পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন দরজায় কড়া নাড়ছে। এই আবহে তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হতে চলেছেন বলে দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তাঁর এই দাবি ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে। কোন আসনে দাঁড়াবেন অভিষেক, সেই আসনের নামও বলেছেন সুকান্ত মজুমদার।
তাঁর বক্তব্য, নন্দীগ্রাম থেকে ভোটে দাঁড়াবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, কারণ সেখানে তার পছন্দের পুলিশ অফিসারদের ইতিমধ্যেই বদলি করা হয়েছে। অন্যদিকে নন্দীগ্রামের বর্তমান বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন সেখানে অভিষেক দাঁড়ালে তাকে কেউ ভোট দেবে না।
সাংবাদিকদের সামনে বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ বলেন, আমার কাছে খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবার নন্দীগ্রাম আসনে দাঁড়াবেন। সেই জন্য নিজের পোঁ ধরা অফিসারদের ওই জায়গাতে ট্রান্সফার করা হচ্ছে। ওর উপ মুখ্যমন্ত্রী হবার খুব শখ। সেই উপমুখ্যমন্ত্রী হওয়ার জন্য উনি নন্দীগ্রাম বিধানসভা আসনে দাঁড়াবেন বলে খবর। একইসঙ্গে নিজের এই বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, আমরা এবার ঠিক করেছি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানেই দাঁড়াবেন সেখানেই তাকে হারাবো।
রাজনৈতিক মহল মনে করছে, সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্য নতুন করে জল্পনা উসকে দিয়েছে। কারণ অতীতে এরকম নজির রয়েছে। ২০১১ সালে ক্ষমতায় আসার পর রেলমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছয়মাস পর। এরপর ভবানীপুরে উপনির্বাচন লড়ে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছিলেন। শুভেন্দু অধিকারীও একসময় সাংসদ পথ ছেড়ে মন্ত্রী হয়েছিলেন।
তাহলে সেই সূত্র ধরে অভিষেকও নন্দীগ্রাম বেছে নিতে পারেন বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তাতে সুকান্ত মজুমদারের এই মন্তব্য জল্পনার আগুনে আরো খানিকটা ঘি ঢাললো।

