রাউন্ডে উঠলেন সার্বিয়ার তারকা। এই জয়ের সঙ্গে সঙ্গেই প্রতিযোগিতার ইতিহাসে একাধিক নজির গড়লেন ২৪টি গ্র্যান্ড স্ল্যামের মালিক।
প্যারিস মাস্টার্সের প্রথম ম্যাচে শুরুটা অবশ্য ভাল হয়নি জোকোভিচের। টাইব্রেকারে প্রথম সেট হারতে হয় তাঁকে। তবে দ্বিতীয় সেটে ঘুরে দাঁড়িয়ে ম্যাচে সমতা ফেরান তিনি। শেষ সেটে প্রতিপক্ষকে কার্যত উড়িয়ে দিয়ে ৬-৭, ৭-৫, ৬-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেন সার্বীয় তারকা। রাউন্ড অফ ৩২-এ তাঁর প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়ার রিঙ্কি হিজিকাতা।
এই জয়ের ফলে প্যারিস মাস্টার্সে ম্যাচ জেতা প্রবীণতম খেলোয়াড়ের রেকর্ড গড়েছেন জোকোভিচ। ম্যাচ জয়ের সময় তাঁর বয়স ছিল ৩৯ বছর ১৬৪ দিন। এর আগে এই রেকর্ড ছিল আমেরিকার প্রাক্তন টেনিস তারকা জিমি কোনর্সের দখলে। ১৯৯১ সালে ৩৯ বছর ৫৬ দিন বয়সে এই প্রতিযোগিতায় ম্যাচ জিতেছিলেন তিনি। ৩৫ বছর পর কোনর্সের সেই নজির ভেঙে দিলেন জোকোভিচ।
শুধু ম্যাচ জেতাই নয়, প্যারিস মাস্টার্সে অংশ নেওয়া প্রবীণতম খেলোয়াড়ের রেকর্ডও গড়েছেন তিনি। এই নজিরও আগে কোনর্সের দখলে ছিল। পাশাপাশি, প্রতিযোগিতার ইতিহাসে সবচেয়ে সফল খেলোয়াড় জোকোভিচই। এখনও পর্যন্ত সাত বার প্যারিস মাস্টার্সের খেতাব জিতেছেন তিনি। এই প্রতিযোগিতায় ৫২টি ম্যাচ খেলে অংশগ্রহণের নিরিখেও শীর্ষে রয়েছেন সার্বীয় তারকা। দ্বিতীয় স্থানে থাকা বিয়র্ন বর্গ খেলেছেন ২৯টি ম্যাচ।
২০২৩ সালে শেষ বার প্যারিস মাস্টার্সের খেতাব জিতেছিলেন জোকোভিচ। সে বার ৩৬ বছর ১৬১ দিন বয়সে চ্যাম্পিয়ন হয়ে প্রতিযোগিতার ইতিহাসে প্রবীণতম চ্যাম্পিয়ন হওয়ার নজির গড়েন তিনি। এ বারও সেই সাফল্যের পুনরাবৃত্তি করাই লক্ষ্য ২৪টি গ্র্যান্ড স্ল্যামের মালিকের।
২৫তম গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের লক্ষ্যেও এখনও কোর্টে নেমে পড়ছেন জোকোভিচ। ২০২৩ সালের পর থেকে আর কোনও মেজর খেতাব জিততে পারেননি তিনি। তবে এখনও অবসরের কথা ভাবছেন না সার্বিয়ার এই টেনিস তারকা।

