ছাত্রীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে ও অভিভাবকদের দুশ্চিন্তা দূর করতে এক অভিনব উদ্যোগ স্কুল কর্তৃপক্ষের। জেলার মধ্যে প্রথম একটি বালিকা বিদ্যালয়ে শুরু হলো ডিজিট্যাল অ্যাটেনডেন্স। পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়া মহকুমার অন্তর্গত দাঁইহাট গার্লস হাই স্কুলে আজ থেকে শুরু হলো ডিজিট্যাল অ্যাটেনডেন্স। জানা যায় সম্পূর্ণ নিজস্ব উদ্যোগে একটি বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে যৌথভাবে এই উদ্যোগ গ্রহণ করলো বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা বলেন, প্রথম পর্যায়ে অষ্টম, নবম দশম শ্রেণীর প্রায় ৫০০ জন ছাত্রীদের এইভাবে ডিজিট্যাল অ্যাটেন্ডেনসের ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। পরবর্তীতে বাকি শ্রেণীগুলিও করা হবে। জানা যায় অষ্টম, নবম ও দশম শ্রেণীর প্রত্যেক ছাত্রীকে একটি করে আইডেন্টিটি কার্ড দেওয়া হয়েছে। তার পিছন দিকেই রয়েছে একটি কিউআর কোড, যেটিকে ওই মেশিনের সামনে ধরলেই তাদের অ্যাটেনডেন্স রেকর্ড হয়ে যাবে। এবং তৎক্ষণাৎ তাদের ছবি সহ একটি মেসেজ তাদের গার্জেনের মোবাইলে চলে যাবে। পাশাপাশি স্কুল ছুটির সময়ও ঠিক একইভাবে পদ্ধতি কাজ করবে এই ডিজিট্যাল অ্যাটেনডেন্সের মোশিনটি।
স্কুলের এই নয়া উদ্যোগ সম্পর্কে এক অভিভাবিকা বলেন, এই পদ্ধতি চালু হওয়াতে আমদের মেয়েরা অনেক সুরক্ষিত থাকবে। পাশাপশি তারাও চিন্তামুক্ত থাকতে পারবেন। শুক্রবার একটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে এই ডিজিট্যাল অ্যাটেনডেন্স পদ্ধতির সূচনা করেন কাটোয়ার মহকুমা শাসক অহিংসা জৈন এবং দাঁইহাট পৌরসভার চেয়ারম্যান প্রদীপ কুমার রায়। নতুন ধরনের অ্যাটেনডেন্স পদ্ধতি দেখে খুশি ছাত্রীরা। পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়া মহকুমার অন্তর্গত দাঁইহাট গার্লস হাই স্কুলের এই অভিনব উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন সকলেই। ডিজিট্যাল অ্যাটেনডেন্স- এরফলে ছাত্রীদের নিরাপত্তা যেমন থাকছে তেমনই অভিভাবকেরাও নিশ্চিন্তায় থাকতে পারবে বলে জানাচ্ছেন স্কুল কর্তৃপক্ষ।