এ বছরের দুর্গাপুজোতেও পশ্চিমবঙ্গে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বেলুড় মঠ দর্শনের পাশাপাশি কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকার একাধিক পুজোমণ্ডপ ঘুরে দেখবেন তিনি। তাঁর সফরসূচিতে রয়েছে চেতলার ২৪ পল্লি, বালির দেশবন্ধু ক্লাব এবং শোভাবাজার রাজবাড়িও।
এ বার দুর্গাপুজোয় সপ্তমী পড়েছে দু’দিন— ১৭ ও ১৮ অক্টোবর। প্রথম সপ্তমীর সন্ধ্যার পর আমদাবাদ থেকে কলকাতার বিমানে উঠবেন অমিত শাহ। রাত ৮টা নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে নামার কথা তাঁর। সেখান থেকে সরাসরি আলিপুরের ‘সৌজন্য’ অতিথিশালায় যাবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেখানেই তাঁর রাত্রিবাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পরের দিন, অর্থাৎ ১৮ অক্টোবর, দিনভর বিভিন্ন পুজোমণ্ডপ পরিদর্শন করবেন তিনি।
সূত্রের খবর, দ্বিতীয় সপ্তমীর সকালে ‘সৌজন্য’ থেকে সরাসরি বেলুড় মঠে যাবেন শাহ। সেখানে বেশ কিছুটা সময় কাটানোর কথা তাঁর। বেলুড় মঠ থেকে বেরিয়ে বালির দেশবন্ধু ক্লাবের পুজোমণ্ডপে যাবেন তিনি। সেখান থেকে ফিরে আসবেন অতিথিশালায়।
এর পর অতিথিশালা থেকে চেতলার ২৪ পল্লির পুজোমণ্ডপে যাবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেখান থেকে তাঁর গন্তব্য শোভাবাজার রাজবাড়ি। রাজবাড়িতে কিছুটা সময় কাটানোর পাশাপাশি পুজো ও আরতি দেখবেন শাহ। এর পরে তিনি যাবেন শ্রীভূমির পুজোমণ্ডপে। সেখান থেকে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছে দ্বিতীয় সপ্তমীতেই দিল্লি ফিরে যাওয়ার কথা তাঁর।
পালাবদলের পর প্রথম দুর্গাপুজো, বাংলায় শাহের সফর ঘিরে আগ্রহ
রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দুর্গাপুজোর সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ওই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আসতে পারেন বলে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি আসেননি। নবান্ন সূত্রে অবশ্য খবর ছিল, পুজোর মধ্যেই বাংলায় আসতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এ বার তাঁর সফরসূচি সামনে এল।
গত বছরও দুর্গাপুজোর সময়ে পশ্চিমবঙ্গে এসেছিলেন শাহ। সে বার তিনি সজল ঘোষের সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজোমণ্ডপে গিয়েছিলেন। পাশাপাশি সল্টলেকের ইজ়েডসিসি-তে গিয়ে একটি পুজোমণ্ডপের উদ্বোধনও করেছিলেন। তবে এ বার তাঁর সফরসূচিতে সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার কিংবা ইজ়েডসিসি— কোনওটিই নেই।

