আসন্ন নিউ জ়িল্যান্ড সফরে তিন ফরম্যাটের সিরিজ় খেলতে নামছে ভারতীয় দল। তবে এই সিরিজের এক দিনের ম্যাচগুলি নিয়ে বিশেষভাবে সতর্ক কিউয়ি শিবির। কারণ সীমিত ওভারের এই ফরম্যাটে মাঠে নামবেন অভিজ্ঞ ব্যাটার রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলি। দুই মহাতারকার ফর্ম এবং অতীতে নিউ জ়িল্যান্ডের পিচে তাঁদের সফল রেকর্ড মাথায় রেখেই এখন থেকেই দুশ্চিন্তায় রয়েছে স্বাগতিক দল। কিউয়ি অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এই দুই তারকাকে আটকানোই তাঁদের দলের প্রধান লক্ষ্য।
আগামী ৪ নভেম্বর সিরিজের প্রথম এক দিনের ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তার আগেই এক সাক্ষাৎকারে স্যান্টনার বলেন, “একটি কঠিন সিরিজ় আমাদের সামনে অপেক্ষা করছে। দীর্ঘ দিন ধরে আমরা দেখেছি ওঁরা দু’জন কত বড় মাপের ক্রিকেটার এবং এক দিনের ক্রিকেটে কেমন দাপট দেখিয়েছেন। অতীতে নিউ জ়িল্যান্ডের পিচগুলি ওঁদের বেশ পসন্দ হয়েছে। আশা করব এ বার যেন তার পুনরাবৃত্তি না হয়।”
২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে এই সিরিজ়কে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছে নিউ জ়িল্যান্ড। ঘরের মাঠে ভারতকে হারানোর ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী স্যান্টনার আরও জানান, এই পাঁচ ম্যাচের লড়াইয়ের পর তাঁদের শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সিরিজ় রয়েছে। তবে সবার আগে টিম ইন্ডিয়াকে ঘরের মাঠে পরাস্ত করতে পারলে তা দলের মনোবল অনেকটাই বাড়িয়ে দেবে। আগামী বছরের অক্টোবর মাসের মধ্যে দলটিকে চূড়ান্ত রূপ দেওয়ার লক্ষ্যেই এই সিরিজ়গুলিকে দেখছে কিউয়ি ম্যানেজমেন্ট।
ভারতীয় দলের শক্তিমত্তা নিয়ে বলতে গিয়ে স্যান্টনার প্রশংসার সুরে বলেন, বর্তমান ভারতীয় দলটিতে দারুণ ভারসাম্য রয়েছে। জসপ্রীত বুমরাহের নেতৃত্বাধীন পেস আক্রমণে মহম্মদ সিরাজ ও প্রসিদ্ধ কৃষ্ণের পাশাপাশি স্পিন বিভাগে রবীন্দ্র জাডেজা ও মানব সুতারের মতো বোলাররা রয়েছেন। তবে কিউয়ি অধিনায়কের মতে, বেশ কয়েকজন তরুণ ভারতীয় ক্রিকেটার এই প্রথম নিউ জ়িল্যান্ডের কন্ডিশনে খেলতে আসায় বাড়তি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বেন। বিদেশি পিচে নিজেদের প্রমাণ করার তাগিদ তাঁদের মধ্যে বেশি থাকলেও, দ্রুত কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে ঘরের মাঠে জয় ছিনিয়ে নেওয়াই তাঁদের মূল লক্ষ্য।

