প্লাজমা-পোয়েম-প্রেয়ার একসূত্রে গেঁথেছে জগদীশ, রবীন্দ্রনাথ, বিবেকানন্দ ও নিবেদিতাকে। জন্মদিনে (৩০/১১/১৮৫৮) জগদীশ চন্দ্র বসুকে শ্রদ্ধা জানালেন

“নদীকে জিজ্ঞাসা করিতাম, ‘তুমি কোথা হইতে আসিতেছো?’নদী উত্তর করিত, ‘মহাদেবের জটা হইতে।’তখন ভগীরথের গঙ্গা আনয়ন বৃত্তান্ত স্মৃতিপথে উদিত হইত।”‘অব্যক্ত’ যখন পড়ি মনে হয়, জগদীশ চন্দ্র-ই বুঝি ভগীরথ! গবেষণাগারের জটিল জটা থেকে ‘গঙ্গা’ নামক জ্ঞানসমুদ্রকে মর্ত্যবাসী মানুষের কল্যাণে বইয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “The true Laboratory is the mind where behind illusionsRead More →

‘ঋতম বাংলা’ ও ‘সনাতন ভারত’-এর যৌথ উদ্যোগে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান – ‘বিশ্বমানব রবীন্দ্রনাথ’

‘ঋতম বাংলা’ ও ‘সনাতন ভারত’ এর যৌথ উদ্যোগে কবিপক্ষেই ‘বিশ্বমানব রবীন্দ্রনাথ’ শীর্ষক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু করোনা মহামারী এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ ‘আমফান’ ঝড়ের প্রকোপে আমাদের পূর্ব নির্ধারিত দিনে অনুষ্ঠানটি সম্প্রচার করা থেকে বিরত থাকা হয়েছিল। আজ বিশিষ্ট সঙ্গীতজ্ঞ ‘পন্ডিত ওঙ্কারনাথ ঠাকুর’ এর জন্মদিনে অনুষ্ঠানটি সম্প্রচার করাRead More →

ঋতম ও সনাতন ভারতের উদ্যোগে এক বিশেষ নিবেদন বিশ্বমানব রবীন্দ্রনাথ

এ বড় কঠিন সময় আজ। কোনো সমাজকে ধ্বংস করতে গেলে আক্রমণকারী সে সমাজের সৃষ্টি কৃষ্টির ওপরেই প্রথম আঘাত হানে, যাতে সে সমাজকে ভেতর থেকে অন্তঃসারশূন্য করে তোলা যায়। বাঙ্গালীর সৃষ্টি কৃষ্টির লালন পালনে অন্যতম মাধ্যম রবীন্দ্রচর্চা। আর তাই সেখানেই নেমে এসেছে আঘাত। সাংস্কৃতিক সন্ত্রাসবাদী আঘাতে বিদীর্ণ হয়েছে রবীন্দ্রভারতী থেকে গৌড়বঙ্গRead More →

THE CONCEPT OF RASHTRA – Rabindranath and Rashtriya Swayamsevak Sangh : রাষ্ট্রভাবনা – রবীন্দ্রনাথ ও রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ

ভারতবর্ষের বৌদ্ধিক জগতে স্বাধীনোত্তর কাল থেকেই নেহরুর আশ্রয় ও প্রশ্রয়ে ছদ্ম সেকুলার ও বামপন্থীদেরই রমরমা। এদের সুকীর্তির(?) ফলে বিবেকানন্দ রচনাবলী থেকে বহু জায়গায় হিন্দু শব্দ উধাও হয়ে গেছে । এদের কল্যাণে (?) স্বামীজি হয়েছেন ‘গীতা ছেড়ে ফুটবল খেলার পরামর্শদাতা‘ এবং ‘দিবে আর নিবে….. মিলাবে মিলিবে‘ ও ‘শক, হুণ দল মোঘলRead More →

রবীন্দ্র-পূজন

বিশ্বব্যাপী চলেছে রবীন্দ্র-পূজন। সারা বছরই রবীন্দ্রচর্চা,গবেষণা চলে।তবুও তাঁর আবির্ভাব দিবসে রবীন্দ্রনাথকে আমরা বড্ড নিজের ভাবি।বসুধার প্রান্তে প্রান্তে,প্রত্যেক বিশ্ববাসী নিজ নিজ হৃদয়ে জাগ্রত করেন কবিকে।অন্তত একবারও হলে গুনগুন করে গেয়ে ওঠেন রবীন্দ্রনাথের কোনো গানের চরণ।অজান্তেই আবৃত্তি,উচ্চারণ করে বসেন তাঁর কবিতার কোনো পংক্তি।সবকিছুই যে তাল-লয় মেনে,তা হয়ত নয়। নিজের মতো করেই!রবীন্দ্র-পূজন ‘গঙ্গাRead More →

দেশ মাতৃকার প্রতি প্রেমই হল রবীন্দ্রনাথ ও সংঘ চিন্তার মিলন সেতু

রবীন্দ্রনাথ (Rabindranath) ও স্বদেশ প্রেম যেন সমার্থক শব্দ। অনুরূপভাবে স্বয়ংসেবক এবং দেশপ্রেম যেন সমার্থক শব্দ। বাংলায় রবীন্দ্র জয়ন্তী ঘরে ঘরের উৎসব । প্রতিটি পরিবারই রবীন্দ্রনাথের কবিতা ,গল্প, সংগীত নিয়ে মাতোয়ারা। বর্তমান সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘরের বাচ্চাদের রবীন্দ্র সংগীত পরিবেশন বা কবিতা পরিবেশন, পাড়ার মোড়ে মোড়ে রবীন্দ্রজয়ন্তী পালন ,বাংলার সমাজ জীবনের অঙ্গRead More →

আগ্রাসী শক্তির নারী-ধর্ষণ-উৎসব রবীন্দ্রনাথও সহ্য করেন নি

চিতোর প্রসাদে প্রবেশ করছেন আলাউদ্দিন (Alauddin)। বীরদর্পে যুদ্ধ করেও পরাজিত চিতোর রাজ। বিধর্মীদের দ্বারা অত্যাচারিত, ধর্ষিত না হবার জন্য প্রাসাদে তখন এক এক করে চিতায় আত্মাহুতি দিয়ে চলেছেন রাজপুত নারী। চিতোর আক্রমণের কাহিনী নিয়েই ১৮৭৫ সালে জ্যোতিদাদা (জ্যোতিরিন্দ্র নাথ ঠাকুর) লিখলেন ঐতিহাসিক নাটক ‘সরোজিনী‘।জ্যোতিদাদা ছোটোভাই রবির পড়ার ঘরে বসেই নাটকেরRead More →

পৃথ্বীরাজের পরাজয় কাঁদিয়েছিল হিন্দু-মেলার আয়োজক পরিবারের রবীন্দ্রনাথকে

উপনয়নের পর, হিমালয় ভ্রমণের পূর্বের অবসরে রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন ‘ পৃথ্বীরাজের পরাজয় ‘ নামে একটি বীররসাত্মক কাব্য। যদিও সেই কাব্যগ্রন্থের পান্ডুলিপি পরে আর পাওয়া যায় নি। কী ছিল সেই কাব্যে? কেন শিশু রবি পরাজিত হিন্দু রাজা পৃথ্বীরাজকে নিয়ে এমন কাব্য রচনা করতে গেলেন?রবীন্দ্র জীবনীকার প্রশান্ত কুমার পাল (Prashant Kumar Pal) এRead More →

রবীন্দ্রনাথ আর শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী নন? বাঙ্গালীর জাতিসত্ত্বা চুরি হচ্ছে ওপাশে

ঢাকার রবীন্দ্রজয়ন্তী ১৩৫৩ বঙ্গাব্দের পঁচিশে বৈশাখ। ইংরাজিতে সেটা ১৯৪৬ সাল। ঢাকা কলেজিয়েট স্কুলে রবীন্দ্রজয়ন্তী পালিত হচ্ছে। স্কুলের এক ছাত্র অসাধারণ বাঁশি বাজাতে জানে। তার বাঁশির সুরের জাদু ছড়িয়ে যাচ্ছে দক্ষিণে বুড়িগঙ্গা নদীর ঘাট থেকে সদরঘাট ক্রসিং ছুঁয়ে সোজা উত্তরে জগন্নাথ হলের দিকে, পঁচিশে বৈশাখের স্নিগ্ধ সকাল ধন্য হয়ে উঠেছে, প্রফুল্লতায়Read More →

জয় হোক মহামানবের

প্রত্যুষের প্রথম আভাঅরণ্যের শিশিরবর্ষী পল্লবে পল্লবে ঝলমল করে উঠল। নক্ষত্রসংকেতবিদ্‌ জ্যোতিষী বললে, বন্ধু, আমরা এ সময় এসেছি।পথের দুই ধারে দিক্‌প্রান্ত অবধি পরিণত শস্যশীর্ষ স্নিগ্ধ বায়ুহিল্লোলে দোলায়মান —আকাশের স্বর্ণলিপির উত্তরে ধরণীর আনন্দবাণী।গিরিপদবর্তী গ্রাম থেকে নদীতলবর্তী গ্রাম পর্যন্তপ্রতিদিনের লোকযাত্রা শান্ত গতিতে প্রবহমান — কুমোরের চাকা ঘুরছে গুঞ্জনস্বরে,কাঠুরিয়া হাটে আনছে কাঠের ভার,রাখাল ধেনুRead More →