‘আমরা বিশ্বচ্যাম্পিয়ন, মাঠে আমরাই শাসন করব’, নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে নামার আগে দলকে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন অভিষেক

‘আমরা বিশ্বচ্যাম্পিয়ন, মাঠে আমরাই শাসন করব’, নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে নামার আগে দলকে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন অভিষেক

ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টি সিরিজ় জিততে পারেনি ভারত। শেষ ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেস্তে যাওয়ায় ২-২ ব্যবধানে সিরিজ় শেষ হয়। তবে নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টি-টোয়েন্টিতেই ঘুরে দাঁড়িয়েছে ভারতীয় দল। প্রতিপক্ষকে ৪ উইকেটে হারিয়ে সিরিজ়ে এগিয়ে গিয়েছে তারা। আর সেই ম্যাচের আগে দলের ক্রিকেটারদের কী ভাবে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন অভিষেক শর্মা, শুক্রবার প্রকাশিত একটি ভিডিয়োয় তা তুলে ধরেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)।

প্রথম ম্যাচে ভারতের জয়ের নেপথ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন সঞ্জু স্যামসন এবং শ্রেয়স আয়ার। তবে মাঠে নামার আগে দলের বৈঠকে অভিষেকের বক্তব্যও সতীর্থদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করেছে বলে মনে করা হচ্ছে। বিসিসিআইয়ের প্রকাশিত ভিডিয়োয় অভিষেককে বলতে শোনা গিয়েছে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে বেশ কিছু ভুল করেছিলেন তাঁরা। প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে খেলার সময় সেই ভুলগুলি শুধরে নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

অভিষেক বলেন, “আমার তরফ থেকে কিছু কথা বলতে চাই। ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে আমরা বেশ কিছু ভুল করেছি। এমন ভাবে খেলেছি যেন ওরা আমাদের বন্ধু।”

এর পরেই নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে কঠিন লড়াইয়ের কথা সতীর্থদের মনে করিয়ে দেন তিনি। অভিষেকের কথায়, “নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলাও একই রকম হতে চলেছে। ওরা আমাদের ভাল রকম পরীক্ষা নেবে। তাই ওদের দেখিয়ে দাও যে আমরা বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। আমরা এখানে শাসন করব। প্রথম ম্যাচ থেকেই জেতা শুরু করব।”

দলের মধ্যে জয়ের তাগিদ তৈরি করতে একটি পঞ্জাবি গানেরও উল্লেখ করেন অভিষেক। ‘বারি বরসি খটন গয়া সী’ গানটি সাধারণত পঞ্জাবের বিয়ে কিংবা বৈশাখী উৎসবের মতো অনুষ্ঠানে শোনা যায়। সেই গানের প্রসঙ্গ টেনে প্রথম ম্যাচেই জয়ের আবেদন জানান তিনি। মাঠে নেমে তাঁর সতীর্থেরা সেই লক্ষ্য পূরণ করেছেন। নিউ জ়িল্যান্ডকে ৪ উইকেটে হারিয়ে সিরিজ়ে শুভ সূচনা করেছে ভারত।

তবে ম্যাচ জিতলেও বোলারদের পারফরম্যান্সে পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। প্রথম ম্যাচে নিউ জ়িল্যান্ড ২২৫ রান তোলায় ভারতীয় বোলারদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ম্যাচের পর সেই প্রসঙ্গে ব্যাখ্যা দেন শ্রেয়স।

ভারত অধিনায়ক বলেন, “শুরুতে পিচ একটু মন্থর ছিল। বল পড়ে একটু থমকাচ্ছিল। তবে যে লেংথে বল করা উচিত ছিল, তার একটু আগে বল ফেলছিলাম। পরের দিকে শিশির পড়তে শুরু করল। পিচ সহজ হয়ে গেল। ব্যাটে বল খুব ভাল আসছিল। সেই কারণেই ওরা ২২৫ রান করল।”

অর্থাৎ, প্রথম ম্যাচে জয় এলেও বোলিংয়ের দুর্বলতা শুধরে নেওয়াই এখন ভারতীয় দলের অন্যতম লক্ষ্য। নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে পরবর্তী ম্যাচগুলিতে সেই ঘাটতি কতটা কাটিয়ে উঠতে পারে ভারত, সে দিকেই নজর থাকবে ক্রিকেটপ্রেমীদের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.