সোমবার রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে আইপিএল ২০২৬ অভিযান শুরু করছে চেন্নাই সুপার কিংস (CSK)। কিন্তু মাঠের লড়াই শুরুর আগেই মাঠের বাইরের চোটে দিশেহারা মহেন্দ্র সিং ধোনির দল। অধিনায়ক ধোনির পর এবার দলের তরুণ তুর্কি ডেওয়াল্ড ব্রেভিসও চোটের কবলে পড়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
ব্রেভিসের চোট ও অনুপস্থিতি
ক্রীড়া মাধ্যম ‘রেভস্পোর্টজ়’-এর খবর অনুযায়ী, দক্ষিণ আফ্রিকার তরুণ ব্যাটার ডেওয়াল্ড ব্রেভিসের পেশিতে টান (Muscle Strain) লেগেছে। এর ফলে টুর্নামেন্টের প্রথম দু’-তিনটি ম্যাচে তাঁকে পাবে না সিএসকে। গত মরসুমের মাঝামাঝি দলে যোগ দিয়ে দুর্দান্ত পারফর্ম করায় এবার তাঁকে ধরে রেখেছিল চেন্নাই কর্তৃপক্ষ। মাঠের চারদিকে বড় শট মারার দক্ষতার জন্য বিশ্ব ক্রিকেটে তিনি ‘বেবি এবি’ (দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি এবি ডিভিলিয়ার্সের উত্তরসূরি) নামে পরিচিত। তাঁর অনুপস্থিতি মিডল অর্ডারে চেন্নাইয়ের পরিকল্পনায় বড় ধাক্কা দিল।
ধোনির ফেরার সম্ভাব্য তারিখ
অন্যদিকে, মহেন্দ্র সিং ধোনির চোট নিয়ে নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সিএসকে সূত্রে জানা গিয়েছে:
- চোটের কারণ: কঠোর অনুশীলনের সময় ধোনির পায়ের পেশিতে চোট লাগে।
- সুস্থতার সময়: হাঁটুর পুরনো অস্ত্রোপচার এবং বর্তমান চোটের কারণে ধোনিকে সম্পূর্ণ সুস্থ হতে চিকিৎসকেরা অন্তত তিন সপ্তাহ বিশ্রামের পরামর্শ দিয়েছেন।
- মিস করবেন যে ম্যাচগুলো: এপ্রিলের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত ধোনি মাঠের বাইরে থাকবেন। ফলে রাজস্থান রয়্যালস, পঞ্জাব কিংস, আরসিবি, দিল্লি ক্যাপিটালস, কেকেআর এবং সানরাইজ়ার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে প্রথম ছয়টি ম্যাচে ধোনিকে পাওয়া যাবে না।
- প্রত্যাবর্তন: চিকিৎসকদের আশা, ২৩ এপ্রিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে হাই-ভোল্টেজ ম্যাচের আগেই তিনি ফিট হয়ে উঠবেন।
দলের অবস্থান
৩০ মার্চ গুয়াহাটিতে প্রথম ম্যাচের জন্য চেন্নাই দল রওনা দিলেও ধোনি দলের সঙ্গে যাননি। সিএসকে-র এক আধিকারিক জানিয়েছেন, “ধোনির না থাকা দলের জন্য বড় ধাক্কা, তবে আমাদের বাস্তব মেনে এগোতে হবে। তাঁর ওপর কোনো চাপ দেওয়া হচ্ছে না; আমরা চাই তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়েই মাঠে ফিরুন।”
সিএসকে-র আগামী সূচি (ধোনিহীন ম্যাচ):
- ৩০ মার্চ বনাম রাজস্থান রয়্যালস
- ৩ এপ্রিল বনাম পঞ্জাব কিংস
- ৫ এপ্রিল বনাম আরসিবি
- ১১ এপ্রিল বনাম দিল্লি ক্যাপিটালস
- ১৪ এপ্রিল বনাম কেকেআর
- ১৮ এপ্রিল বনাম সানরাইজ়ার্স হায়দরাবাদ
ধোনি ও ব্রেভিসের অনুপস্থিতিতে ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের নেতৃত্বাধীন চেন্নাই কীভাবে ঘুরে দাঁড়ায়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

