বিজয় হজারে ট্রফি থেকে বিদায় নিল বাংলা। মরণবাঁচন ম্যাচে বৃহস্পতিবার উত্তরপ্রদেশের কাছে পাঁচ উইকেটে হেরে গেল তারা। শতরান করে বাংলাকে ছিটকে দিলেন জাতীয় দলের ক্রিকেটার ধ্রুব জুরেল। এ দিকে, বৃহস্পতিবার দেখতে পাওয়া গিয়েছে সরফরাজ় খান এবং হার্দিক পাণ্ড্যের আগ্রাসী ব্যাটিং।
বাংলার হার
টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেয় উত্তরপ্রদেশ। একমাত্র সুদীপ কুমার ঘরামি (৯৪) ছাড়া কেউই বলার মতো অবদান রাখতে পারেননি। মরণবাঁচন ম্যাচে ব্যাটারদের থেকে যে দায়িত্ববোধ প্রত্যাশা করা হয়, তা দেখা যায়নি বাংলার কোনও ক্রিকেটারের খেলায়। শুরুতেই ৬১ রানে ৩ উইকেট হারায় বাংলা। সুদীপ এবং শাহবাজ় আহমেদ (৪৩) মিলে চতুর্থ উইকেটে ৮৯ রান যোগ করেন।
শাহবাজ় ফেরার পর আর কোনও ব্যাটারই ক্রিজ়ে বেশি ক্ষণ টিকতে পারেননি। মারতে গিয়ে শতরানের থেকে ৬ রান দূরে থেমে যান সুদীপও। পরের দিকে নেমে চারটি ছক্কা মেরে বাংলার স্কোর ২৫০ পার করে দেন আকাশ দীপ (৩৩)। তাতেও পুরো ৫০ ওভার খেলতে পারেনি বাংলা। ৪৫.১ ওভারে অলআউট হয়ে যায় ২৬৯ রানে।
জবাবে উত্তরপ্রদেশের অভিষেক গোস্বামীকে (৪) শুরুতেই ফেরান আকাশ দীপ। তবে বাংলাকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেয় দ্বিতীয় উইকেটে ধ্রুব জুরেল এবং আরিয়ান জুয়ালের ১৩২ রানের জুটি। জুয়াল ৫৬ করে আউট হন। জুরেল ১২৩ রান করেন। পরের দিকে উত্তরপ্রদেশকে জিতিয়ে দেন রিঙ্কু সিংহ (অপরাজিত ৩৭)। সাত ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপে চতুর্থ স্থানে শেষ করেছে বাংলা। পরের পর্বে গিয়েছে উত্তরপ্রদেশ এবং বিদর্ভ।
সরফরাজ়ের নজির
বিজয় হজারের রেকর্ডবুকে নাম তুললেন সরফরাজ়। মুম্বইয়ের ক্রিকেটার প্রতিযোগিতার ইতিহাসে দ্রুততম অর্ধশতরান করলেন। এ দিন পঞ্জাবের বিরুদ্ধে তিনি মাত্র ১৫ বলে অর্ধশতরান করেছেন। ভেঙে দিয়েছেন বডোদরার অতীত শেঠের রেকর্ড, যিনি ২০২০-২১ মরসুমে ১৬ বলে অর্ধশতরান করেছিলেন। ভাই মুশির খান আউট হওয়ার পর ব্যাট করতে নামেন সরফরাজ়। তিনি জাতীয় দলের ক্রিকেটার অভিষেক শর্মার একটি ওভার থেকে ৩০ রান নেন। শেষ পর্যন্ত ২০ বলে ৬২ রান করে আউট হন সরফরাজ়।
হার্দিক-ঝড়
নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে এক দিনের সিরিজ় তিনি নেই। তবে এক দিনের ফরম্যাটে হার্দিকের দাপট অব্যাহত। চণ্ডীগড়ের বিরুদ্ধে খেলতে নেমে ১৯ বলে অর্ধশতরান করেছেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৩১ বলে ৭৫ রান করে আউট হয়েছেন। ৯টি ছয় এবং ২টি চার মেরেছেন হার্দিক। ২৪০ স্ট্রাইক রেটে ব্যাট করেছেন তিনি। কিছু দিন আগে বিদর্ভের বিরুদ্ধে ৬৮ বলে শতরান করেছিলেন হার্দিক।

