যোগীরাজ্যে নেভি অফিসারের স্ত্রীর রহস্যমৃত্য়ু। উত্তরপ্রদেশের সামহন ও ভরতনা মাঝে রেল লাইনে পাওয়া গেল দেহ। ট্রেনের টিকিট পরীক্ষকের বিরুদ্ধে অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা রুজু করেছে GRP।
জানা গিয়েছে, মৃতের নাম আরতি যাদব। তাঁর স্বামীর ভারতীয় নৌবাহিনীতে জুনিয়র অফিসার পদে কর্মরত। কা আর্মি হাসপাতালে চিকিত্সা করানোর জন্য দিল্লি যাচ্ছিলেন আরতি। কিন্তু যে ট্রেনে যাওয়ার কথা ছিল, সেই বারাউনি–নয়াদিল্লি ক্লোন স্পেশাল প্রায় ১০ ঘণ্টারও বেশি লিট ছিল। আর তাতেই কিছুটা বিভ্রান্ত হয়ে যান আরতি। ভুলবশত কানপুর সেন্ট্রাল স্টেশন থেকে ভুলবশত ওঠে পড়েন পাটনা–আনন্দ বিহার টার্মিনাল স্পেশাল ফেয়ার স্পেশাল ট্রেনে।
মৃতের বাবার অভিযোগ, ট্রেনের কোচ এস-১১ বগিতে টিকিটি নিয়ে আরতির সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ান কর্তব্যরত টিটি। এরপর টিটিই নাকি প্রথমে লাগেজ, তারপর ওই মহিলাকেও ধাক্কা মেরে ট্রেন থেকে ফেলে দেন! যেখানে লাগেজ পড়েছিল, সেখান থেকে প্রায় ৪ কিমি দূরে পাওয়া যায় আরতির মৃতদেহ।
২০২০ সালে বিয়ের হয়েছিল আরতি। নৌবাহিনীর প্রশিক্ষণের জন্য স্বামী অজয় এখন চেন্নাইতে। তিনি বলেন, মাত্র ৩ দিন আগে মুম্বই থেকে কানপুরে বাপেরবাড়িতে গিয়েছিল আরতি। ওখান থেকেই দিল্লি আর্মি হাসপাতালে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিল। আমার বাবা ভগবান সিং প্রথম মৃত্যুসংবাদ পায়। অভিযুক্ক টিকিট পরীক্ষককে অবশ্য এখনও গ্রেফতার করেনি GRP। ইটাওয়ার GRP-র সার্কেল অফিসার উদয় প্রতাপ সিং বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে যে মৃত নিজেই ট্রেন থেকে লাফ দিয়েছিলেন। আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি এবং সহ-যাত্রীদের জবানবন্দি রেকর্ড করছি’।

)