‘শ্রীরামকৃষ্ণ-পুঁথি’তে কল্পতরু দিবস

শ্রীরামকৃষ্ণের কল্পতরু হওয়ার দিনক্ষণের বর্ণনা পাই অক্ষয়কুমার সেন প্রণীত ‘শ্রীরামকৃষ্ণ-পুঁথি’র অন্ত্যলীলায় —“আঠার শ ছিয়াশির সাল গণনায়।বিশেষতঃ দিন ইহা প্রভুর লীলায়।।প্রথম দিবস আজি নব বরষেতে।একাদশী তিথি আজি হিন্দুদের মতে।।” ১৮৮৬ সালের পয়লা জানুয়ারি, এক একাদশী তিথিতে শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেব কল্পতরু হয়েছিলেন। বেলা তৃতীয় প্রহর। চিকিৎসার প্রয়োজনে কাশীপুরে বসবাস করছিলেন এক বাগান-বাড়িতে। সেদিনRead More →

শ্রীরামকৃষ্ণ মা কৌশল্যার মতো রামলালার যত্ন করেছেন

একবার শ্রীরামকৃষ্ণ বাগবাজারে বলরাম ভবনে এসেছেন। সেদিন তিনি নিজেই রামলালার কথা তুললেন। কেমন করে রামলালাকে স্নান করাতেন, রামলালা কেমন দুরন্তপনা ক’রত ইত্যাদি লীলা-বৃত্তান্ত বলতে লাগলেন। বললেন, একদিন খই খাওয়াতে গিয়ে একটা ধান রামলালার মুখে লেগে গেল, “যে মুখে মা কৌশল্যা কত ক্ষীর সর ননী দিতেও সঙ্কোচ বোধ করতেন, আজ আমিRead More →

প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধা (১৬ ই আগষ্ট) –অবতার-বরিষ্ঠ শ্রীরামকৃষ্ণ

আমরা জানি শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেব কামারপুকুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং মৃত্যুবরণ করেছিলেন কলকাতার কাশীপুর উদ্যানবাটিতে। কিন্তু যিনি ঈশ্বর তাঁর কী জন্ম আছে, না কি মৃত্যু? ঈশ্বর যিনি, তিনি জন্মরহিত, তিনি অবিনশ্বর, তিনি অব্যক্ত, নির্বিশেষ, নির্বিকার। ঈশ্বর যখন সাকাররূপ ধারণ করে আসেন এবং ব্যক্তস্বরূপে লীলাবেশ ধারণ করেন, তখন তিনি অবতারূপে গণ্য হন।Read More →

কল্পতরু-লীলাপ্রসঙ্গে শ্রীরামকৃষ্ণ।

আজ তুলে ধরবো অবতার-বরিষ্ঠ শ্রীরামকৃষ্ণের অন্ত-ভাবলীলার এক পুণ্য-পরিচয়। আমরা জানি পরমহংসদেব কামারপুকুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং মৃত্যুবরণ করেছিলেন কলকাতার কাশীপুর উদ্যানবাটিতে। কিন্তু যিনি ঈশ্বর তাঁর কী জন্ম আছে, না কি মৃত্যু? ঈশ্বর যিনি, তিনি জন্মরহিত, তিনি অবিনশ্বর, তিনি অব্যক্ত, নির্বিশেষ, নির্বিকার। ঈশ্বর যখন সাকাররূপ ধারণ করে আসেন এবং ব্যক্তস্বরূপে লীলাবেশRead More →

দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়ি ও তার উদ্যান

ঊনবিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ তথা লোকহিতৈষণার উজ্জ্বল নক্ষত্র লোকমাতা রানী রাসমণি (Rani Rasmani) দক্ষিণেশ্বর কালীমন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা। কলকাতার জানবাজার নিবাসী এই কালী উপাসক ১৮৪৭ সালের এপ্রিল মাসে মনস্থ করেন সদলবলে নৌকাযোগে হিন্দুতীর্থ কাশীধামে যাবেন। তীর্থযাত্রার ঠিক একদিন আগে এক অদ্ভুত স্বপ্ন দেখলেন তিনি; দেবী অন্নপূর্ণা তাকে বলছেন, “কাশী যাবারRead More →

বিদ্যাসাগর ১০০ শতাংশ হিন্দু পণ্ডিত ছিলেন

তখন প্রগতিশীলতা মানেই ছিল ব্রাহ্ম হয়ে যাওয়া, কিন্তু বিদ্যাসাগরকে ব্রাহ্ম হতে দেখি নি আমরা। দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর, রাজ নারায়ণ বসু, অক্ষয় কুমার দত্ত প্রমুখ ব্রাহ্ম মনীষীর সঙ্গে তাঁর চির ঘনিষ্ঠতা সত্ত্বেও তিনি হিন্দুই থেকে গেছেন। বরং প্রিয়পাত্র শিবনাথ শাস্ত্রী ব্রাহ্ম হয়ে গেলে তা তাঁকে বিশেষভাবে পীড়িত, ব্যথিত করেছিল। বিদ্যাসাগরের লেখা চিঠিপত্রেরRead More →