| নাম ও পদবী | প্রধান দায়িত্ব |
| অনুরাধা ঠাকুর (অর্থনৈতিক বিষয়ক সচিব) | বাজেটের মুখ্য কারিগর। ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের বরাদ্দ নির্ধারণ ও নথি প্রস্তুতির মূল দায়িত্বে রয়েছেন। এই পদে বসা দেশের প্রথম মহিলা আমলা তিনি। |
| অরবিন্দ শ্রীবাস্তব (রাজস্ব সচিব) | প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর (জিএসটি, আয়কর, কর্পোরেট কর) সংক্রান্ত প্রস্তাব তৈরি করেন। রাজস্ব বৃদ্ধির কৌশল নির্ধারণে তাঁর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। |
| ভামলুনমাং ভুয়ালনাম (ব্যয় সচিব) | সরকারি ব্যয়ের ‘অভিভাবক’। ভর্তুকি, কেন্দ্রীয় প্রকল্প ও ঘাটতি মোকাবিলার যাবতীয় নীল নকশা তাঁর হাতে। |
| এম নাগরাজু (অর্থনৈতিক পরিষেবা সচিব) | ব্যাঙ্ক, বিমা ও পেনশন খাতের তদারকি করেন। সরকারের সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পগুলি বাস্তবায়নের দায়িত্ব এই দফতরের। |
| অরুণীশ চাওলা (সচিব, DIPAM) | রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার বিলগ্নিকরণ ও বেসরকারিকরণের মাধ্যমে রাজস্ব আদায়ের বিকল্প পথ তৈরি করাই তাঁর প্রধান কাজ। |
| কে মোসেস চালাই (সচিব, পাবলিক এন্টারপ্রাইজ) | সরকারি সংস্থাগুলোর বাজেট বরাদ্দের সঠিক ব্যবহার এবং সংস্থার সামগ্রিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন। |
মুখ্য আর্থিক উপদেষ্টার বিশেষ ভূমিকা
এই আমলাদের পাশাপাশি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন দেশের মুখ্য আর্থিক উপদেষ্টা ভি অনন্ত নাগেশ্বরন।
- বিশ্লেষণ: কৃষি, শিল্প ও পরিষেবা ক্ষেত্রের বর্তমান অবস্থার নিরিখে দেশের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেন তিনি।
- পরামর্শ: বিশ্ব অর্থনীতির ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সংস্কার ও রাজস্ব নীতি নিয়ে অর্থমন্ত্রীকে পরামর্শ দেওয়াই তাঁর প্রধান কাজ।
রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট
মোদী সরকারের তৃতীয় দফার এই পূর্ণাঙ্গ বাজেটে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা আকাশছোঁয়া। বিশেষ করে বিধানসভা নির্বাচন সামনে থাকায় জনমোহিনী প্রকল্পের ঘোষণা এবং আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করাই এখন অর্থমন্ত্রী ও তাঁর এই বিশেষ দলের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ।

