বাঙ্গলায় নববর্ষ উৎযাপনের দু’টি ঘরানা ছিল। প্রথম, শরত-অন্তিম নববর্ষ, যেখানে কার্তিক বা অগ্রহায়ণ বছরের শুরু এবং নবান্ন তার ভিত্তি। দ্বিতীয়, বসন্ত-ভিত্তিক বা বসন্ত-সমাপনান্তের নববর্ষ, যেখানে কৃষক নব আনন্দে জেগে কৃষিকাজের উদ্যোগী। তাই প্রথমটি ফসলোত্তর নববর্ষ আর দ্বিতীয়টি প্রাক-ফসলী নববর্ষ।

পয়লা বৈশাখের আগে অঘ্রাণ মাসে শুরু হত নববর্ষ। নবান্নের কথা স্মরণ রেখেই হয়তো মার্গশীর্ষ মাস ছিল অগ্রহায়ণ। কারণ ‘অগ্র’ শব্দের অর্থ ‘সামনে’ আর ‘হায়ণ’ কথাটির মানে ‘বৎসর’। কাজেই বছরের গোড়ার মাস অঘ্রাণ। ফসলের ভরা মরাই নিয়ে চাষি নববর্ষের আনন্দে মাতবেন এতে আশ্চর্যের কিছু নেই। কার্তিকের অন্নাভাবের পর নবান্নের ফসলপ্রাপ্তি, আর তারই প্রেক্ষিতে নববর্ষের সূচনা। ‘নবানে-নববর্ষ’-এ রয়েছে নানান লৌকিক আচার-সংস্কার, হিন্দু-বিশ্বাসের নানা আঙ্গিক, বিশেষত ধান্যলক্ষ্মীর পুজো।

কবি মুকুন্দ চক্রবর্তীর চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের সময় থেকে বৈশাখ-কেন্দ্রিক বারোমাস্যা পাই। বাংলার বারোমাসি ছড়াতেও বৈশাখ মাসে বছর শুরু। “চৈত্র মাসে বাসন্তী পূজায় ধুমধাম বেশ,/বৈশাখ মাসে বছর আরম্ভ, চৈত্রেতে শেষ।”

বসন্ত-বন্দনার মাধ্যমে নববর্ষের সূচনা বনবাসী-কৌমসমাজের প্রাচীন রীতি ছিল। বনবাসীদের ‘বাহা পরব’ এক নববর্ষ ধারণা, নব বসন্তের পুষ্প-পরিণতি। ফাল্গুনী পূর্ণিমার কাছাকাছি সময়ে অনুষ্ঠিত হয় এই উৎসব। ফুলের পরবে পুষ্পোপাসনার মধ্যে আগামীদিনের খাদ্যের প্রতিশ্রুতি। কারণ ফুল থেকে আসবে ফল। “ফুল কহে ফুরারিয়া, ফল, ওরে ফল,/কতদূরে রয়েছিস বল মোরে বল।/ফল কহে, মহাশয়, কেন হাঁকাহাঁকি, /তোমার অন্তরে আমি নিরন্তর থাকি।” (ফুল ও ফল, কণিকা, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)। এই যে রূপান্তরের নান্দনিকতা, এটাই খাদ্য-সংস্কৃতি। বাহা পরবে তাই শস্য পাবার আকাঙ্খা এবং তারই প্রেক্ষিতে নববর্ষকে আহ্বান।

খনার বচনে দেখতে পাই, “ফাগুনে আগুন চৈতে মাটি/বাঁশ বলে শীঘ্র উঠি।” ঝরে পড়া, খসে পড়া পাতায় আগুন লাগিয়ে, তার ছাই মাটিতে মিশিয়ে পটাশ ও জৈব অঙ্গারের জোগান দেওয়া এক পুরাতন কৃত্য এবং বর্ষবরণের অঙ্গ। দোল ফাগুনের পূর্বরাত্রে হোলিকা রাক্ষসীকে পুড়িয়ে মারার উৎসব বা ‘চাঁচড়’ একরকম বনফায়ার। আদিম মানুষের যাযাবর জীবনে জঙ্গল পুড়িয়ে তার ছাইয়ে ফসলের দানা ফেলে কৃষিকাজ সম্ভবত সেই বনফায়ারের আদি কথা। এভাবেই শুরু হত চাষের নতুন মরশুম। যেহেতু কৃষ্টির সঙ্গে কৃষির যোগ থাকে, তাই এই স্প্রিং-ফেস্টিভ্যালকে নববর্ষের দ্যোতক হিসাবে ভাবা যায়। একদা উর্বরা বসুন্ধরা মায়ের কাছে আত্মনিবেদনের উৎসব ছিল নববর্ষ। নতুন বছরে নতুন করে কোমর বাঁধতে হবে, জমি তৈরি করতে হবে, বর্ষার জল ধরে রাখার জলাধার কাটতে হবে।

এই যে ফাল্গুনী পূর্ণিমার তিথিতে নববর্ষ উদযাপন, দোলযাত্রা ছিল তার ধারক ও বাহক। এবং এই পূর্ণিমার কাছাকাছি চৈত্র মাসকে প্রথম মাস ধরে বারোমাসের হিসেব হতো। এজন্যই বুঝি একটি কৃষি ছড়ার শুরু এইভাবে — “চৈতে গিমা তিতা,/বৈশাখে নালিতা মিঠা,/জৈষ্ঠে অমৃত ফল।” বছরের প্রথম মাসে ভেষজ-তেতো খাবার প্রচলন ছিল। পয়লা বৈশাখেও নিম-মুসুরির মণ্ড খাবার প্রচলন আছে। শরীরকে মজবুত রাখতেই এই তিতো ভক্ষণ।

চৈত্র মাসের শুক্ল প্রতিপদ তিথিটিকে বছরের প্রথম দিন হিসাবে দেশজুড়ে পালন করার হিন্দু সনাতনী রীতি বহুদিনের। এই দিনটির নাম বর্ষ প্রতিপদা; চান্দ্র মান অনুসারে বর্ষগণনার এক প্রাচীন পরাম্পরা যাতে শুক্লপক্ষের প্রতিপদ তিথি থেকে অমাবস্যা পর্যন্ত এক একটি মাস বিবেচিত হয়। দেশের নানা প্রান্তে এই দিনটি মহা সমারোহে পালিত হয়, গ্রহণ করা হয় প্রতীকী খাদ্য। দাক্ষিণাত্যে নিমফুল, গুড়, মরীচ, তেঁতুল, ও কাঁচা আম দিয়ে তৈরি হয় বর্ষবরণের খাবার, যার উপাদানগুলির স্বাদ আলাদা। ছয় রকমের স্বাদে ছয়টি পৃথক ভাবনা সম্পৃক্ত — তিক্ত নিম দুঃখের প্রতীক, মিষ্ট গুড় আনন্দের প্রতীক, মরীচের ঝাল ক্রোধ, লবণ ভয়, টক তেঁতুল বিরক্তি ও কষা কাঁচা আম বিস্ময়ের প্রতীক। এককথায় জীবনের নানান আবেগ এবং সুখ-দুঃখের নানান পরিস্থিতির এক রূপক-সাংকেতিক খাদ্য-ভাবনা।

আর্থিক বছরের ধারণা (Financial Year), বর্ষ-প্রতিপদা এবং পয়লা বৈশাখ — কোথায় যেন একসূত্রে মিলে যায়! ইউরোপের নানান দেশে কয়েক শতাব্দী আগে মার্চই ছিল প্রথম মাস। পরবর্তীকালে ইংরেজি মাসগুলি স্থান পরিবর্তন করেছে ক্রিসমাসের দিকে লক্ষ্য রেখে। খ্রিস্টীয় প্লাবনে জানুয়ারি হল প্রথম মাস, কিন্তু তাই বলে মার্চ তার গৌরব হারালো না। পৃথিবীর নানা দেশে মার্চ-এপ্রিল বর্ষ-সন্ধিক্ষণ; আর্থিক লেনদেন জমা করার পালা। ভারতেও সরকারি-বেসরকারী করণগুলিতে চলে সেই ধারা, তা ইংরেজি ক্যালেণ্ডার ভিত্তিক নয়।

নববর্ষের নির্বাচন

কবি অক্ষয়কুমার বড়াল ‘নববর্ষে’ কবিতায় লিখছেন, “সমীর শিহরে; বিহগ কুহরে;/তটিনী সুধীরে পড়িছে লুটে।/আকাশের ভালে মেঘের আড়ালে/সোনামুখী উষা উঠিছে ফুটে।” বলছেন কুসুম-সাজে সেজেছে ধরণী; চারিদিকে গান, হাসি, কাছে আসা-আসি; বর্ষ ঘুরে যায়, ধরা ঘুরে আসে — কিন্তু তার হৃদয় কি ঘুরবে না? প্রকৃতপক্ষে নববর্ষের কাছে মানুষের অসীম আশা; মানুষ নববর্ষকে কেন্দ্র করেই উজ্জীবিত হতে চায়; নববর্ষ নামক এক বৎসর-সন্ধিক্ষণে মানুষ তার মনোবীণায় বাঁধতে চায় নতুন তার। কিন্তু নববর্ষ তো আর অতীতকে অপনোদন করে নয়! অতীত সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনার ধারাবাহিকতা নিয়েই তো বর্ষ-বরণ! মধুসূদন যতই লিখুন, “ভূত-রূপ সিন্ধুজলে গড়ায়ে পড়িল বৎসর”; মন মানে না, কারণ অতীত দিনের ভুলের ফর্দ যে আমাদের কুঁড়ে কুঁড়ে খায়! এখনও যদি অতীতচারী না হই; নিজের, সমাজের, রাষ্ট্রের কৃতকর্মের অন্যায়গুলি সংশোধন না করি তবে ঢের ঢের আগামীর নববর্ষ আমাদের ক্ষমা করবে না। সমৃদ্ধশালী ভারত, কুশল-রাজ্য যদি নির্মাণ করতে হয় তবে অতীত-চারণ করতেই হবে। নববর্ষের আনন্দবার্তার মাঝে তাই ফেলে আসা দিনগুলির ভুল স্বীকার করে নিজের সজাগ মতদান করতে হবে। এই নববর্ষ তাই আগামীর নির্বাচনে যেন ত্রুটি অপনোদনের যথার্থ মরশুম হয়ে ওঠে। অবশ্য পূর্বের আনন্দ-রসও যেন ঢেলে নিতে পারি নতুন পাত্রে — “কাল যে কুসুম পড়বে ঝরে/তাদের কাছে নিস গো ভরে/ওই বছরের শেষের মধু/এই বছরের মৌচাকেতে।” বাংলায় যতটুকু আলো এখনো আছে তা নিবে গিয়ে অন্ধকারে বাঙ্গালির গৃহ আবৃত হবার আগেই সেই বাতিতে নতুন তৈল ও উসকো কাঠি দিয়ে আলোকিত করার নামই হোক নববর্ষ। বাঙ্গালির বর্ষপঞ্জিতে সনাতনী-সংস্কৃতির মেলবন্ধনের দিন হয়ে উঠুক বর্ষবরণ, হিন্দুমিলন মঞ্চ।

হে নূতন দেখা দিক আরবার

সনাতন-বিরোধী একটি জগদ্দল পাথর ৩৪ বছর বাঙ্গলাকে করেছিল ভারত-বিমুখ; ভারতীয় সভ্যতা ও সংস্কৃতির যে অচ্ছেদ্য অঙ্গ পশ্চিমবঙ্গ — ভুলে গিয়েছিল বাঙ্গালি। শুরুটা আগেই হয়েছিল, যখন বাঙ্গালি-সম্ভূত ‘ভারত-কেশরী’-কে মারা হয়েছিল কাশ্মীরের বধ্যভূমে। বাঙ্গলা, ত্রিপুরার বাঙ্গালি ভারতমুখী না হয়ে হয়েছিল রাশিয়া আর চীনের অভিমুখী। যে সমাজতন্ত্রের স্বপ্ন বাঙ্গালিকে দেখানো হয়েছিল তার চাইতে ঢের চিরায়ত সমাজ-চেতনা ও তার অঙ্কুর ভারতবর্ষেই ছিল মজবুত — শ্রীচৈতন্য, বঙ্কিমচন্দ্র, স্বামী বিবেকানন্দে সমাজ-দর্শন ও সাম্যবাদের ধারণা এক চিরায়ত সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত ছিল, ক্ষেত্রও ছিল প্রস্তুত, কিন্তু মগজ তাদের ভারতে ছিল না, ভল্গার জলে ধোলাই হয়ে গিয়েছিল তারপর হোয়াং-হো নদীতে ধুয়ে গেল ভারতবোধ। গবেষণা হওয়া দরকার কমিউনিস্ট পার্টি অফ ইণ্ডিয়া (বিবেকানন্দবাদী) দল কেন প্রতিষ্ঠা হল না ভারতে, গবেষণা হওয়া দরকার সাম্যবাদী দলের সরকারী ধর্ম কি হিন্দু-বিদ্বেষী কোনো ধর্ম? যে সমাজ-সংস্কৃতির অন্দরেই শতশত ভারতীয় মনীষার প্রার্থনা ছিল দুর্বলতা মোচনের, অজ্ঞতা অপনোদনের, প্রার্থনা অন্তেবাসীর আলোকায়নে, আত্মোপলব্ধিতে, সর্বভূতে দেবোপম সম্ভাবনাকে চিনে নেবার সেখানে শ্রীচৈতন্য, স্বামী বিবেকানন্দকে বাদ দিয়ে ভারতবর্ষীয় সমাজতন্ত্রের ভাবনার গোড়াতেই ছিল ভুল। সমাজতান্ত্রিকরা বুঝতে অক্ষম হয়েছিল ধর্ম হচ্ছে ভারতবর্ষের আত্মা, মেরুদণ্ড, জীবনকাঠি — এটা ধরে নেওয়া এক সরল সত্যকে অস্বীকার করা। তারা ভারতবর্ষে সনাতনী-সভ্যতা ধ্বংস করার জন্যই বিদেশি-তত্ত্ব খাড়া করেছিল এবং তাতে ছদ্মবেশী লিবারেল, হিন্দুবিদ্বেষীরা সঙ্গত করেছিল সাম্রাজ্য বিস্তার করার ব্লু-প্রিন্টে। আজ যখন আপন কৃতকর্মে তারা অপ্রাসঙ্গিক, অণুবীক্ষণযন্ত্র ব্যবহার ব্যতিরেকে তাদের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া মুস্কিল — আগাছা অপনোদন করার এক যোগ্যতম নববর্ষ হচ্ছে ১৪২৬ বঙ্গাব্দ। ভারতবর্ষের সমাজ ও রাষ্ট্রজীবনকে শুভঙ্করী ধর্ম থেকে পৃথক করা মানেই ভারত রাষ্ট্রকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া, যার অন্তর্জলী যাত্রা বিগত ৭০ বছর ধরে দেখা গেছিলো। বিগত পাঁচ বছরে এক নতুন চিকিৎসক ভারতভূমে আপন সৌকর্যে আবির্ভূত, যার একহাতে বৈরাগ্য আর হাতে বিজ্ঞান; সেই সব্যসাচীই পারেন ভারতভূমিকে জগৎ সভায় শ্রেষ্ঠ আসন দিতে, বাঙ্গলা যাতে ভারতবর্ষের সঙ্গে তালে তালে মিলিয়ে চলতে পারে নববর্ষের কাছে এটাই প্রত্যাশা। চৌত্রিশ সংখ্যার পরও ‘আট বছর আগের একদিন’ আমরা ‘দেখেছি কোন ভূত’! ‘হয়তো ঘুম হয়নি বহুকাল লাশকাটাঘরে শুয়ে ঘুমায় এবার’। ‘এই ঘুম চেয়েছিল বুঝি’ মরুঝড় আর আরবী-খেজুরে? আট বছরে বাঙ্গলা ভাষার সংকট এসেছে নেমে, বাঙ্গলার গ্রামে গ্রামে নেমেছে কালো-রাত, নারীর সুকোমল দেহ পেয়েছে জিহাদী-উল্লাস, দাঁড়িভিট দাঁড়িয়ে কাঁদে; খাগড়াগড়ে বারুদের ঘ্রাণ, ধূলাগড় ছিটিয়েছে চোখে মরুভূম-বালু, গুটিপায়ে এসেছে নেমে শ্বাপদের নোলা-জিভ। যে সভ্যতা-সংস্কৃতি ধ্বংস, শোণিত ও মৃত্যুর উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত তার অবসান হোক এই নতুনের আহ্বানে।

নববর্ষ -ভাবনা

বাঙ্গলা ক্যালেন্ডারে নববর্ষ হল পয়লা বৈশাখ। বসন্তের শেষে গ্রীষ্মের আগমনেই আসে বৈশাখ আর সেটা চৈত্রের চিতাভষ্ম উড়িয়ে। প্রস্তুত নববর্ষে সব অর্থেই পরিবর্তন চাই। বিশ্বপ্রকৃতির পরিবর্তন, রূপবৈচিত্রের পরিবর্তন, চিন্তা-চেতনার পরিবর্তন, সেই সঙ্গে বাঙ্গলার রাজনৈতিক পরিবর্তন। ‘শুকনো গাঙ্গে আসুক জীবনের বন্যা’; ভেসে যাক জীর্ণ পুরাতন; বাঙ্গলার গ্রাম-জনপদ থেকে বারুদের ঘ্রাণ মুছে যাক; গত গ্রীষ্মে পুরুলিয়া-বীরভূম সহ সারা বাঙ্গলায় মধ্যদিনের রক্ত নয়ন যারা দেখিয়েছে তাদের পরিবর্তন নেমে আসুক ১৪২৬ বঙ্গাব্দে। নরশ্রেষ্ঠ-নরেন্দ্র কালপুরুষের নববিধানে সারা ভারতের সঙ্গে বাঙ্গলার রাজনৈতিক আকাশের নীল নির্মল হোক, জীবনবৃক্ষ রূপ মনুষ্য-বিটপীর দল যেন নির্বাচনের নিঃশ্বাসে নিঃশঙ্ক হতে পারেন। আসুক ‘নববর্ষের পুণ্য বাসরের কালবৈশাখী’, আর তার জন্য যে মূল্যই চোকাতে হোক না কেন — সে যুদ্ধ ‘হোক সে ভীষণ’, ভয় ভুলে উপভোগ্য হোক ‘অদ্ভুত উল্লাস’। আজ কালবৈশাখে নেমে আসুক তার বিজয় রথ বাঙ্গলার ভাগ্যাকাশে; তার পিনাকের টংকার শুনতে পাচ্ছি। মানুষের ধৈর্যের বাঁধ যেহেতু ভেঙ্গে গেছে, তাই ‘ভাঙনের জয়গান’ গাই — ‘বাঁধ ভেঙ্গে দাও বাঁধ ভেঙ্গে দাও বাঁধ ভেঙ্গে দাও।’

ড. কল্যাণ চক্রবর্তী

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.