করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাংলায় ক্রমশ বাড়ছে। নাওয়া-খাওয়া ভুলে কাজ করে যাচ্ছেন ডাক্তার-স্বাস্থ্য কর্মীরা। বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে দিন রাত এক করে কাজ করে যাচ্ছেন ডাক্তার এবং জুনিয়ার ডাক্তাররা। বিপদ, আতঙ্ককে সঙ্গে করে নিয়েই কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা। তবে আতঙ্কের মধ্যেও সুখবর। বিশেষ করে জুনিয়ার ডাক্তারদের জন্যে তো বটেই। জানা যাচ্ছে, স্টাইপেন বাড়ানো হচ্ছে ইন্টার্নদের। আজ সোমবার এমনটাই ঘোষণা করেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য (Chandrima Bhattacharya)।
তিনি জানিয়েছেন, একদিকে আমফান অন্যদিকে করোনা পরিস্থিতি। লড়াই করছে রাজ্য সরকার। শুধু লড়াই করা নয়, একটা অর্থনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে সরকার চলছে বলে মন্তব্য স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর। কিন্তু এই মুহূর্তে যারা কোভিড যুদ্ধে প্রথম সারির যোদ্ধা, বিশেষ করে যাঁরা বিভিন্ন হাসপাতালে কর্মরত তাদেরকে সম্মান জানানোর জন্য মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী একটি বড় পদক্ষেপ নিয়েছেন বলে জানান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।
এরপরেই সুখবরটি জানান তিনি। বলেন, বাড়ানো হচ্ছে স্টাইপেন। এর ফলে রাজ্যের প্রায় দশ হাজারেরও বেশি জুনিয়র ডাক্তার উপকৃত হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
একনজরে স্টাইপেনে কী পরিবর্তন হল– ইন্টার্নদের ভাতা ছিল ২৩,৬২৫, বেড়ে হল ২৮,০৫০ টাকা। ভাড়া বাড়ল হাউস স্টাফদেরও। আর তা ৩৮,৩৯১ টাকা থেকে বেড়ে হল ৪৩,৭৫৮ টাকা। জানা যাচ্ছে, পোষ্ট গ্রাজুয়েট ট্রেনিদের (১ম বর্ষ) ভাতা ছিল ৩৮,৩৯১, বেড়ে হল ৪৩,৭৫৮ টাকা, পোষ্ট গ্রাজুয়েট ট্রেনিদের (২য় বর্ষ) ভাতা ছিল আগে ছিল ৪১,৩৪৪ টাকা। নয়া ঘোষণার পর তা বেড়ে হল ৪৭,১২৪ টাকা।

ভাতা বেড়েছে পোষ্ট গ্রাজুয়েট ট্রেনিদের (৩য় বর্ষ)ও। আর সেই ভাতা ছিল ৪৪,২৯৭ টাকা। এখন বেড়ে হল ৫০,৪৯০ টাকা। এবং পোষ্ট ডক্টর ট্রেনিদের (১ম বর্ষ) ভাতা ছিল ৪৭,২৫০ টাকা থেকে বেড়ে হল ৫৩,৮৫৬ টাকা। এবং পোষ্ট ডক্টর ট্রেনিদের (২য় বর্ষ) ভাতা ছিল ৫০,২০৪ টাকা। মন্ত্রীর ঘোষণার পর তা বেড়ে হল ৫৭,২২২ টাকা।