ভারত সরকার প্রতিরক্ষা খাতে বিদেশ থেকে প্রচুর অস্ত্র শস্ত্র আমদানি করে। এই কারণেই আমেরিকার মতো দেশ চাই না যে ভারত-পাকিস্তানের দ্বন্দ থামুক। অনেক সময় বলা হয় পাকিস্তানে জেহাদী ও ইসলামিক কট্টর মানসিকতা তৈরিতে পাকিস্তানের বড়ো হাত আছে। কারণ তারা ভারত ও পাকিস্তানের দ্বন্দ লাগিয়ে রাখতে চাই। যাতে তাদের অস্ত্র বিক্রির ব্যাবসা চলতে থাকে। এমনকি পাকিস্তান সরকারও বিষয়টিকে অনেকবার স্বীকার করেছিল। তবে এবার ভারত মেক ইন ইন্ডিয়ার মাধ্যমে অস্ত্রের ও সামরিক সরঞ্জামের ক্ষেত্রে স্বনির্ভর হতে শুরু করেছে। ফলস্বরূপ দেশে কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে এবং দেশের টাকা দেশেই থাকছে।

কর্ণাটকের একটি অস্ত্র উত্পাদনকারী সংস্থা দেশের প্রথম দেশীয় রাইফেলের একটি প্রোটোটাইপ তৈরি করেছে। ব্যাঙ্গালুরুতে স্থিত এসএসএস(SSS) ডিফেন্স এটি নির্মাণ করেছে। সংস্থাটি দুটি স্নাইপার রাইফেল তৈরি করেছে। এটি ভারতের অস্ত্র উৎপাদন এবং রফতানিকারক কেন্দ্র হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে। SSS ডিফেন্স এর ম্যানেজিং ডাইরেক্টর বলেন, প্রতিরক্ষা খাতে মেক ইন ইন্ডিয়া চালু করার পরে আমরা এই রাইফেলগুলির নকশা ও বিকাশ শুরু করেছি। আমরা সেই সব কোম্পানীর মধ্যে একটা যারা দেশে হাতিয়ার তৈরির অনুমতি পেয়েছিল।
৬১ বছরের পুরনো এই কোম্পানিটি মোটরগাড়ি শিল্পের জন্য কম্পোনেন্ট তৈরি করতো। মাচানি বলেছেন, “আমরা প্রতিরক্ষা খাতের জন্য উপাদান সরবরাহ করেছি। আমাদের উদেশ্য আমাদের সুরক্ষা বাহিনীর জন্য একটি সম্পূর্ণ অস্ত্র ব্যবস্থা বিকাশ করা এবং অস্ত্র রফতানিকারী হওয়ার আশাবাদ। আন্তর্জাতিক স্তরের অস্ত্র তৈরি করতে আমাদের আরও কিছু করা দরকার।
দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই রাইফেলগুলি সম্পর্কে সংস্থার সিইও বিবেক কৃষ্ণ বলেছেন, “আমরা হাই-এন্ড স্নিপার রাইফেলগুলি ৭.৬২ x ৫১ মিমি এবং .৩৩৮ লাপুয়া ম্যাগনাম প্ল্যাটফর্মের সাথে ডিজাইন করেছি।” সংস্থাটি তার উৎপাদন ইউনিটের জন্য ৮০,০০০ বর্গফুটে রাজ্যের জিগানিতে একটি কারখানা তৈরি করছে।