ডিস্ট্রিবিউটরদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সিগারেটের দৈর্ঘ্য এবং প্রকারভেদের ওপর ভিত্তি করে এই দাম নির্ধারিত হবে। এক নজরে দেখে নিন কোন ধরনের সিগারেটের দাম কতটা বাড়তে পারে:
| সিগারেটের ধরন ও দৈর্ঘ্য | আগের দাম (প্যাকেট প্রতি) | সম্ভাব্য নতুন দাম (প্যাকেট প্রতি) | বৃদ্ধির পরিমাণ |
| মাঝারি (উইলস নেভি কাট – ৭৬ মিমি) | ৯৫ টাকা | ১২০ টাকা | ২৫ টাকা |
| বড় (গোল্ড ফ্লেক লাইটস/ক্লাসিক – ৮৪ মিমি) | ১৭০ টাকা | ২২০ – ২২৫ টাকা | ৫০ – ৫৫ টাকা |
| স্লিম/পাতলা (ক্লাসিক কানেক্ট – ৯৭ মিমি) | ৩০০ টাকা (২০টির প্যাকেট) | ৩৫০ টাকা | ৫০ টাকা |
শুল্ক কাঠামোর বিশদ বিবরণ
নতুন নিয়মে প্রতি স্টিক বা শলাকা পিছু শুল্কের হারও নির্দিষ্ট করা হয়েছে:
- ফিল্টারবিহীন ছোট সিগারেট (৬৫ মিমি পর্যন্ত): প্রতি স্টিকে অতিরিক্ত শুল্ক প্রায় ২.০৫ টাকা।
- ফিল্টারযুক্ত ছোট সিগারেট (৬৫ মিমি পর্যন্ত): প্রতি স্টিকে অতিরিক্ত শুল্ক প্রায় ২.১০ টাকা।
- মাঝারি দৈর্ঘ্য (৬৫-৭০ মিমি): প্রতি স্টিকে অতিরিক্ত শুল্ক ৩.৬০ থেকে ৪ টাকা।
- প্রিমিয়াম দৈর্ঘ্য (৭০-৭৫ মিমি): প্রতি স্টিকে অতিরিক্ত শুল্ক প্রায় ৫.৪০ টাকা।
বাজারে কালোবাজারির আশঙ্কা
যদিও সিগারেট প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন MRP ঘোষণা করেনি, তবে ডিস্ট্রিবিউটররা জানাচ্ছেন যে সোমবার থেকেই বাজারে নতুন দামের প্রভাব পড়তে শুরু করবে। বর্তমানে ৪০ শতাংশ জিএসটি হারে পুরনো স্টক থেকে সরবরাহ বজায় রাখা হয়েছে।
ইতিমধ্যেই বাজারে কৃত্রিম সংকটের অভিযোগ উঠেছে। অল ইন্ডিয়া কনজ়িউমার প্রোডাক্টস্ ডিস্ট্রিবিউটরস্ ফেডারেশন (AICPDF) সতর্ক করে জানিয়েছে যে, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বেশি লাভের আশায় পুরনো স্টক আটকে রেখে কালোবাজারি শুরু করেছে। সংস্থাটির দাবি, চলতি মাসের শেষের দিকে নতুন মুদ্রিত দাম সহ প্যাকেটে সিগারেট বাজারে এলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে।

