অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের তৃতীয় রাউন্ডে আলকারাজ়-সাবালেঙ্কা, রুশ আগ্রাসন নিয়ে বিতর্ক খুঁচিয়ে দিলেন মুখ ভর্তি ট‍্যাটু থাকা ইউক্রেনের ওলিনিকোভা

প্রত্যাশা মতোই অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের তৃতীয় রাউন্ডে উঠলেন বাছাই খেলোয়াড়েরা। পুরুষদের সিঙ্গলসে দ্বিতীয় রাউন্ডের বাধা অতিক্রম করলেন কার্লোস আলকারাজ়, আলেকজান্ডার জ়েরেভ, দানিল মেদভেদেভ, আন্দ্রে রুবলেভ, অ্যালেক্স ডি মিনাউরেরা। মহিলাদের সিঙ্গলসে জিতলেন অ্যারিনা সাবালেঙ্কা, কোকো গফ, মিরা আন্দ্রিভারা। প্রথম রাউন্ডে হেরে গেলেও মুখ ভর্তি ট্যাটুর জন্য বছরের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যামে নজর কাড়লেন ওলেসান্দ্রা ওলিনিকোভা। রাশিয়ার আগ্রাসন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

দ্বিতীয় রাউন্ডে সহজ জয় পেলেন পুরুষদের শীর্ষ বাছাই আলকারাজ়। জার্মানির ইয়ানিক হানফম্যানকে তিনি হারালেন ৭-৬ (৭-৪), ৬-৩, ৬-২ ব্যবধানে। তৃতীয় বাছাই জ়েরেভকে কিছুটা লড়াই করতে হল। তিনি ৬-৩, ৪-৬, ৬-৩, ৬-৪ ব্যবধানে হারালেন ফ্রান্সের আলেকজান্ডার মুলারকে। লড়াই করতে হল প্রাক্তন এক নম্বর মেদভেদেভকেও। তিনি ৬-৭ (৯-১১), ৬-৩, ৬-৪, ৬-২ ব্যবধানে হারালেন ফ্রান্সের কোয়েন্টিন হ্যালিসকে। দ্বিতীয় রাউন্ডে চার সেট লড়াই করতে হল রুবলেভকেও। ১৩ নম্বর বাছাই ৬-৪, ৬-৩, ৪-৬, ৭-৫ ব্যবধানে হারিয়েছেন পর্তুগালের জেমি ফারিয়াকে। চার সেট লড়াই করতে হল ষষ্ঠ বাছাই মিনাউরকেও। তিনি ৬-৭ (৫-৭), ৬-২, ৬-২, ৬-১ ব্যবধানে হারিয়েছেন সার্বিয়ার হামাদ মেজেডোভিচকে।

মহিলাদের সিঙ্গলসের দ্বিতীয় রাউন্ডে সহজ জয় পেলেন শীর্ষ বাছাই সাবালেঙ্কা। তিনি ৬-৩, ৬-১ ব্যবধানে হারালেন চিনের ঝোউজ়ুয়ান বাইকে। সহজে তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছোলেন তৃতীয় বাছাই গফও। তিনি ৬-২, ৬-২ ব্যবধানে হারিয়েছেন সার্বিয়ার ওলগা ড্যানিলোভিচকে। অষ্টম বাছাই আন্দ্রিভা ৬-০, ৬-৪ ব্যবধানে জয় পেয়েছেন গ্রিসের মারিয়া সাকারির বিরুদ্ধে। সপ্তম বাছাই জেসমিন পাওলিনি ৬-২, ৬-৩ ফলে হারিয়েছেন ম্যাগডালিনা ফ্রেচকে।

মহিলাদের সিঙ্গলসের প্রথম রাউন্ডে হেরে গেলেও নজর কেড়েছেন ইউক্রেনের ওলিনিকোভা। প্রথম রাউন্ডের ম্যাচে ম্যাডিসন কিসের বিরুদ্ধে তিনি হেরে যান ৬-৭, ১-৬ ব্যবধানে। তবু ২৫ বছরের খেলোয়াড় নজর কেড়েছেন তাঁর মুখ এবং শরীরে বিভিন্ন ট্যাটুর জন্য। ওলিনিকোভা অবশ্য জানিয়েছেন, তাঁর মুখের ট্যাটুগুলি স্থায়ী নয়। এ ভাবে সেজে খেলতে নামেন। পরে তুলে ফেলেন। এ ছাড়াও সাবালেঙ্কা, মেদভেদেভের মতো রাশিয়া এবং বেলারুশের টেনিস খেলোয়াড়দের সমালোচনা করেছেন তিনি। ইউক্রেনে ভ্লাদিমির পুতিনের সরকারের আগ্রাসন নিয়ে তাঁদের ভূমিকার সমালোচনা করেছেন। পুতিনকে বিপজ্জনক মানুষ বলেছেন। তাঁর বক্তব্য, ‘‘এদের মতো মানুষদের কথা বলার ক্ষমতা রয়েছে। অথচ এরা প্রতিবাদ তো করে না। কেউ কেউ আবার পুতিনকে সমর্থন করেন। আমার দেশ এবং দেশের মানুষ বছরের পর বছর ধরে বিপদে থাকলেও এদের কিছু যায় আসে না।’’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.