সংগঠনের অভিযোগ, সরকারি বাসে বিভিন্ন সময় ১-২ টাকা ভাড়া বাড়ানো হলেও, বেসরকারি বাসের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ভাড়া আজও সেই ৭ টাকাই রয়ে গিয়েছে।
- বেআইনি ভাড়া: কিছু ইউনিয়ন বাধ্য হয়ে নিজেরাই ন্যূনতম ভাড়া ১০ টাকা করে নিয়েছে, যা আইনত স্বীকৃত নয়।
- বিপুল ব্যয়ভার: জ্বালানির দাম ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ কয়েক গুণ বাড়লেও ২০১৮ সালের পর থেকে ভাড়া অপরিবর্তিত থাকায় লোকসানের মুখে বাস মালিকেরা।
কেন্দ্রীয় বাহিনী ও বাস সংকটের নতুন সংকট
ভাড়ার পাশাপাশি চিঠিতে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার কথা তুলে ধরা হয়েছে। রাজ্যে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় আধা-সেনা আসতে শুরু করেছে এবং নির্বাচনের ডিউটির জন্য পুলিশ বাস অধিগ্রহণ (Requisition) করছে। কিন্তু মালিকদের অভিযোগ:
১. অধিগ্রহণ করা বাসের দৈনিক ভাড়া এখনও নির্ধারিত হয়নি।
২. বাসের কর্মীদের দৈনিক ভাতা (Allowance) নিয়েও কোনও স্পষ্ট নির্দেশিকা মেলেনি।
১ এপ্রিল থেকে গণ-অচলাবস্থার হুঁশিয়ারি
জয়েন্ট কাউন্সিল অফ বাস সিন্ডিকেট স্পষ্ট জানিয়েছে, সংগঠনের অধীনে থাকা ২৫ হাজার বাসের মধ্যে প্রায় ১৫ হাজার বাস ১ এপ্রিল থেকে রাস্তা থেকে সরিয়ে নেওয়া হবে যদি সরকার অবিলম্বে ভাড়া ও অন্যান্য সমস্যা নিয়ে সদর্থক ভূমিকা না নেয়। ভোটের মুখে বিপুল সংখ্যক বাস বসে গেলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এক নজরে বাস মালিকদের দাবি
| বিষয় | বর্তমান স্থিতি | দাবি |
| ন্যূনতম ভাড়া | ৭ টাকা (২০১৮ অনুযায়ী) | ১২ টাকা |
| বাস অধিগ্রহণ ভাড়া | অনির্ধারিত | অবিলম্বে হার ঘোষণা |
| কর্মী ভাতা | অনিশ্চিত | নির্দিষ্ট দৈনিক ভাতা |
| চরম সময়সীমা | – | ৩১ মার্চ, ২০২৬ |

